

স্কুলে থাকতে এক মহা ফাজিল, বেয়াদব আর উগ্র মেজাজের ছেলের সঙ্গে পরিচয় হয়েছিল নীলার। স্বভাবে শান্তশিষ্ট আর অন্তর্মুখী নীলাকে কেউই খুব একটা পাত্তা দিত না, কিন্তু এই ছেলেটা ছিল ভিন্ন। সর্বদা ওর পিছে লাগা, ওকে যন্ত্রণা দেওয়াই ছিল তার একমাত্র কাজ। নাম অর্ক। বড়লোক বাবার বখে যাওয়া পুত্রের জ্বালায় অতিষ্ঠ নীলা। রোজ রোজ ক্লাসে জ্বালাতন, কথার মারপ্যাঁচে হেনস্তা, বেণী ধরে টানাটানি, বাড়ি ফিরবার পথে যন্ত্রণা—কি সহ্য করেনি ও? অতঃপর বাবার বদলির দরুন শহর ছেড়ে চলে যেতে হলো নীলাকে। মুক্তি মিললো ওর। কিন্তু সত্যিই কি মুক্তি ছিল সেটা? নাকি ছিল অনিশ্চিত এক অপেক্ষার যাত্রা? অনেকগুলো বছর পেরিয়ে আকস্মিক দু’জনের সাক্ষাৎ হলো আবারও। কিন্তু এবার ভিন্ন পরিচয়ে। নীলার ছোট বোন মিলার সাথে বিয়ে ঠিক হয়েছে অর্কের। শুনে চমকালো নীলা, কি হবে এখন? ওর জীবনে নতুন কি যন্ত্রণা করতে যাচ্ছে অর্ক? জানতে হলে পড়তে হবে, ব্যাডবয় অর্ক আর ভীতু নীলার গল্প — ‘মন বদল’!
অর্ক আর নীলা, মিলার দারুণ গল্প।
Read all reviews on the Boitoi app
গল্পটা পড়লাম... অনেক ভালো লেগেছে। বিশেষ করে অর্ক-নীলার খুনসুটিগুলো দারুণ ছিলো!! গল্পের প্লট টা আপাতদৃষ্টিতে সরল হলেও তার সামাজিক প্রভাব অনেক গভীর, যেহেতু প্রতিবন্ধকতা আছে। এক কথায় হাস্যরসে ভরপুর কিছুটা জটিল সমস্যার সুন্দর পরিসমাপ্তি হলো- এই "মন বদল"... ❤️
গতানুগতিক ধারার বাইরে সম্পূর্ণ অন্যরকম একটি বিশুদ্ধ ভালোবাসার গল্প "মন বদল",,,, স্কুলের সেই ডানপিঠে অসভ্য অর্ক যে এতোটা শুদ্ধ ভালবাসা তার মনে নীলার জন্য লালন করে রেখেছে তা নীলা হয়তো কষ্মিনকালেও ভাবে নি!! তাছাড়া নীলা যেমনি ছিঁচকাদুনে ও বোকা ছিল, তেমনি যুবতী বয়সে হয়েছে ঘাডত্যাড়া এবং মেজাজী,,,, কিন্তু পরিশেষে লেখিকা তার সুনিপুণ প্রতিভায় গল্পটিতে এক চমৎকার পরিপূর্ণতার সৃষ্টি করেছেন,,,এখানে নীলা_অর্ক ছাড়াও মিলা চরিত্র টিও ছিল ভীষণ অমায়িক,,,,এক কথায় হৃদয় ছুঁয়ে গেছে গল্প টি,,,লেখিকা আবারো তার প্রতিভার উজ্জ্বল স্বাক্ষর রেখেছেন,,,, শুভকামনা রইলো