

ওমর—সে কোনো সাধারণ যুবক নয়। চিন্তায়-চেতনায়, দৃষ্টিভঙ্গিতে, প্রশ্নে ও অনুসন্ধানে সে যেন সময়ের থেকে একধাপ এগিয়ে থাকা এক দৃষ্টান্ত। তার চোখে দুনিয়ার সাজানো বাস্তবতা, ঘুমপাড়ানি গল্পের মতো নয়; বরং এক প্রশ্নপুঞ্জ, এক অনুসন্ধান তৃষ্ণা। শিক্ষক, সহপাঠী, এমনকি নিকটজনদের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে সে যখন গঠিত সিস্টেমের বুনিয়াদকে প্রশ্নবাণে বিদ্ধ করে, তখন সে হাস্যরসের পাত্র হয়, কখনো তিরস্কারের শিকার। কিন্তু তাতেও ওমরের হৃদয় কম্পিত হয় না। তার চোখে সত্য—এটাই একমাত্র পাথেয়, আর বাকিরা কেবল শব্দের খোলস। ছাত্রজীবনে ওমরের কৌতূহল ছিল প্রবল, আর সেই কৌতূহলই তাকে গবেষণার দিকে টেনেছে বারবার। যতটা জিজ্ঞাসু সে, ততটাই বিনয়ী উত্তরদানে। মানুষের বিরূপ প্রতিক্রিয়া ওমরের চিন্তা-প্রবাহে বাঁধা সৃষ্টি করতে পারেনি। ছাত্রজীবনের পর, কর্মজীবনে প্রবেশ করে ওমর। জীবনের পরবর্তী ধাপে—পরিবার গঠনের চিন্তায় সে বাবা-মায়ের কাছে বিয়ের কথা তোলে। কিন্তু বাবা-মার প্রতিক্রিয়া হয় নিস্পৃহ। বিয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে তারা এক ধরনের উদাসীনতা প্রকাশ করে। অথচ বিয়ে—এটা তো কেবল দাম্পত্যের নাম নয়, বরং একটি মুসলিম সমাজ গঠনের মৌলিক ভিত্তি! এসময় ওমর অনলাইনে লেখালেখি শুরু করে। তার কলমে উঠে আসে সমাজের অসংগতি, ইসলামি ভাবনা এবং এক নিখুঁত আদর্শের প্রত্যাশা। সেখান থেকেই কাকতালীয় সূত্রে তার জীবনে আগমন ঘটে নুজাইফা নামের এক দ্বীনদার, হায়া ও পরহেজগার মেয়ের। নুজাইফা—যেন আল্লাহর পক্ষ থেকে ওমরের জন্য বিশেষ পাঠানো এক রুহানি সঙ্গী। সে যেমন পর্দানশীন, তেমনি বুদ্ধিমতী ও চিন্তাশীল। মনে-প্রাণে ইসলামের সৌন্দর্যে আচ্ছন্ন।
সুন্দর বই সবার বইটি পড়া উচিত
Read all reviews on the Boitoi app