

মাঝে মাঝে হয় কি, আমরা না চাইতেও জীবনে অনেক কিছু চলে আসে। তেমনি আমার জীবনেও এল। অপ্রত্যাশিত ভালোবাসা। একেবারে অচমকা। আর অমনি পাল্টে গেল আমার জীবনটা। সেই পাল্টে যাওয়া জীবনে ভালো-মন্দের উপর ভর করে বয়ে চলা গল্পটাই লিখতে বসেছি আজ। অনুভূতির সবটুকু লেখা হবে কিনা জানি না। তবু লিখব আমি। গল্পটা আর একা একা বইতে পারছি না যে। এবার অন্তত কলমের লেখা হয়ে এর ভার নামুক। বর্ণে, শব্দে, বাক্যে এই গল্পের অনুভব ঠাঁই পাক। হয়ত কোন একদিন এই গল্পটাই আমায় ডেকে বলবে, “এই মায়া, তুমি একা নও তো। এই যে আমি আছি, তোমার হৃদয়ের কাছাকাছি।”
"মনটা ভিষণ ভার হয়ে আছে।অনেকদিন আগে বইটা সংগ্রহ করে ছিলাম আজ পড়ে শেষ করলাম।এখন মন ভারের ওপর ভার কিভাবে সামলাই বলোতো!!!এত সুন্দর লেখো তুমি।আমি যেমনটা পড়ে মানসিক তৃপ্তি পায় তোমার লেখাটা ঠিক তেমনি।অসাধারণ লেখনি।নাফিস- মায়ার জীবনটা কত জটিল হয়েউঠেছে পারিবারিক দম্ভের কারণে।ওদের একটা মিষ্টি প্রেমময় সংসার হতে পারতো!! ছাড় দিয়ে খুব উপকার করলে অনেক গুলো বই একসাথে সংগ্রহ করতে পারলাম।পড়ে রিভিউ দিবো।"
গতকাল পড়ে শেষ করলাম তৃধা আনিকা রচিত ইবুক ' যে বসন্তের অপেক্ষা শেষ হয় না'। ই-বুকটি পড়ার পর আমার অনূভুতি কি তা লিখতে গিয়ে বার বার আটকে যাচ্ছি। আহা মায়া, নাফিস আর তাদের ভালোবাসা। এমনটা কেন হলো? কেন? কেন? কেন? বাঙালি বাবা-মায়েরা মনে করেন তারা সন্তানের জন্য যা ভাবেন তাই সন্তানের জন্য মঙ্গলজনক। কিন্তু প্রকৃত পক্ষে সব সময় তা হয় না। কিছু, কিছু সময় বাবা-মায়ের ভুল সিদ্ধান্তের কারণে এলোমেলো হয়ে যায় সন্তানের জীবন। ঠিক এমনই এক বাবা-মায়ের ভুল সিদ্ধান্তে জন্য সন্তানের জীবন লণ্ডভণ্ড হয়ে যাওয়ার উপন্যাস 'যে বসন্তের অপেক্ষা শেষ হয় না' তৃধা আনিকা ই-বুকে শেষে একটা প্রশ্ন দাঁড় করিয়ে দিয়েছেন যার উত্তর হয়তো আছে নয়তো নেই। মন খারাপের দিন পড়ার মতো চমৎকার একটা ইবুক এক টানে পড়ে শেষ করা যাবে আর পড়া শেষে মনে হবে, ' ইশ আর একটু যদি পড়তে পারতাম'। তাহলে আর দেরী কেন চটপট বইটই এ্যাপ থেকে ইবুকটা কিনে পড়ে ফেলুন। আশাকরি দারুণ একটা সময় কাটবে। তৃধা আনিকার রচিত লেখা নিয়ে আমার নতুন করে বলার কিছু নেই। কীভাবে শব্দের মায়ায় পাঠককে আষ্টেপৃষ্টে জড়িয়ে রাখা যায় তা তিনি জানেন। তৃধা আপু আমি আপনাকে আল্লাহর জন্য অনেক ভালোবাসি যেটা জানবেন। দোয়া রইলো পরিবার পরিজন নিয়ে সুখ থাকুন। ফি আমানিল্লাহ। ভুল ত্রুটির হয়ে থাকলে ক্ষমা করবেন। শুকরিয়া। ই-বুক : যে বসন্তের অপেক্ষা শেষ হয় না লেখিকা: তৃধা আনিকা প্রকাশনী: বইটই রিভিউ : তনিমা ইসলাম তারিখ: ২৮.০৭.২০২৬
Read all reviews on the Boitoi app
দুজন তীব্র ভালোবাসার মানুষের জার্নিটা বেশ ভালোই ছিল। তবে আক্ষেপ রয়ে গেল,"শেষ হয়েও হলো না শেষ"।
মনটা ভিষণ ভার হয়ে আছে।অনেকদিন আগে বইটা সংগ্রহ করে ছিলাম আজ পড়ে শেষ করলাম।এখন মন ভারের ওপর ভার কিভাবে সামলাই বলোতো!!!এত সুন্দর লেখো তুমি।আমি যেমনটা পড়ে মানসিক তৃপ্তি পায় তোমার লেখাটা ঠিক তেমনি।অসাধারণ লেখনি।নাফিস- মায়ার জীবনটা কত জটিল হয়েউঠেছে পারিবারিক দম্ভের কারণে।ওদের একটা মিষ্টি প্রেমময় সংসার হতে পারতো!! ছাড় দিয়ে খুব উপকার করলে অনেক গুলো বই একসাথে সংগ্রহ করতে পারলাম।পড়ে রিভিউ দিবো।
কিনবো কিনবো করে আজ(13/10/25 দুপুরে কিনেই ফেলি। কিন্তু পড়া শুরু করি রাত 11.45 এ। আর এখন (1.25 শেষ করলাম। অদ্ভুত সুন্দর আর নিগূঢ় ব্যথার গল্প। আমি লিটারেলি কান্না করে দিয়েছি কষ্টের অংশ টুকু পড়তে পড়তে। একেক টা ঘটনার মোড় পরিবর্তনের সময় মন ঢিপ ঢিপ করছে, আর ভাবছি ইসসসস! এমন টা না হতো। ঠিক এমন টা ফিল করেছিলাম "এখানে কোনো বৃষ্টি নেই" গল্প টা পড়ে। লেখিকা আপুর এই গল্পটা আমার প্রথম পড়া গল্প ছিল আর আমার পছন্দের গল্পের তালিকায় এটা আজীবন থাকবে। আজ এটাও যোগ হলো। বুকে চিন চিনে ব্যথা লাগছে যে ইসস ওদের মিল দেরি তে হলেও যদি হতো! তবু কেনো যেনো এমন সমাপ্তিতেই গল্পটার সৌন্দর্য বহু গুণে বেড়ে গেছে। ধন্যবাদ লেখিকা আপুকে এত চমৎকার লেখনীর জন্য, পাঠক দের ব্যক্তিগত সব কিছু ভুলিয়ে কিছু সময় গল্পে ডুবিয়ে দিতে সক্ষম- সার্থক আপনি।
কুৎসিত সুন্দর এমনিতেই মন খারাপ তার উপর স্যাড ইন্ডিং
তৃধা আপুর বই মানেই অসাধারণ 🥰🥰
প্রিয় শব্দমায়বীনি কেবল রিনিতার কথাই ভাবলেন। ওদিকে নাফিসটার কথা ভাবলেন না? সময় করে ভালোবাসায় প্রতিমুহূর্ত ছাড়খার হওয়া নাফিসেরও ভাববেন প্লিজ। আলাদা করে আপনার লেখার প্রসংশা করার কিচ্ছু নেই বোধ করি। কেবল দোয়া করি আপনি আরও এগিয়ে যান। আরও শব্দ সমৃদ্ধ হোন।
আহা ❤️সেই পুরাতন অনুভূতি। ❤️❤️
এখানে কোন বৃষ্টি নেই এর মতো আরেকটা মাস্টারপিস। সেই তৃধা আপুকে পেলাম মনে হচ্ছে। না চাইতে পাওয়া ভালোবাসা এমন কেনো হয়?? কেনো এতো বিরহ?? শেষ টা নিজের মতো ও ভাবতে চাইছি না। লেখক যেখানে থেমে গেছেন, আমিও সেখানেই থমকে আছি💚💚
নাফিসের পাগল করা ভালোবাসা আর মায়ার দোটানায় দোলার গল্প!