

আহসান বাড়ির সেই স্কুল পড়ুয়া ছোট মেয়েটির নাম রাইদা আহসান টুসু। যে দু-চোখ ভরে স্বপ্ন দেখতো, একদিন বাসন্তী রঙের শাড়ি পরে প্রেমিকের সামনে হাজির হবে, লাল বেনারসি শাড়ি পরে বউ সাজবে, সমস্ত প্রতিকূলতা অতিক্রম করে পছন্দের মানুষটাকে বিয়ে করে সোনার সংসার সাজাবে, প্রিয় মানুষটির হাত ধরে চষে বেড়াবে দেশ থেকে দেশান্তরে। আমি সেই মেয়েটির কথা বলছি। জীবন যাকে পনেরো বছর সুযোগ দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিল, পাঠকদের ইচ্ছে রাখতে সে আজ এসেছে তার সোনার সংসারের গল্পটা শোনাতে। প্রেমিকপুরুষ অভিনব শারাফের সঙ্গে কি টুসুর সত্যিই একটি সোনার সংসার হয়েছিল? যদি হয়ে থাকে, সেই সংসারটা কেমন ছিল? সেখানে কি টুসুর শৈশব–কৈশোরের সব স্বপ্ন একে একে পূর্ণতা পেয়েছিল? পাষাণপুরুষের খোলস পরে থাকা, দায়িত্ব আর কর্তব্য পালনে অটল বিবেক আহসানেরই বা কি হয়েছিল? টুসুর সোনার সংসারে তার জায়গা হয়েছিল কি? জানতে হলে পড়ুন ~টুসু।

"গল্প টা পড়ে শেষ করলাম। সত্যি বলতে ফেসবুক গল্পে টুসুকে ১ম পড়ে প্রচুর কেঁদেছিলাম। জীবনে এতো স্যাড গল্প পড়েও এতোটা কাঁদিনি। এরপর থেকে গল্প পড়তে আসলেই শুধু টুসুকে মনে পড়তো কান্না আসতো। তারপর প্রিমাপু এই ইবুক টা আনলো। এটা সত্যি ই অসাধারণ ছিলো। টুসু নতুন জীবন পেল। একটা ভালোবাসার সংসার পেলো। অভিনব শারাফ কে পেলো। টুসুর এই পূর্ণতা সত্যিই অনেক ভালো লেগেছে। আবার বিবেক আহসান এর জন্য ও কষ্ট হচ্ছে। সবশেষে গল্পটা সত্যিই অসাধারণ লেগেছে। তবে আগের টুসুর মতো এতোটা নয়। টুসুর আরো হাজার ও পূর্ণতার গল্প পড়লেও সেই আগের টুসুর মতো এতোটা ফিল পাবো না। কারণ টুসুকে চেনাটাই হয়েছে সেই ফেসবুকএর টুসুকে দিয়ে। এই টুসুকে পড়ার সময় ও কেনো জানি বারবার সেই টুসুকে মনে পড়ছে কিছুতেই মন থেকে সরানো যায় না। কখনো ভুলাও যাবে না। পরিশেষে টুসুকে এবং টুসুর প্রতি অভিনবের ভালোবাসা মারাত্মক মুগ্ধ করেছে। 🫶🥹"
ফেইসবুকেরটা পড়ে কষ্ট পেয়েছি তাই সুখেরটা পড়লাম। কিন্তু মনে হলো এটা টেনেটুনে বড় করে লিখছে।
Read all reviews on the Boitoi app
কলোহল মুক্ত একটা লেখা যেখানে বাড়তি কোনো ন্যাকামি নেই ।
গল্প টা পড়ে শেষ করলাম। সত্যি বলতে ফেসবুক গল্পে টুসুকে ১ম পড়ে প্রচুর কেঁদেছিলাম। জীবনে এতো স্যাড গল্প পড়েও এতোটা কাঁদিনি। এরপর থেকে গল্প পড়তে আসলেই শুধু টুসুকে মনে পড়তো কান্না আসতো। তারপর প্রিমাপু এই ইবুক টা আনলো। এটা সত্যি ই অসাধারণ ছিলো। টুসু নতুন জীবন পেল। একটা ভালোবাসার সংসার পেলো। অভিনব শারাফ কে পেলো। টুসুর এই পূর্ণতা সত্যিই অনেক ভালো লেগেছে। আবার বিবেক আহসান এর জন্য ও কষ্ট হচ্ছে। সবশেষে গল্পটা সত্যিই অসাধারণ লেগেছে। তবে আগের টুসুর মতো এতোটা নয়। টুসুর আরো হাজার ও পূর্ণতার গল্প পড়লেও সেই আগের টুসুর মতো এতোটা ফিল পাবো না। কারণ টুসুকে চেনাটাই হয়েছে সেই ফেসবুকএর টুসুকে দিয়ে। এই টুসুকে পড়ার সময় ও কেনো জানি বারবার সেই টুসুকে মনে পড়ছে কিছুতেই মন থেকে সরানো যায় না। কখনো ভুলাও যাবে না। পরিশেষে টুসুকে এবং টুসুর প্রতি অভিনবের ভালোবাসা মারাত্মক মুগ্ধ করেছে। 🫶🥹
প্রিমা আপুর কোনো বই বা লেখা আমার আগে পড়া হয়নি,,টুসুই প্রথম পড়া হলো,,একজন পাঠিকা হিসেবে আমার মনে হয়েছে আপুর এই গল্পটা তেমন ১টা জমেনি,,এই গল্পের বেশিরভাগ চুমুতেই চলে গেলো😑আর গল্পে তেমন টুইস্ট ও পাইনি,,পড়তে পড়তে বিরক্তি চলে আসে,,পড়ার পর মনে হচ্ছিলো যেনো ইচ্ছে করেই টেনেটুনে গল্প বড় করা হয়েছে যেটা ভালো লাগেনি আমার কাছে,,গল্পে আরো অনেক বানান ও ভুল আছে,,,আরো পরিপক্কতা প্রয়োজন আপু,,আমি পাঠিকা হিসেবে আমার মতামত জানালাম,,,আশা করি আপু বুঝবেন।
খুব সুন্দর হয়েছে।❤️তারপরও বিবেক আহসানের জন্য একটু খারাপ লেগেছে🙂🥀
চমৎকার হয়েছে
পড়ে শেষ করলাম। এক কথায় সহজ সরল সুন্দর একটা গল্প। টুসুরানির আর অভিনবের সুন্দর, সাজানো একটা সংসার। কিন্তু শেষে কেনো জানি মনটা ভার হয়ে গেলো। যাই হোক প্রিমা আপার লেখা সব সময়ই আমার ভালো লাগে এটাও ব্যতিক্রম নয়। খুব খুব সুন্দর হয়েছে ❤️❤️❤️
Nice 🙂
বিবেক আহসান, অভিনব শারাফ ২ জনকেই ভালোবাসি😭❤️ টুসু তো পাখি😚 এই পড়ে এত্তো ভালো লাগসে বলার বাইরে। এতো সুন্দর একটা সংসার আহা। ভেবেই খুশি লাগসে অনেক। লেখিকাকে অসংখ্য ধন্যবাদ মেঘ না চাইতেই সমুদ্র দিয়ে দেয়ার জন্য ❤️ বিবেক আহসানকে নিয়ে একটা গল্প লেখার অনুরোধ রইলো আপু🤲🏿 প্লিজ প্লিজ প্লিজ ভেবে দেখবেন বিষয়টা। এরকম সুন্দর সুদিং একটা গল্প লিখবেন যেটা পড়ে আবার প্রেমে পরবো বিবেক আহসানের। প্রিয় গল্পের তালিকায় যুক্ত হয়ে গেলো এটাও❤️ অনুরোধ থাকবে আরও একটা 🫣 আমায় রেখো প্রিয় প্রহরে, অভিক ফারদিনকে বইয়ের পাতায় চাই, ভীষণভাবে চাই😭😭😭🤲🏿🤲🏿🤲🏿🤲🏿 ভেবে দেখো বিষয়টা🤲🏿
Khub sundor hoise 💝