

তার নাম মেজর তানজীব সারোয়ার। যার ইউনিফর্মের প্রতিটি ভাঁজে ভাঁজে গেঁড়ে আছে নিষ্ঠায় মোড়ানো শপথ আর অটল দায়িত্ববোধ। যিনি, যার নাম সূর্যের মতো জ্বলে আছে স্বমহিমায়। বিপরীতে মায়িরা তানজুম রীতিমতো অবলা। পলকা শরীরের গোবেচারা এক মেয়ে মানুষ। এই দু’জন, তবুও জীবনে দু’জনকে দাবি করে বসেছিল। প্রকৃতির বাঁধাধরা ছলনায় বশ হয়ে চেয়ে বসেছিল একে অপরকে। কচুরিপানার মতো গাঙের জলে ভাসতে থাকা অবুঝ মায়িরার খুব সাধ ছিল কট্টর এই মানুষটার ঘর করবে একদিন। কিন্তু একদিন, হঠাৎ বৈরী হাওয়ার প্ররোচনায় মায়িরা গুটিয়ে নিয়েছিল নিজেকে নিজের চাহিদা থেকে। সবিনয়ে ফিরিয়ে দিয়েছিল তার কাঙ্ক্ষিত পুরুষটিকে। কিন্তু কেবল আগমনী সময় জানে। মায়িরার ইচ্ছে কবুল করেনি তার প্রেমিক পুরুষ। যতটা অস্থির হয়ে মায়িরা উপেক্ষা করে এসেছে ঐ নিবেদন, ততটাই অস্থির হয়ে মায়িরাকে ধরা দিতে হবে আবার তার কাছে। সময় সব জানে। মায়িরা এখনো জানতে পারেনি তা। জানবে, কেবল সময়ের অপেক্ষা…..
"ভালো লাগলো গল্পটা। তানজিব চরিত্রটা চমৎকার ছিলো। পুরুষ মানুষকে মা এবং বউয়ের মধ্যে এই ব্যালেন্সটা করতে জানতে হয়,তাহলেই সংসারে সুখ আসে। গৌতমের অংশটা পলাশ সাহা ঘটনাটা মনে করিয়ে দিলো। যাইহোক পরবর্তী অংশের অপেক্ষায় রইলাম।"
ভালো লাগলো গল্পটা। তানজিব চরিত্রটা চমৎকার ছিলো। পুরুষ মানুষকে মা এবং বউয়ের মধ্যে এই ব্যালেন্সটা করতে জানতে হয়,তাহলেই সংসারে সুখ আসে। গৌতমের অংশটা পলাশ সাহা ঘটনাটা মনে করিয়ে দিলো। যাইহোক পরবর্তী অংশের অপেক্ষায় রইলাম।
Read all reviews on the Boitoi app
প্রিয় ইসরাত ইতি,,,,শুনছেন আপনি?আপনার লেখার চিন্তা চেতনা আমার ঠিক কতোটা ভালো লাগে মুগ্ধ করে তা আমি বলে বোঝাতে পারবো না।এক প্যারাময় জীবন আমার।সেখানে ভালোবাসা,যত্ন আর সম্মানের ভীষণ অভাব।আপনার লেখা পড়ে আমি শুধু মুগ্ধই হই না মানসিক প্রশান্তি পাই।কল্পনায় আপনার তৈরি চরিত্রগুলো কে পড়ে ভাবি।আহ এমন ও যত্ন, ভালোবাসা আর সম্মানও হয়!! আমি সুন্দর কল্পনার জগৎ এ হারিয়ে শান্তি খুঁজে পাই। ধন্যবাদ আপনাকে। আজকে আপনার সকল ইবুক পড়ে শেষ করলাম।
পরের অংশ এর জন্য অপেক্ষায় রইলাম
ই-বুকটা মিক্স জনরার। মানে ডিফেন্স, থ্রিলার, সাসপেন্স, আবার কাজিন লাভ মিলিয়ে। ইদানীং আমাকে রোম্যান্টিক ক্যাটাগরীর পাশাপাশি হালকা পাতলা থ্রিলার আর সাসপেন্সধর্মী গল্পগুলো টানে। (আমি অতিরিক্ত ভায়োলেন্স নিতে পারি না। প্যানিকের মতো হয় আমার।)এই গল্পটা পড়তে গিয়েও কিছুটা অধৈর্য হয়ে উঠেছিলাম মূলত রহস্য উন্মোচন হয় কিনা তা জানতে। গল্পের মূল চরিত্র দুজন সম্পর্কে কাজিন, মামাতো-ফুফাতো ভাইবোন। আমাদের ভাষায় কাজিন রিলেটেড। এদের প্রেমই কিন্তু গল্পের মূল থিম নয়। আমাদের সমাজে কিছু বাজে কাজ-কারবার আছে।আমরা বাঙালিরা একজনের দোষের/অন্যায়ের শাস্তি অন্যকে দিতে অভ্যস্ত । গল্পের চরিত্রদের মধ্যেও তার প্রবণতা আছে।।যাইহোক, গল্পের মূল নারী চরিত্র মায়িরা কিছুটা সাহসী, কিছুটা বোকা দুটো মিলিয়ে একটা চরিত্র। তবে তার ছোটবেলা কেটেছে মামীর চোখের বিষ হয়ে। কোন একটা কারণে তিনি মায়িরাকে সহ্য করতে পারেন না। আবার তানজীবও পারে না তার বাবার প্রতি অতিরিক্ত সম্মান দেখাতে। এখানেই মূলত আমার মায়িরার মামী আবার তানজীবের মায়ের প্রতি রাগ লেগেছে। দোষ যে করেছে সে করেছে। তার জন্য মায়িরার দোষ কী? তবুও শেষমেষ আশা করেছিলাম তিনি একদিন বুঝবেন। অন্যদিকে তানজীবের বাবার অতীত জেনে ওনার প্রতি রাগে গা কেপেছে। যে পুরুষ অন্য নারীর প্ররোচনায় স্ত্রী‘কে অসম্মান করে তাকে আমি পুরুষের কাতারে ফেলতে পারি না। সে আস্ত একটা কাপুরষ। আবার আসি গল্পের নায়কের বন্ধু এবং এই গল্পের একটা পার্শ্ব চরিত্র অতনুর কথায়, সেও পেশায় একজন সেনাবাহিনীর চৌকশ অফিসার। তবে সে মদ খায়, মাঝেমধ্যে। এই জিনিসটা সেনাবাহিনীর মতো একটা মহৎ পেশার লোকদের প্রতি নেগেটিভ মনোভাব আনে। হোক সে কাল্পনিক বা অস্তিত্বহীন। আমাদের এমন কিছু লেখা উচিত নয় যেটা নেতিবাচকতাকে /খারাপ কিছুকে প্রমোট করে। হ্যাঁ কোন সেক্টরেই সব মানুষ সৎ নয় তা আমার জানা, তবে যারা সৎ তাদের থেকে এমন কিছু কাম্য নয়। আপুর গল্পের নারী চরিত্রগুলো সাধারণত সব ঘুরেফিরে এক হয়। মায়িরা ব্যতিক্রম। প্লট, কাহিনী, সব মিলিয়ে আমার ভালোই লেগেছে। এটার ২য় পার্টের অপেক্ষায় আছি। আশা করবো সব রহস্য ওতেই উন্মোচন হবে।
এক কথায় পয়সা উশুল। ইতিপুর সকল ইবুক সমগ্র কিনে সবার পয়সা উশুল হয়ে যাবে। তবে দুঃখের হচ্ছে মন ভরবে না কখনও...কারন আরো পড়তে ইচ্ছে করবে। আরো আরো আরো অনেক পড়তে ইচ্ছে করবে। ইচ্ছে করবে ইতিপু সবসময় লিখে যাক আর আমরা তার লেখা পাগল পাঠিকারা পড়ে যাই শুধু. . .🌻
এই গল্পটা ইসরাত ইতির লেখা বাকি গল্পগুলো থেকে অনেকটা আলাদা। সত্যি বলতে যথাটা ভালো আশা করেছিলাম, ততটা ভালো লাগেনি। ইতি আপুর লেখাতে যেই flavour থাকে সাধারণত সেটা পেলাম না এখানে।
অধীর অপেক্ষায় ছিলাম মায়িরা আর তানজীবকে পড়ার জন্য,, অবশেষে তাদের এক বসায় পড়া শেষ করলাম, অসম্ভ সুন্দর একটি গল্প,,ইতি আপুর লেখা মানেই বেস্ট পরবর্তী অধ্যায়ের জন্য অপেক্ষায়, বেস্ট অফ লাক ইতি আপু,,আপনার জন্য অনেক দোয়া এভাবেই আমাদের জন্য সুন্দর সুন্দর গল্প উপহার দিয়ে যান আর দীর্ঘজীবি হোন
অনেক ভালো লাগলো!!😊❤️🩹
পয়সা উসুল গল্প।পরের পরিচ্ছেদের অপেক্ষা
ইতি আপুর লেখা পড়ে বরাবরই আমি মুগ্ধ হয়। এখন আমার অন্যতম পছন্দের একটি গল্পের তালিকায় নাম লিখালো "রহো হৃদয়ে মমো" এই গল্পে রহস্যে,সামাজিক, রোমান্টিক তিনটা দিকই প্রকাশ পাচ্ছে। নরমালি ইতি আপুর গল্পের নায়ক গুলো হয় গ্রিন ফ্ল্যাগ কিন্তু এটাতে নায়ক রেড ফ্ল্যাগ। আপুর লেখনে পড়ে মূলত আমি আরাম পায়। কোনো একটা ব্যাপার সহজেই বুঝতে পারি। এই গল্পে অনেক কিছুর জট খোলা বাকি। দ্বিতীয় পার্টের অপেক্ষায় আছিইই।