

পাত্রী হিসেবে নিজের মেডিকেল কলেজের ছাত্রী স্পর্শিয়াকে দেখে রীতিমতো অবাক হয় ধ্রুব। দুই পরিবার থেকে তাদের বিয়ের কথা পাকা হওয়ার কথা ছিল, কিন্তু এরই মধ্যে বেঁকে বসে স্পর্শিয়া। এটা ধ্রুবের ইগো হার্ড করে। সে বিয়েতে রাজি থাকাও সত্ত্বেও স্পর্শিয়া না করার কে? এদিকে স্কুল লাইফ থেকেই আয়ান নামক এক সিঙ্গারকে ভালোবাসে। অবশ্য আয়ানও তাকে খুব ভালোবাসে। ধ্রুব খুব সহজে স্পর্শিয়ার বিয়ে ভাঙাটা মেনে নেয়। এরপর থেকে শুরু হয় স্পর্শিয়ার জীবন এলোমেলো হওয়ার অধ্যায়। ধ্রুবের এই সহজভাবে বিয়ে ভেঙে ফেলার পিছনে যে কী পরিমাণ ভয়াবহ পরিকল্পনা থাকে, তা শুধুমাত্র ধ্রুব শাখাওয়াতই জানে। শুধুমাত্র নিজের জেদ বজায় রাখতে ধ্রুব স্পর্শিয়ার সাথে ঠিক কী কী করেছিল? তবে যা করেছিল, তা মোটেও ভালো কিছু ছিল না, তাই না?
তোমার আগের গল্পটা পড়ে ভালো লাগলো তাই একটাও কিনলাম
Read all reviews on the Boitoi app
পড়ে ভালো লাগলো ❤️❤️❤️❤️🥰🥰🥰🥰😍😍
থ্রিলার গল্প হিসাবে লেখক অনেক সুন্দর সাসপেন্স ধরে রেখেন। কাহিনি গুলো যে এভাবে ধ্রুবের কল্পনায় ঘটবে তা মোটেও আন্দাজ করতে পারেনি। লেখার হাত আরো সুন্দর হোক। দোয়া রইলো
অনেক সুন্দর লিখেছেন আপু
নিজের মেডিকেল কলেজের ছাত্রী স্পর্শিয়া যখন পাত্রী হয়ে ধ্রুবের সামনে আসে তখন ধ্রবের অবস্থা অসাধারণ ছিলো 😂। মূলত তখনই শুরু হয় মূল কাহিনি। দুই পরিবারের সম্মতিতে বিয়ের কথাবার্তা এগোলেও শেষ মুহূর্তে স্পর্শিয়া না করে বসে। এই না বলা ধ্রুবের ইগোতে প্রচণ্ড আঘাত হানে।সে রাজি থাকার পরেও স্পর্শিয়া না করার সাহস পায় কীভাবে? অন্যদিকে স্পর্শিয়ার মন পড়ে আছে স্কুল লাইফের ভালোবাসা আয়ানের কাছে৷ যে তাকে সমানভাবে ভালোবাসে। ধ্রুব সহজভাবে বিয়ে ভাঙা মেনে নিলেও, সেই সহজতার আড়ালে লুকিয়ে থাকে ভয়ঙ্কর এক পরিকল্পনা। নিজের জেদ বজায় রাখতে ধ্রুব স্পর্শিয়ার সাথে কী করেছিল? আর তার সেই খলনায়কসুলভ প্রেম কতটা ভয়ংকর হতে পারে? এই প্রশ্নই মাথায় আটকে গিয়েছিল। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত টানটান রহস্য ছিলো। এরপরে যে কী হয়? স্পর্শিয়া আর ধ্রবের সম্পর্ক। আয়ানের ভালোবাসা আর ধ্রুবের প্রতিশোধী মনোভাব গল্পটিকে এক ভিন্নধর্মী রোমান্স-থ্রিলার গল্পে পরিণত করছে। অনেকদিন পরে এমন সুন্দর একটা গল্প পড়লাম।
সুন্দর ছিলো ❤️❤️