

মধ্যরাতে, হঠাৎ এক অপ্রত্যাশিত শীতল স্পর্শ আমার উদরের ওপর অনুভূত হলো। চোখ দুটো তখনো গভীর ঘুমের ভারে আচ্ছন্ন, কিছুতেই খুলতে পারছি না। কিন্তু পেটে সেই স্পর্শ, যা আলতো নয়, বরং কেমন যেন ভারি—তা আমায় অস্থির করে তুলছে। বহু কষ্টে যখন চোখ খুললাম, দেখলাম তিনি, আমার স্বামী, গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন অবস্থাতেও তাঁর হাত আমার পেটের ওপর রাখা। কিন্তু এত ভারি কেন সেই হাত? ঘুম-ভরা চোখে সেই হাত সরে যেতেই আমি আবার গভীর ঘুমে তলিয়ে গেলাম। ভোরে, আজানের ধ্বনিতে আমার ঘুম ভাঙল। কী যে মধুর সেই সুর! এত মিষ্টি কণ্ঠে আজান আমি আগে কখনো শুনিনি, মন চাইছিল সেই ধ্বনি যেন চিরকাল কানে বাজে। আজান শেষ হতেই পাশে তাঁকে দেখলাম। কী মায়াবী মুখচ্ছবি! সৃষ্টিকর্তা যেন তাঁকে অসামান্য সৌন্দর্যে গড়েছেন। মন চাইল সারা জীবন শুধু এভাবেই তাঁকে দেখে কাটিয়ে দিই। কিন্তু সময় নেই, নামাজ পড়তে হবে। উঠতে গিয়ে পেটে তীব্র ব্যথা অনুভব করলাম। এ কী ব্যাপার, ব্যথা কেন? কষ্ট করে আয়নার সামনে গেলাম। শাড়িটা সরাতেই দেখলাম সেই অংশটা হালকা কালো হয়ে আছে, সাথে ব্যথা। এমন কেন হলো, আমি কিছুই বুঝতে পারলাম না। অধিক না ভেবে বাথরুমে গিয়ে অজু করে ফিরে এসে দেখি তিনি উঠে গেছেন। “তুমি কাল সারাদিন এই শাড়িটা পরে ছিলে। এটা দিয়ে নামাজ হবে না। অন্য কিছু পরো।”
আপনার গল্পটা অসাধারণ ছিল
Read all reviews on the Boitoi app