

সময়টা ৯০ দশকের, যখন সবার হাতে হাতে মোবাইল ফোন থাকতো না। এমনই এক সময়ে নাসিমের ভালো লেগেছিল অনিমাকে। ভিন্ন শহরে থাকার কারণে যোগাযোগের জন্য চিঠি লেখা ছাড়া উপায় নেই। কিন্তু চিঠি লিখতে গেলে কলম ভেঙে যায় নাসিমের। তাই বাধ্য হয়েই শরণাপন্ন হয়েছিল বন্ধু মুনিরের। বন্ধু চিঠি লিখে দেবে আর সেটা কপি করে পাঠাবে নাসিম। কিন্তু এই চিঠি লিখতে গিয়েই কী করে যেন সব ওলটপালট হয়ে গেল। শেষ অবধি কী হল অনিমা, নাসিম আর মুনিরের, জানতে হলে পড়ুন ইবুক ‘অনির’।
"অসম্ভব সুন্দর একটা গল্প। মনে হচ্ছিল রবীন্দ্রনাথের 'হৈমন্তী'র এযুগের ভার্সন পড়ছি! আসলেও যুগ বদলালেও মানুষের মানসিকতা একি রয়ে গেছে। আর অনিমা যেন হৈমন্তীর চরিত্রের সব সুন্দর রুপগুলো ধারণ করে আছে। এতটা উত্তেজনা হচ্ছিল ওই সময়টা পড়তে যে মনে হচ্ছিল দম আটকে যাচ্ছে। ভাগ্যিস মুনির অপু নয়, নয়তো আরেকটা হৈমন্তী বিসর্জনে কাঁদতে হত। যদিও গল্পটা আবেগে ভাসিয়ে বারবার কাঁদালো। চিঠিতে পরিচয় তাও অন্যের প্রেমিকা। শুধু হৃদয়ে হৃদয়ে প্রেম হয়ে গেল না দেখেও। এত ভালো লাগছিল সেসময়ের গল্পটা, খুবই স্নিগ্ধ আর রৌদ্রময়। মুনির সত্যিকার প্রেমিক, সত্যিকার ভালো মানুষ। সবগুলো পরীক্ষায় সে পাশ করেছে। সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষাটা ছিল সম্ভবত ক্যারিয়ার বনাম পরিবার বা ভালোবাসা। খুব কম মানুষই সঠিক পথটা বেছে নিতে পারে বা সঠিকভাবে নিজেকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে। এত প্রতিকুলতার মাঝেও মুনির ঠিকই পেরেছিল। অনিমা যদি এতটা চাপাঁ স্বভাবের না হত তাহলে হয়ত ওর কষ্ট কিছুটা কম হত। প্রবাসের পার্টটুকুও খুব সুন্দর হয়েছে। একমুহূর্তের জন্য মনে হয়েছিল এটা কি লেখিকার জীবনী নাকি? সবশেষে খুব চমৎকার একটা ভালোবাসার গল্পের জন্য লেখিকাকে ধন্যবাদ।"
অসম্ভব সুন্দর একটা গল্প। মনে হচ্ছিল রবীন্দ্রনাথের 'হৈমন্তী'র এযুগের ভার্সন পড়ছি! আসলেও যুগ বদলালেও মানুষের মানসিকতা একি রয়ে গেছে। আর অনিমা যেন হৈমন্তীর চরিত্রের সব সুন্দর রুপগুলো ধারণ করে আছে। এতটা উত্তেজনা হচ্ছিল ওই সময়টা পড়তে যে মনে হচ্ছিল দম আটকে যাচ্ছে। ভাগ্যিস মুনির অপু নয়, নয়তো আরেকটা হৈমন্তী বিসর্জনে কাঁদতে হত। যদিও গল্পটা আবেগে ভাসিয়ে বারবার কাঁদালো। চিঠিতে পরিচয় তাও অন্যের প্রেমিকা। শুধু হৃদয়ে হৃদয়ে প্রেম হয়ে গেল না দেখেও। এত ভালো লাগছিল সেসময়ের গল্পটা, খুবই স্নিগ্ধ আর রৌদ্রময়। মুনির সত্যিকার প্রেমিক, সত্যিকার ভালো মানুষ। সবগুলো পরীক্ষায় সে পাশ করেছে। সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষাটা ছিল সম্ভবত ক্যারিয়ার বনাম পরিবার বা ভালোবাসা। খুব কম মানুষই সঠিক পথটা বেছে নিতে পারে বা সঠিকভাবে নিজেকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে। এত প্রতিকুলতার মাঝেও মুনির ঠিকই পেরেছিল। অনিমা যদি এতটা চাপাঁ স্বভাবের না হত তাহলে হয়ত ওর কষ্ট কিছুটা কম হত। প্রবাসের পার্টটুকুও খুব সুন্দর হয়েছে। একমুহূর্তের জন্য মনে হয়েছিল এটা কি লেখিকার জীবনী নাকি? সবশেষে খুব চমৎকার একটা ভালোবাসার গল্পের জন্য লেখিকাকে ধন্যবাদ।
Read all reviews on the Boitoi app
বইটি পড়ে খুব ভাল লাগলো। সম্পর্কের নানা টানাপোড়েন, আপনজনদের বিচিত্র মনোভাব, অনুভূতির চমৎকার উপস্থাপন - বই পড়ার সময়টি ভাল কাটলো।
চমৎকার উপন্যাস! দেশে মোবাইলের হাটি হাটি পা পা করে এগিয়ে চলার সময় অনিমার সাথে মুনিরের পরিচয় চিঠি লেখার মাধ্যমে! একজন ঢাকায়, আরেকজন চট্রগ্রামে। যোগাযোগ ব্যবস্থাও, সব অর্থেই, এখনকার মতো সহজ না। তারপরও তাদের মধ্যে সম্পর্ক হলো। অনিমা মুনিরের সম্পর্ক কি সফল হয়? জানতে হলে পড়তে হবে "অনির"। বি.দ্রঃ বিদেশের কাহিনী আরেকটু বেশি থাকা উচিত ছিল।
এতো ভালো লাগলো বইটা পড়ে, একদম আপন আপন গল্প একটা। অনুভূতি প্রকাশে আমি বরাবরই অপটু, তাই গুছিয়ে কিছুই লিখতে পারলাম না। মন থেকে দোয়া থাকলো লেখিকার জন্যে।
অনিমা, মুনীর আর নাসিমের ভালোবাসার গল্প—-অসাধারণ!
'আমি তোমাকে ভালোবাসি' বা 'আমি সারাজীবন তোমকে ভাল রাখবো' এই লাইনগুলো একটা সময় অনেক দামী হলেও সময়ের কসাঘাতে এই কথাগুলো বিংশ শতাব্দীতে খুবই নরমাল মনে হয়। কেউ যদি তার ভালোবাসার বা পছন্দের মানুষকে এই কথাগুলো বলে তাহলে এখন মনে হয় যেন বলার জন্য বলছে। যে বলছে তার মাঝেও যেন কোন অনুভূতি নাই আর যে শুনছে সেও যেন মনকে আগে থেকেই বুঝিয়ে নিচ্ছে এগুলো বলার জন্য বলা। ওয়াটস এপ, মেসেঞ্জার, ইন্সটাগ্রাম এর যুগে বসে 'অনির' হচ্ছে চিঠির গল্প। যেখানে অনিমা এবং মুনিরের পরিচয় চিঠির মাধ্যমে। চিঠির মধ্য দিয়ে তারা একজন আরেকজনকে জেনেছে, চিনেছে, বন্ধুত্ব হয়েছে, হয়েছে বিশ্বাস আর সেই বিশ্বাস থেকে জন্ম নিয়েছে ভালোবাসা। 'অনির' গল্পটা খুব সাধারণ। এই জন্যই গল্পটা পড়ে আপনার অসাধারণ লাগবে। গল্পটা ভালোবাসার, দুরত্বের, টানাপোড়েনের কিন্তু গল্পটা খুব মিষ্টি। অনিমা, যে বাবা মায়ের একমাত্র মেয়ে পড়াশোনার জন্য হলে থাকে। মুনির, যার সাথে ঘটনাক্রমে চিঠি আদান-প্রদান হয়। মুনিরের বাবা মা ঢাকায় থাকলেও পড়াশোনার জন্য মুনির থাকে চট্টগ্রামে। ৯০ এর দশকে এখনকার মতো এতো সুযোগ সুবিধা ছিলো না যোগাযোগ এর। হলে টেলিফোন থাকলেও সেখানে ছিলো রেস্ট্রিকশন। আর মধ্যবিত্তদের জন্য তখন মোবাইল ফোন ছিলো বিলাসিতার সমান। তাই মুনির অনিমার জন্য চিঠিই ছিলো একমাত্র মাধ্যম। প্রণয় তো হলো কিন্তু সেই প্রণয় থেকে পরিণয়ে পৌছানোর জন্য মুনির এবং অনিমার রাস্তাটা সহজ ছিলো না। এরচেয়েও ভয়াবহ হয়ে উঠলো তাদের বিয়ের পরবর্তী জীবন। লেখিকা খুব সুন্দর ভাবে আমাদের সমাজের কিছু খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এই গল্পে ফুটিয়ে তুলেছেন। যা আমাদের চারপাশে অহরহ হয়ে থাকে এমনকি আমাদের সাথেই হয়। মুনির- একজন স্বপ্নের পুরুষ। এমন একজন মানুষ যদি কোন মেয়ের জীবনে আসে সেই মেয়ে প্রথমত ভাগ্য নিয়ে জন্মেছে এবং কোন এক পুন্যের গুনে এমন জীবন সাথী মেয়েটা পেয়েছে। মুনিরের মাঝে সবচেয়ে বেশি যে বিষয়টা আছে তা হলো দায়িত্ববোধ এবং কথা দিয়ে সেটা পালন করা। হোক সেটা খুবই সামান্য জিনিস কিন্তু সে যা বলে তা পালন করার যথা সাধ্য চেষ্টা করে। সব সময় দুরত্বের কারণে না পেরে উঠলেও তার মাঝে যে অপরাধবোধ কাজ করে সেটাও অপরজনকে শান্তি দেয় যে এই মানুষটাকে বিশ্বাস করা যায়। আপন করা যায়। আর কি চাই একজন নারীর! অনিমা- প্রচন্ড ধৈর্য্যশীল একটা মেয়ে। ভালোবাসার মানুষের সাথে ঘর বাধার স্বপ্ন তো সব মেয়েই দেখে কিন্তু সংসার জীবন কখনোই স্বপ্নের মতো হয় না বা হবেও না। সেই ক্ষেত্রে নিজের ভালোবাসার মানুষকে বিশ্বাস করা, তার জীবনে শান্তির কারণ হওয়া, ধৈর্য্য ধারণ করা এই বেপারগুলা মেয়েদের মাঝে খুব কমই থাকে এখন। "অনির" গল্পটা ৯০ দশক থেকে বিংশ শতাব্দীতে এসেছে। এই পুরো সময়টার মাঝে আমাদের চারপাশ, সমাজ কিভাবে বদলেছে এবং একজন মানুষ তার জীবনসঙ্গীর জন্য বা নিজের জীবনকে সুন্দর করার জন্য কতোটা পরিশ্রম, ত্যাগ করতে পারে সেই বিয়ষগুলো লেখিকা খুব সুন্দর ভাবে তুলে ধরেছেন। গল্পটা আপনাকে হাসাবে, কাদাঁবে, আতংকিত করবে কিন্তু শেষে আপনার মুখে সুন্দর একটা হাসির কারণ হবে। গল্পটা অনিমা আর মুনিরের। গল্পটা আমাদের। ধন্যবাদ Onima Hasan আপু, ইবুকের মাধ্যমে প্রিয় জুটিটাকে অন্যভাবে তুলে ধরার জন্য। ❤️
এত মিষ্টি একটা গল্প..... অনিমা আর মুনির বরাবরের মতই অসাধারণ......
পুরো গল্পটাই মুগ্ধতায় ঘেরা । চমৎকার লিখেছেন আপু।
Sweet, charming and mesmerizing!
মিষ্টি আর ভীষণ হৃদয়গ্রাহী একটা গল্প। পরিচ্ছন্ন, সাবলীল লেখনী নিয়ে নতুন করে কিছু বলার নেই, সবসময়ের মতই সুখপাঠ্য। মুনিরকে ভালো লেগেছে ঠিক, কিন্তু আমার মন বাঁধা পড়ে গেছে অনিমায়। এত অদ্ভূত সুন্দর একটা চরিত্রের জন্য লেখককে আলাদা করে ধন্যবাদ। অনেক শুভকামনা বইটির জন্য।