

অধরা আর মাহতাব, এই দুইজনের গল্প সেই দিন পাশে থেকো। দুইজন বিবাহিত দম্পতি, এদের মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব নিয়েই এই গল্প। যাদের সম্পর্কের শুরুতে ছিল নিরাসক্তি ও দূরত্ব, তবে সেটা এক পক্ষের জন্য; অপর পক্ষের ছিল শুধুই ভালোবাসা। তারপর একটা ভুল এদের একজনকে দাঁড় করায় কাঠগড়ায়। কিন্তু দাম্পত্য মানেই কি শুধু ঠিক-ভুলের হিসাব? নাকি জীবনসঙ্গীকে একটা সুযোগ দেওয়া, পাশে থাকা? এবার পরিস্থিতি উল্টে যায়। যে এই সম্পর্ক নিয়ে অসন্তুষ্ট ছিল, তার অনুশোচনা সাথে গভীর উপলব্ধি হয়। সে তার জীবনসঙ্গীকে ভালোবেসে ফেলে গভীরভাবে। অপরদিকে, যে ভালোবেসে বিয়ে করেছিল, সে সঙ্গীর ভুলে তার পাশে থাকার পাশাপাশি নিজ হৃদয়ের জ্বালা উপশমে বেছে নেয় নির্লিপ্ততা, আর অপর পক্ষকে প্রতিশোধের আগুনে জ্বালানোর পন্থা। কিন্তু এর মাঝেই হঠাৎ কি উপস্থিত হয় জানেন? উপলব্ধি, এই যে স্বামী আর স্ত্রী একে অপরকে নীরবে যত্ন নেয়, খেয়াল রাখে, এগুলোর উপলব্ধি হয় দুজনের। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে একজনের না বলা যত্ন আর ভালোবাসা অন্যজনের ভেতর জমা হতে থাকে, কিন্তু সে নিজেই বুঝতে পারে না তার গভীরতা। এক সময় এই উপলব্ধি সমস্ত ঘৃণার দেওয়াল ভেঙে দেয়। তারপর কি তারা দুইজন হৃদয় খুলে একে অপরের কাছে আসতে পারে? ভালোবাসায়, ক্ষমায়, আত্মসমর্পণে। পাশে থাকতে পারে একে অপরের?
"কিছু কিছু ভুল থাকে যেগুলো ক্ষমাহীন। তেমনি একটা ভুল করেছিল অধরা। ক্ষমাহীন এক সম্পর্কে আটকে গেল যেন দুজনে। ভালবাসা বাসিটা অধরাই থেকে গেল। মানুষের মন কখন কিভাবে বদলে যায়, কেউ বলতে পারেনা। সেই স্বামী যার স্পর্শটাও বিষের মত লাগতো একসময়, তার প্রেমে আজ অস্হির অধরা। কিন্তু মাহতাব নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছে। আজীবনের শাস্তি হিসেবে স্পর্শহীন সম্পর্কে বন্দী করে রেখেছে অধরাকে। একসময় অধরা সিদ্ধান্ত নিলো, এই বেদনাবিধুর সম্পর্ক থেকে মাহতাবকে রেহাই দেবে সে। যেন আরেকটা বিয়ে করে প্রকৃত দাম্পত্য জীবন শুরু করতে পারে মাহতাব। কি চায় আসলে মাহতাব? আরেকটি বেদনায় মোড়ানো মিষ্টি প্রেমের গল্প। অভিমান দীর্ঘ হলে চিরস্থায়ী ক্ষতের সৃষ্টি করে। মানুষ নিজেও বোঝেনা তখন সে কি চায়। মাহতাব, অধরা নিজেরাই আবিষ্কার করুক পরষ্পরকে। প্রচ্ছদটা একেবারেই যায় না এমন চমৎকার একটা গল্পের সাথে, বরং বিকর্ষিত করে।"
কিছু কিছু ভুল থাকে যেগুলো ক্ষমাহীন। তেমনি একটা ভুল করেছিল অধরা। ক্ষমাহীন এক সম্পর্কে আটকে গেল যেন দুজনে। ভালবাসা বাসিটা অধরাই থেকে গেল। মানুষের মন কখন কিভাবে বদলে যায়, কেউ বলতে পারেনা। সেই স্বামী যার স্পর্শটাও বিষের মত লাগতো একসময়, তার প্রেমে আজ অস্হির অধরা। কিন্তু মাহতাব নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছে। আজীবনের শাস্তি হিসেবে স্পর্শহীন সম্পর্কে বন্দী করে রেখেছে অধরাকে। একসময় অধরা সিদ্ধান্ত নিলো, এই বেদনাবিধুর সম্পর্ক থেকে মাহতাবকে রেহাই দেবে সে। যেন আরেকটা বিয়ে করে প্রকৃত দাম্পত্য জীবন শুরু করতে পারে মাহতাব। কি চায় আসলে মাহতাব? আরেকটি বেদনায় মোড়ানো মিষ্টি প্রেমের গল্প। অভিমান দীর্ঘ হলে চিরস্থায়ী ক্ষতের সৃষ্টি করে। মানুষ নিজেও বোঝেনা তখন সে কি চায়। মাহতাব, অধরা নিজেরাই আবিষ্কার করুক পরষ্পরকে। প্রচ্ছদটা একেবারেই যায় না এমন চমৎকার একটা গল্পের সাথে, বরং বিকর্ষিত করে।
Read all reviews on the Boitoi app
অনেক অনেক সুন্দর একটা ই-বুক ছিল “সেই দিন পাশে থেকো”। আমার পড়া সেরা গল্পগুলোর মধ্যে এটা অন্যতম। গল্পটা যত পড়েছি, ততই মুগ্ধ হয়েছি। জেবা আপু, তোমার লেখায় আসলেই যেন এক ধরনের জাদু আছে। নিমেষেই আমার মন খারাপ দূর করে দিয়েছো। তোমার জন্য অনেক অনেক শুভকামনা ও ভালোবাসা রইলো। 🤍
অসাধারণ একটি লেখা... লেখিকার মতোই অসাধারণ। গল্পটি মন খারাপ দিয়ে শুরু করলেও শেষে এক চিলতে ভালো লাগা মনে জায়গা করে নেয়। অধরা ও মাহতাবের সংসার শুরু... গোছানোর আগেই এক ভুলে তা তছনছ হয়ে যায় , তারপর..... যোগ সাধনার মতো অধরা ৩ টি বছর সংসারের সাধনা করেছে সাথে মনের মানুষের ভালোবাসারও। সেই মানুষটি ও অধরাকে ভালোবেসেছে কিন্তু তা অভিমান ও কষ্টের তলায় চাপা পড়ে ছিল, সে চেয়েও ঘৃণা করতে পারেনি তার প্রিয়তমাকে। সংসার যা মায়া, মমতা, ভালোবাসা, সহযোগিতা, ক্ষমা সবমিলিয়ে তৈরি তার উদাহরণ এই সুন্দর গল্পটি। এই গল্পের দুটি সুন্দর উক্তি --"খারাপ সময়ে পাশে থাকার নাম ই দাম্পত্য সম্পর্ক আর সঙ্গীর ভুলগুলো শুধরে তাকে ক্ষমা করে দেওয়া।" -"সংসার তো একটা মায়া বৈ আর কিছু তো নয়…" লেখিকা অনেক মায়া মমতা মিশিয়ে গল্পটি লিখেছেন।
সংসার সে কোনো রশি না যে বেঁধে রাখবে। সংসার সে তো মায়া, মমতা আর মান অভিমানে ভরা এক গন্তব্য। সেইদিন পাশে থেকো গল্পটার মধ্যে নায়ক নায়িকা অধরা ও মাহতাব। যাদের মান অভিমানে কেটে যায় তিনটি বছর। এই তিন বছরে মাহতাব অধরা কে আগলে রেখেছি। অধরার সেই বড় অপরাধের পরও মাহতাব তাকে ভালোবেসে ছিল। যদিও উপরে উপরে দেখাতো ঘৃণা করে। কিন্তু আসলেও কি ঘৃণা টা সে করতে পেরেছিল। অধরাকে অসম্মান থেকে বাঁচানো, বিপদে আগলে রাখা ও নিরব ভালোবাসার মাঝেই গল্পের স্বার্থকতা পেয়েছে। কারণ মাহতাব অধরার সেই সময় পর্যন্ত পাশে থেকেছিল। আর অধরা কে নিয়ে দুটো কথা বলব। নারী জাতি বড্ড জিলাপির প্যাঁচে ভরা। ফাঁকা মাথায় বুদ্ধি নিয়ে আবেগে কাজ করে শেষে আফসোস করে। অধরা ঠিক তাই। তার একটা ভুলে সে মাহতাবের অপরাধী। কিন্তু যত দিন যায় সে মাহতাবের ভালোবাসা অনুভব করে। এজন্য মাহতাবের অদৃশ্য অবহেলা মেনে নিতে নারাজ। আর কিছু বলবোনা। সবাই গল্পটা পড়ুন। তাহলেই বুঝতে পারবেন গল্পটার নামের অর্থ। পরিশেষে, ধন্যবাদ জেবুপুকে। আল্লাহ উনাকে ভালো রাখুক।
সুন্দর হয়েছে
সুন্দর মিষ্টি একটা গল্প,
অসম্ভব রকমের সুন্দর একটা গল্প। প্রথমেই জেবাবুকে অনেক অনেক ভালোবাসা ও চুমু (😘😘😘) এতো সুন্দর একটা গল্প আমাকে উপহার দেওয়ার জন্য। পুরো গল্পটা জুড়েই মাহতাব আর অধরা! একদম শান্ত, নির্ভেজাল একটা গল্প। অতিরিক্ত বাড়াবাড়ি কোনো কিছুই নেই। মাহতাব চরিত্র টা আমাকে ভীষণ ভাবে মুগ্ধ করেছে। 🩷 ভীষণ সুন্দর ছিলো।
ভালোবাসাময় সংসারের মান অভিমান ভুলে পাশে থাকা অসাধারণ গল্পটা ❤️❤️
অসম্ভব সুন্দর এই গল্পটি পড়ে অনেক ভালো লাগলো।সাদা-মাটা একটি সংসার,,সেখানে স্ত্রীর করা ভুলকে সময়ের সাথে মাফ করে নতুন করে সংসার গড়ে তোলা,,আসলেই অন্যরকম একটি অধ্যায় ছিলো। আর লেখিকা আপুকে অসংখ্য ধন্যবাদ,,এতো সুন্দর একটি গল্প আমাদের উপহার দেওয়ার জন্য।আসলেই মুগ্ধ হয়েছি এতো সুন্দর কাহিনি-প্লট দেখে।আবারো ধন্যবাদ।🤍🌸
যখন আমি ক্লান্ত চোখে অভিমান করে অল্প একটু দূরে যাবো,, যখন আমি ভুল গুলো কে ফুল ভেবে এগিয়ে যাবো,, যেদিন আমি হাজার অভিযোগ নিয়ে তোমার সামনে দাঁড়াবো,,সেই দিন পাশে থেকো