

তুলি গন্তব্যহীনভাবে দৌঁড়াচ্ছে। তার পথযাত্রার গন্তব্য সে জানে না, এবং যাত্রাপথের কোথায় থেকে কোথায় যাচ্ছে, তা জানার অন্তরায় রয়েছে। সে জানে না এ পথের শেষ কোথায়? মনে একটা ভরসা নিয়ে এগুচ্ছে সে, এবং এ যাত্রাপথে নতুন কোনো কাহিনির সন্নিবেশ ঘটবে। রক্তিম সূর্যের আলোয় আবার জীবন নানা রঙে, উপঢৌকন নিয়ে সেজে উঠবে। বাইরে ধূলিমিশ্রিত বাতাস বয়ে যাচ্ছে, এবং দখিনা হাওয়া ব্রিজের কোণে ধেয়ে আসছে। আকাশে এতক্ষণ মেঘ জমে ছিল, এখন বেশ পরিষ্কার। চাঁদটাও ফালি দিয়ে উঠেছে। অরন্য ব্রিজের পাশে দাঁড়িয়ে আকাশপানে তাকিয়ে একা একা বিড়বিড় করছিল, রাত তখন বারোটা। অরন্যের রোজকার অভ্যাস হলো এ ব্রিজের পাশে এসে ধূলি মিশ্রিত বাতাসে এক ঘণ্টা কাটানো, এবং আজকেও এর ব্যতিক্রম ঘটেনি। যখন এক ঘণ্টা কাটিয়ে বাড়ি যেতে পেছনে ঘুরল, ঠিক তখন তুলি ব্রিজের পাশে এসে দাঁড়াল। তার পরনে ছিল লাল বেনারসি শাড়ি এবং শরীরে হালকা গহনা, মনে হচ্ছে বিয়ের আসর থেকে এই মাত্র পালিয়ে এসেছে। তাকে দেখে অরন্যের কাছে ভালো ঠেকল না, তাই ঠাঁই দাঁড়িয়ে থেকে তুলির দিকে নজর দিল। তুলি যখন ঝাঁপ দিতে যাবে, তখন অরন্য তুলির পাশে গিয়ে দাঁড়িয়ে বলল, “বিয়ের আসর থেকে পালিয়ে এসেছেন? যার জন্য পালিয়েছেন, উনি আসেননি। তাই ব্রিজ থেকে ঝাঁপ দিতে এসেছেন, তাই তো?” তুলি অরন্যের কথা শুনে তার দিকে বড়ো চোখ করে তাকাল।
অসাধারণ। সমাজের সবার ই বইটি থেকে অনেক কিছু শেখার আছে। লেখিকাকে ধন্যবাদ দারুণ বইটির জন্য।
Read all reviews on the Boitoi app
নিপা আপুর প্রথম ইবুক😍