

একটা আধুনিক, নীরব রুম— যেন চারদিক থেকে শব্দেরা বেড়িয়ে গেছে। ঘরের দেয়াল জুড়ে হালকা ধূসর রঙ। সিলিং থেকে ঝুলে আছে একটা একরঙা ল্যাম্প, তার আলোটা গাঢ় নয়, বরং মৃদু, যেন মন খারাপের মতো। কাচের জানালাটা বন্ধ, কিন্তু তার ওপাশে দেখা যায় একটানা চলা শহরের যানজট। ঘরের এক কোনায় একটা লো-প্রোফাইল কাঠের ডেস্ক, তার ওপরে একটা ল্যাপটপ, টুকরো কাগজ, আর একখানা কালো কফির কাপ। দেয়ালের পাশ দিয়ে লাইব্রেরি শেলফ, কিন্তু বইগুলো যেন ধূলোমাখা নিঃসঙ্গতা নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। কোনোকালে হয়তো ছোঁয়া হতো, এখন শুধু আছে। পুরো রুম জুড়ে ক্যানভাসে ভরে আছে। একজন পুরুষ চুপচাপ বসে আছে একটা চেয়ারে। মুখটা দেখা যাচ্ছে না ঠিকঠাক, তবে ভঙ্গিমায় বোঝা যায়, সে কেবল শ্বাস নিচ্ছে। তার নিঃশ্বাসটুকুও যেন ঘরের স্তব্ধতাকে ভেঙে ফেলতে ভয় পায়। তার হয়তো কোনো কাজ নেই এখন, বা হয়তো কেবল একটাই কাজ, এই ঘরের মধ্যেই জীবনের বাকিটা পার করে দেওয়া। একটা ঘড়ির টিকটিক শব্দ শোনা যায়। এই রুমটা হয়তো তার জেলখানা নয়, তবু মুক্তির কোনো দরজাও নেই লোকটির। হঠাৎ একটা মেয়েলি গলা তার কানে ভেসে এলো। ভাইয়া? একটা দরজা ধাক্কার শব্দ হয়। ভেতরে বসে থাকা পুরুষটা চমকে উঠলো না। সে কেবল মাথাটা ধীরে ঘোরালো দরজার দিকে। আবারও ডাকটি ভেসে এলো। ভাইয়া! ভাইয়া আসব? লোকটি কাঁপা-কাঁপা হাতে টেবিলের ওপরে রাখা কফির কাপটা ছুঁয়ে দেখলো। ঘরের ভেতর বাতাসটা একটু ভারী হয়ে উঠলো। বাইরের মেয়েটা জানে, এই দরজার ওপাশে একজোড়া চোখ কতটা অভ্যস্ত হয়ে গেছে একাকিত্বে। হয়তো সে এটাও জানে, দরজার ওপাশে বসে থাকা মানুষটার কাছে “ভাইয়া” শব্দটা কতটা অপরিচিত এখন।

"সুমাইয়া আপু আমি যখন প্রথম পার্ট টা পড়ি দ্বিতীয় পাঠ পড়ার সাহস হয়নি 5 দিন অনেক ডিপ্রেশনে ছিলাম ভেবেছিলাম শেরাজ কে হয়তো মেরে ফেলেছে অনেক কান্না করছি ভেবেছিলাম আপনার গল্প আর কখনো পড়বো না কিন্তু দ্বিতীয় পর্বে যখন শেরাজকে দেখলাম তার পর অনেক খুশি হয়েছি ধন্যবাদ আপনাকে দ্বিতীয় পর্বে যদি শেরাজ না থাকতো আপনাকে মন মনে অনেক বকা দিতাম 🥹 পদ্মজার পরে এই একটা উপন্যাস আমার মন ছুয়ে গেছে 😭🥹"
সুমাইয়া আপু আমি যখন প্রথম পার্ট টা পড়ি দ্বিতীয় পাঠ পড়ার সাহস হয়নি 5 দিন অনেক ডিপ্রেশনে ছিলাম ভেবেছিলাম শেরাজ কে হয়তো মেরে ফেলেছে অনেক কান্না করছি ভেবেছিলাম আপনার গল্প আর কখনো পড়বো না কিন্তু দ্বিতীয় পর্বে যখন শেরাজকে দেখলাম তার পর অনেক খুশি হয়েছি ধন্যবাদ আপনাকে দ্বিতীয় পর্বে যদি শেরাজ না থাকতো আপনাকে মন মনে অনেক বকা দিতাম 🥹 পদ্মজার পরে এই একটা উপন্যাস আমার মন ছুয়ে গেছে 😭🥹
Read all reviews on the Boitoi app
উপন্যাস জগতে আপনার লেখা খান সাহেব গল্পটি আমার দ্বিতীয় গল্প। আপু আপনার লেখা এত ভালো লাগছে🥰🥰 যে কি বলবো 😍😍।এভাবে গল্প লেখে আমাদের মন ভরিয়ে রাখেন🥰🥰 আর আপনার জন্য অনেক অনেক দোয়া রইল 🥰🥰অনেক ভালো লাগছে গল্পটি। অনেক সুন্দর হয়েছে ❤️❤️ এভাবে ভালো ভালো গল্প উপহার দেন আমাদেরকে🥰🥰😍😍
খুব সুন্দর লেখনী তোমার। আমার ভীষণ ভালো লাগে তোমার লেখা। যদিও এই মধ্যেবয়সে রোমান্টিক গল্প ভালো লাগে বলে আমার বান্ধবীরা আমায় মেন্টাল বলে। তবে তোমার লেখা ভালোলাগার প্রধান কারণ তোমার তাঁর প্রতি ভালোবাসার আঁকুতি। পাবে না জেনেও এতো ভালোবাসা? আল্লাহর কাছে দোয়া করি আল্লাহ যেন তোমার ডাক শুনেন। উনি ই পারেন একমাত্র অসম্ভব কে সম্ভব করতে। অনেক ভালো থাকো। সুমুরাজ এর মতন পূর্ণতা পাক তোমার আঁচল