

একটি রৌদ্রোজ্জ্বল দিন, কিন্তু গরম নেই। আনন্দপুর গ্রাম খুশির জোয়ারে ভাসছে, কারণ চৌধুরী পরিবার রাজকীয় ভোজনের আয়োজন করেছে। গরীবদের ভাগ্যেও আজ মাংস ভাত জুটবে। মেহরিমা ঘরে বই পড়ছে। আজ শুক্রবার, তৃধা তাকে নিতে আসবে। তৃধা রান্নাঘরে গিয়ে অবনী শেখকে জড়িয়ে ধরল এবং সালাম দিল। অবনী শেখ বললেন, ‘ভালো আছি, তুমি কেমন আছ?’ তৃধা মাধবীর দিকে তাকিয়ে জিজ্ঞেস করল, ‘মেহু কোথায়?’ অবনী শেখ বললেন, ‘ঘরেই আছে।’ তৃধা মেহরিমার ঘরে গিয়ে তাকে কিল মারল।

"হৃদিত মানেই আমার কাছে ভীষণ প্রিয় একটা চরিত্র। যা আমার ভীষণ প্রিয় তন্বী আপুর সৃষ্টি। আবারো হৃদিতকে পড়তে পড়ে কি যে আনন্দ লাগছে। কি সুন্দর ছিলো পুরোটা। আমি তো পড়তে পড়তে কখন শেষ হয়ে গেল বুঝতেই পারলাম না।মনে হচ্ছিলো, ইশশশ!আরেকটু যদি থাকতো। সবাইকে আরো একবার পড়তে গিয়ে ভীষণ ভাবে মুগ্ধ হলাম। আবারোভীষণ ভাবে প্রেমে পড়লাম আপুতোমার লেখনীর। আবারো প্রেমে পড়লাম হৃদিত ও তার অ্যানাবেলার। অবনী শেখের মাতৃত্বের মায়ায় আবারও পিছলে পড়লাম। এই চরিত্র টা বরাবরই আমার খুব প্রিয় আর পছন্দের। তাইফ, তাবান আর তৃধার খুনশুটিতে ভীষণ মজা পেয়েছি। খুব ভালো লাগলো। আর হৃদিতের ঘরে মেহুর ছোটবেলার ওইটুকু পড়ে আমি ভীষণ হেসেছি। কৌশিকের তার বেইবিগার্লের প্রথম দর্শন টা দেখলাম। একপাক্ষিক প্রথম দেখাতেই তার বেইবিগার্লে মুগ্ধ সে। হৃদিত, মেহু আর তাদের সন্তানের নিয়ে এক সম্পূর্ণ সংসার দেখলাম।যা আমার ভীষণ প্রিয়। বরাবরই ওদের একটা পরিপূর্ণ সংসার দেখতে চাইতাম আমি। যদিও দেশের থেকে দূরে তবুও সংসার টা তো হলো। হৃদিত মেহুর খুনসুটি তে মুচকি হেসেছি। কখনো পরিবারের সবার থেকে দূরত্ব দেখে চোখের কোনে পানি জমেছে। এইভাবে কখন যে পড়তে পড়তে শেষ হয়ে গেল বুঝতে পারলাম না। খুব ভালো লেগেছে আপু। আবারো হৃদিত প্রেমিদের হৃদিতের অ্যানাবেলা উপহার দেওয়ার জন্য তোমাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। খুব সুন্দর ছিলো সম্পূর্ণ ই-বুকটা।"
হৃদিত আর মেহেরিমা কে পড়তে এত ভালো লেগেছে😘😘😘😘অনেক অনেক সুন্দর গল্প 😍😍😍😍
Read all reviews on the Boitoi app
তাইফ কেনো কবরস্থানে থাকে? মাধবীর কিছু হয়েছে? আর তৃধা কৌশিকের কি হলো? কিছুই তো ক্লিয়ার করা হলোনা
ভলো থাকুক হৃদিত ও অ্যানাবেলা আর তাদের বিচ্ছু বাহিনী ❤️🩹❤️ তৃধা আর কৌশিকের জন্য খারাপ লাগছে তারা পূর্নতা পেয়ে ও পেল না 😔
হৃদিত মানেই আমার কাছে ভীষণ প্রিয় একটা চরিত্র। যা আমার ভীষণ প্রিয় তন্বী আপুর সৃষ্টি। আবারো হৃদিতকে পড়তে পড়ে কি যে আনন্দ লাগছে। কি সুন্দর ছিলো পুরোটা। আমি তো পড়তে পড়তে কখন শেষ হয়ে গেল বুঝতেই পারলাম না।মনে হচ্ছিলো, ইশশশ!আরেকটু যদি থাকতো। সবাইকে আরো একবার পড়তে গিয়ে ভীষণ ভাবে মুগ্ধ হলাম। আবারোভীষণ ভাবে প্রেমে পড়লাম আপুতোমার লেখনীর। আবারো প্রেমে পড়লাম হৃদিত ও তার অ্যানাবেলার। অবনী শেখের মাতৃত্বের মায়ায় আবারও পিছলে পড়লাম। এই চরিত্র টা বরাবরই আমার খুব প্রিয় আর পছন্দের। তাইফ, তাবান আর তৃধার খুনশুটিতে ভীষণ মজা পেয়েছি। খুব ভালো লাগলো। আর হৃদিতের ঘরে মেহুর ছোটবেলার ওইটুকু পড়ে আমি ভীষণ হেসেছি। কৌশিকের তার বেইবিগার্লের প্রথম দর্শন টা দেখলাম। একপাক্ষিক প্রথম দেখাতেই তার বেইবিগার্লে মুগ্ধ সে। হৃদিত, মেহু আর তাদের সন্তানের নিয়ে এক সম্পূর্ণ সংসার দেখলাম।যা আমার ভীষণ প্রিয়। বরাবরই ওদের একটা পরিপূর্ণ সংসার দেখতে চাইতাম আমি। যদিও দেশের থেকে দূরে তবুও সংসার টা তো হলো। হৃদিত মেহুর খুনসুটি তে মুচকি হেসেছি। কখনো পরিবারের সবার থেকে দূরত্ব দেখে চোখের কোনে পানি জমেছে। এইভাবে কখন যে পড়তে পড়তে শেষ হয়ে গেল বুঝতে পারলাম না। খুব ভালো লেগেছে আপু। আবারো হৃদিত প্রেমিদের হৃদিতের অ্যানাবেলা উপহার দেওয়ার জন্য তোমাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। খুব সুন্দর ছিলো সম্পূর্ণ ই-বুকটা।
এটা কি হলো?পড়া শুরু করতে না করতেই শেষ।কিছুই তো ক্লিয়ার হলো না।তাইফ কেন কবরস্থানে থাকে,কৌশিক কোথায়,কেন আয়াশ কান্না করে,মাধবী,তৃধা কোথায়,কিছুই বুঝলাম না!🙂
খুব ভালো হয়েছে
আবারো আরেকটা সুন্দর মনোরম গল্প উপহার পেলাম তন্বীপু এর থেকে। হৃদিত মেহু মানেই অন্য রকম ভালোবাসার প্রতিচ্ছবি। আমার ভিষন পছন্দের একটা লাভ কম্বিনাইন্ড স্টোরি। সাথে কত দুষ্টু মিষ্ট কাহিনি। অনেক সুন্দর ছিলো আপু ইবুকটা।🥰🥰
ভালো লাগলো
আপু তোমার সব লেখাই বেস্ট। হৃদিত, মেহু,আর বিচ্ছু বাহিনী কে যেভাবে ফুটিয়ে তুলেছ , মুগ্ধ করার মতো বিষয়। ভালোবাসা আপু।❤️🎀
লেখনী বরাবরের মতোই দারুণ ছিলো তন্বীইপু। তাইফ, মাধবীকে কিঞ্চিৎ দেখিয়েছো। এই অল্পতেই তাদের জন্য বুক পুড়ে। আবারো, আবারোও কৌশিক, তৃধু, তাইফ, মাধবীকে পেয়েছি। একদম সেই অনুভূতি। এদের আমি জীবনেও ভুলবো না। তৃধু বোকা মেয়েটা সবাইকে হাসিখুশি রাখতে পারে অথচ দিনশেষে নিজেই নিজেকে সুখী রাখতে পারলো না। আয়াশের জন্যও আমার খারাপ লাগে। বোনকে সাথে বন্ধুকেও হারালো। মূহুর্ত টুকু পড়ে আমার কেনো এতো কষ্ট লেগেছে তবে চমৎকার ছিলো!😓🖤