

তমা ফারাহ’র দিকে ফোন এগিয়ে দিয়ে বললো, --“ধর, তোর খান সাহেবের ফোন আসছে।” ফারাহ দ্রুত বেগে ফোন হাতে নিয়ে রিসিভ করে। এপাশ থেকে হ্যালো বলার আগেই ওপাশ থেকে ইলাফ রাশভারি কণ্ঠে বলে, --“কোথায় আছেন ম্যাডাম? ক্লাসে খোঁজ করে পাচ্ছি না আপনাকে।” ফারাহ ঠোঁট কামড়ে ধরে বসে থাকে। কিছু সেকেন্ড নিরব থেকে বলে, --“আমি তো কথা বলিনি, আপনি বুঝলেন কী করে যে ফোনটা আমিই ধরেছি?” --“আপনার অস্তিত্ব খুব ভালো করে চেনা আমার। কথা না বললেও ঘন ঘন শ্বাস নেওয়ার ধরনেই বুঝেছি, এটা আপনি ম্যাডাম।” --“দরকার হলে শরীর ছুঁয়েই মনে যাবো আমি। সবাই যেখানে আগে মনে প্রবেশ করে, তারপর শরীর স্পর্শ করে, সেখানে আমার ক্ষেত্রে না হয় উল্টোটাই হবে।” --“আপনাকে আমি ঘৃণা করি, শুদ্ধ ভাই। এত করে বলার পরেও আপনি বিয়েটা ভাঙলেন না। উল্টো আমি অন্য কাউকে ভালোবাসি জানা সত্ত্বেও আপনি বিয়েটা করলেন। আপনাকে কখনো ক্ষমা করবো না আমি।”
অসম্ভব সুন্দর হয়েছে ই-বুক টা। কি বলব নিজেই বুঝতে পারছি না ভাষা গুলো খুব এলোমেলো হয়ে যাচ্ছে। এক বসায় গল্প টা শেষ করলাম।প্রথম দিক থেকে গল্প টা খুব এঞ্জয় করেছি।তবে মাঝ খান থেকে গল্পের লাস্ট পর্যায়ের টুইস্ট এর মোটেও প্রস্তুত ছিলাম না।নামের সাথে গল্পের প্লট টা একদম মিলে গেছে। তবে যাই হোক আপুর সব গুলো গল্প ও ই-বুকের মতো এটাও বেস্ট ছিল।খুব খুব সুন্দর হয়েছে। পুরো টা গল্প একটা ঘোরের মধ্যে পড়ে শেষ করেছি।তবে গল্প টা আরেকটু বড় হলে ভালো হত।কেনো না এখনো পুরো গল্প টা মাথায় মধ্যে ঘুরতাছে আরেকটু পড়ার জন্য। আপুর একজন পাঠিকা হিসেবে রিকুয়েষ্ট ওদের নিয়ে আবার কোনো একটা গল্প লিখো প্লিজ। সব শেষে তোমাকে এত্তো গুলো ভালোবাসা কিউটিপাই ❤️🫶🥰।
Read all reviews on the Boitoi app