

উপন্যাসের সংক্ষিপ্ত সারসংক্ষেপ: "অচেনা ছায়ার নীচে" ঢাকার এক প্রান্তের পুরনো, ধ্বংসপ্রাপ্ত হোটেলটি লুকিয়ে রেখেছে অজানা মানুষের হারানো স্মৃতি এবং অদ্ভুত রহস্য। ফ্রিল্যান্স ফটোগ্রাফার ও গল্প লেখক অরিনা হঠাৎ করেই হোটেলের রহস্যময় চিঠি পায়, যা তাকে ভেতরের অদৃশ্য ছায়া ও হারানো মানুষের গল্প জানতে প্রলুব্ধ করে। প্রথম ঘরে প্রবেশ করার সঙ্গে সঙ্গে অরিনা দেখেন অদ্ভুত ছায়া—হোটেলের অতীতের বন্দি মানুষের স্মৃতি। প্রথম ছায়াকে মুক্ত করার পর তিনি বুঝতে পারেন, হোটেলটি শুধু একটি স্থান নয়, বরং সময় ও স্মৃতির স্তূপ। প্রতিটি ঘরে নতুন নতুন ছায়া, হারানো মানুষের ভয়, বিষাদ, এবং প্রত্যাশা লুকিয়ে আছে। অরিনা ধীরে ধীরে প্রতিটি ছায়ার গল্প শুনে তাদের মুক্ত করার চেষ্টা করে। তার সাহস, বুদ্ধি এবং আবেগের কারণে তিনি ছায়াগুলোকে এক এক করে মুক্ত করতে সক্ষম হন। এই অভিযানের মাধ্যমে তিনি জানতে পারেন—ছায়া শুধুমাত্র হারানো মানুষ নয়, বরং তাদের স্মৃতি, যন্ত্রণা, এবং আশা। শেষ পর্যন্ত, সমস্ত ছায়া মুক্ত হয়, হোটেল শান্ত হয়, এবং অরিনা বাইরে এসে বুঝতে পারে—তার জীবন আর আগের মতো থাকবে না। হোটেলটি তার জন্য শুধু রহস্যের স্থান নয়, বরং সময়, স্মৃতি, এবং হারানো মানুষের বন্ধুত্বের প্রতীক হয়ে যায়। বার্তা: সত্য, সাহস এবং সংবেদনশীলতার মাধ্যমে অদৃশ্যকে দেখা এবং হারানো মানুষের গল্পকে সম্মান করা সম্ভব। কখনও কখনও যেসব রহস্য মনে হয় ভয়ঙ্কর, তা জীবনের সৌন্দর্যকে আরও গভীরভাবে বোঝার পথ দেখায়।