

বর্তমান অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় সুদ এমন একটি অভিশাপ, যে সমগ্র বিশ্বকে তার বেষ্টনীর মধ্যে নিয়ে এসেছে। কুরআন ও সুন্নায় তার হারাম হওয়ার বিষয়টি যত বিস্তারিতভাবে আলোচিত হয়েছে, তার উপর যে কঠোর সতর্কবাণী ঘোষিত হয়েছে, সম্ভবত অন্য কোনো গুনাহের জন্য তা হয়নি। এ বিষয়ে কুরআন ও সুন্নাহর বিধান আমার মুহতারাম আব্বাজান রাহ. তাঁর 'মাসআলায়ে সুদ' গ্রন্থে বিস্তারিত ব্যাখ্যাসহ আলোচনা করেছেন। তাঁরই নির্দেশে আমি অধম আঠার বছর বয়সে ওই গ্রন্থের দ্বিতীয় অংশ লিখেছিলাম 'তিজারতি সুদ' শিরোনামে, যার মধ্যে ওই লোকদের জবাব দিয়েছিলাম যারা বর্তমান ব্যাংকের সুদকে জায়েয বলার চেষ্টা করে। এর পরেও এ বিষয়ের উপর অধমের কয়েকটি গ্রন্থ ও প্রবন্ধ রচনার সুযোগ হয়েছে, যার সর্বশেষ গ্রন্থটি আমি সুপ্রিম কোর্টের শরীয়ত অ্যাপিলেট ব্যাঞ্চের বিচারক হিসেবে একটি ফয়সালার আকারে লিখেছিলাম এবং 'সুদ পর তারিখী ফয়সালা' শিরোনামে তা প্রকাশিত হয়েছে।