

উনিশ শতকের শেষ ও বিশ শতকের প্রথম দিকে বাঙালি মুসলমান সমাজে নবজাগরণের প্রচেষ্টা শুরু হয়েছিল। এক্ষেত্রে মুসলমানদের পরিচালিত সাময়িকপত্রগুলাে ছিল প্রধান মাধ্যম। মুসলিম লেখকেরা এগুলােতে ধর্মবিষয়ক নানা রচনার পাশাপাশি গল্প, প্রবন্ধ, কবিতা, উপন্যাস লিখে জাতীয় জাগরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। এ লেখকদের মধ্যে সৈয়দ ইসমাইল হােসেন শিরাজীর নাম বিশেষ ভাবে উল্লেখযােগ্য। বিশ শতকের প্রথম দুটি দশকে তিনিই ছিলেন প্রধান মুসলিম লেখক। ১৮৯৯ খ্রিস্টাব্দ থেকে ১৯২৩ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত প্রায় সকল প্রধান পত্র-পত্রিকায় তাঁর লেখা প্রকাশিত হয়। ইসলামের ইতিহাস ঐতিহ্যকে তিনি অপরিসীম শ্রদ্ধা, ভালােবাসা ও মমতার সাথে উপস্থাপন করেছেন। সে সাথে সমকালীন নানা বিষয় নিয়ে লেখা প্রবন্ধে তিনি মুসলমানদের আত্মবিশ্বাস জাগিয়ে তুলতে ব্রতী হয়েছেন। সেকালের শিক্ষা, অর্থনীতি, সামাজিক ক্ষেত্রে বিপুলভাবে পিছিয়ে পড়া বাঙালি মুসলমানরা তার লেখা পড়ে সাহস ও জেগে ওঠার প্রেরণা পেয়েছিল।
Read all reviews on the Boitoi app