

যাঁদের শুভ কামনায় বা বিশেষ কেউবা আছে যার অনুপ্রেরণায় আজকের এই আমি, একটু ফিরে যায় সেই স্মৃতির পাতায়। আজ আমার যতটুকু যশ, খ্যাতি, উন্নতি, অর্জিত সম্মান এবং সুপ্ত প্রতিভা জাগ্রত হয়েছে তার পিছনে অবশ্যই কারো অবদান ছিলো। ছোটবেলা থেকেই প্রথম হবার জেদ'টা আমার ভিতর সব সময় কাজ করত, এখনও করে, সে লেখালিখিতে হোক আর কর্ম জীবনেই হোক। সর্বাধিক পঠিত এবং সর্বোচ্চ লাইক-কমেন্ট পাবার ইচ্ছেটা সারা জীবনই ছিল। পড়াশুনায়, স্কুল জীবনে সব ক্লাসেই ছিল প্রথম স্থান। লেখাপড়ার ক্ষেত্রে অবশ্য পরবর্তিতে এটা ধরে রাখা যায়নি, কারণ সময়টা ছিল যুদ্ধের পরের ক'বছর। যুদ্ধ বিদ্ধস্ত দেশটিতে ওই সময় ছিল নানান সমস্যা। আমাদের সংসারেও ছিল অনেক অভাব। প্রতিকুল অবস্থার সঙ্গে কঠিন লড়াই ও বাস্তব জীবনের সাথে যুদ্ধ করতে গিয়ে লেখাপড়ার সর্বোচ্চ সিঁড়িটা অতিক্রম করা আর সম্ভব হয়নি। তবে প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষায় শিক্ষীত হতে না পারলেও জ্ঞানার্জনের এবং জীবনে প্রতিষ্ঠিত হবার জন্য সব সময় ছিলো সর্বাত্মক প্রচেষ্টা। তাই জ্ঞান অর্জনের জন্য পড়েছি, এবং গুণীজনের আশীর্বাদ পাবার চেষ্টা করেছি। আল্লাহর রহমতে অনেক গুণীজনের দোয়া ও সান্নিধ্য পাবার সৌভাগ্য আমার হয়েছে। তন্মধ্যে যে গুণীজনের কথা আমি অকপটে স্বীকার করতে চাই যাঁর কাছথেকে পেয়েছি বন্ধুর মত ভালোবাসা এবং সন্তানের মত স্নেহ, তিনি হলেন শ্রদ্ধেয় প্রয়াত কবি অধ্যাপক আব্দুস সালাম স্যার। মহান আল্লাহ উনাকে জান্নাতবাসী করুন। কর্ম জীবনেও সোনালী দিনের প্রত্যাশায় জিরো থেকে শুরু করে, শিকড় থেকে শিখরে পৌছানোর কাঙ্ক্ষিত স্বপ্ন পূরণে আজ এগিয়ে এসেছি এতদূর।