

তন্দ্রা ছিল সদ্য পরিস্ফুটিত পদ্মফুলের ন্যায় অপার্থিব সৌন্দর্যে মোড়া এক কিশোরী। যেই ছোট্ট কিশোরীকে সমাজ আর তার তৈরি নিয়ম একদা লাল শাড়ি পড়িয়ে নীড়ছাড়া করেছিল। এরপর একদিন ভাগ্য তার দেহে সাদা শাড়ি লেপ্টে দিয়ে বিধবা নামক বিদঘুটে তকমা লাগিয়ে দিলো। বিধবারা তখন সমাজের সবচেয়ে নিকৃষ্ট, অপয়া এক বস্তু স্বরূপ! তখন সে সমাজের মানুষের তৈরি কুসংস্কারের শেকলে বাঁধা ছটফটে এক কলঙ্কিত কিশোরী। জলে ভাসা পদ্মফুলের ন্যায় অবুঝ তন্দ্রা মাটিতে বেঁচে থাকার আপ্রাণ চেষ্টা করছিল। তার সেই আপ্রাণ প্রচেষ্টায় একদিন একটু আশার আলো, অনুপ্রেরণা হয়ে তার শহুরে বাবু এক ফোঁটা বৃষ্টির জলের ন্যায় আপতিত হয়। তন্দ্রা সেই অনুপ্রেরণা, আশার আলোটুকু শক্ত করে আগলে নিয়েছিল লেখাপড়া শিখে কুসংস্কারের শেকল ছেড়ে বের হওয়ার লড়াইয়ে। কিন্তু সেই লড়াইয়ের অনুপ্রেরণা তার 'শহুরে বাবু' হলেও তার মূল শক্তি ছিল 'প্রথম' নামক এক শক্তিশালী পথপ্রদর্শক! যে কি-না মূর্ছা যাওয়া পদ্মফুলটিকে স্বযত্নে পুনরায় দিঘির জলে ভাসিয়ে দিয়েছিল। তন্দ্রা নামক পদ্মফুলটি আবার পরিস্ফুটিত হয় নিজ সৌন্দর্যে। কিন্তু মুক্তির এই লড়াইয়ে তার শেষ সঙ্গী হিসেবে কে থেকে যায়? 'প্রথম' নামক শক্তিশালী পথপ্রদর্শক না-কি তার 'শহুরে বাবু'? না-কি তন্দ্রা কোনো প্রহেলিকার অংশ?
"এত্ত সুন্দর গল্পটা! আমার চোখে পানি চলে এসেছে। প্রথমের কথা কি বলবো, ওর মতো পুরুষ সব নারীদের স্বপ্নের। প্রকৃত সুপারম্যান। এভাবে একটা বড় ভাই থাকলে, স্বামী থাকলে কোন মেয়ের জীবন আর নষ্ট হতো না। আর কোন পদ্মকে সমাজ পিষে ফেলতে পারতোনা। আজকে এতো বছর পরেও সমাজ মোটামুটি আটকে আছে সেই জায়গাতে। গল্পের কিছু কিছু কথা এত বাস্তব। জীবন সঙ্গী ভালো হলে সংসার বেহেশত হয়ে যায়, আর ভালো না হলে হয়ে যায় জাহান্নাম। আবার স্বামী স্ত্রী একে অপরের শক্তি। এটা যে কতোটা সত্যি তা যদি সবাই বুঝতো সমাজে পারিবারিক সমস্যা অর্ধেকই কমে যেত। রেডিওর শো শোনা, চিঠি লেখা এসব কিছুই নস্টালজিক করে দিলো মনটা। কি সহজ সুন্দর ছিলো দিনগুলো। আর তন্দ্রার সেই রাতে পালিয়ে একাকী ট্রেন জার্নি, অনিশ্চয়তার পথে এগিয়ে যাওয়া। শহুরে বাবুর রেডিও শো'য়ে শোনা অনুপ্রেরণা আর তার প্রতি নিখাঁদ ভালেবাসা তাকে দিয়েছিল বুক ভরা সাহস আর অদম্য মনোবল। তিন বোনের বন্ডিং এত মধুর ছিল, তাদের খুনসুটি, দুষ্টুমি গুলো আর ভাইজানের শাসন - এসব কিছুই অলরেডি মিস করছি। শেষে এসেও ইভানের মতো এক বান্দার পরিচয় করিয়ে সারপ্রাইজ দিলেন লেখিকা। চন্দ্রার মতো দুরন্ত মেয়ের জন্য একদম পারফেক্ট কম্বিনেশন। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত প্রতিটি দৃশ্য, আলাপন, ঘটনা প্রবাহ সবকিছু একেবারে মন ছুঁয়ে গেল। বাংলা সাহিত্যে আরেকটি উজ্জ্বল নক্ষত্রের দেখা পেয়ে মনটা ভরে গেল ❤️❤️❤️"
এত্ত সুন্দর গল্পটা! আমার চোখে পানি চলে এসেছে। প্রথমের কথা কি বলবো, ওর মতো পুরুষ সব নারীদের স্বপ্নের। প্রকৃত সুপারম্যান। এভাবে একটা বড় ভাই থাকলে, স্বামী থাকলে কোন মেয়ের জীবন আর নষ্ট হতো না। আর কোন পদ্মকে সমাজ পিষে ফেলতে পারতোনা। আজকে এতো বছর পরেও সমাজ মোটামুটি আটকে আছে সেই জায়গাতে। গল্পের কিছু কিছু কথা এত বাস্তব। জীবন সঙ্গী ভালো হলে সংসার বেহেশত হয়ে যায়, আর ভালো না হলে হয়ে যায় জাহান্নাম। আবার স্বামী স্ত্রী একে অপরের শক্তি। এটা যে কতোটা সত্যি তা যদি সবাই বুঝতো সমাজে পারিবারিক সমস্যা অর্ধেকই কমে যেত। রেডিওর শো শোনা, চিঠি লেখা এসব কিছুই নস্টালজিক করে দিলো মনটা। কি সহজ সুন্দর ছিলো দিনগুলো। আর তন্দ্রার সেই রাতে পালিয়ে একাকী ট্রেন জার্নি, অনিশ্চয়তার পথে এগিয়ে যাওয়া। শহুরে বাবুর রেডিও শো'য়ে শোনা অনুপ্রেরণা আর তার প্রতি নিখাঁদ ভালেবাসা তাকে দিয়েছিল বুক ভরা সাহস আর অদম্য মনোবল। তিন বোনের বন্ডিং এত মধুর ছিল, তাদের খুনসুটি, দুষ্টুমি গুলো আর ভাইজানের শাসন - এসব কিছুই অলরেডি মিস করছি। শেষে এসেও ইভানের মতো এক বান্দার পরিচয় করিয়ে সারপ্রাইজ দিলেন লেখিকা। চন্দ্রার মতো দুরন্ত মেয়ের জন্য একদম পারফেক্ট কম্বিনেশন। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত প্রতিটি দৃশ্য, আলাপন, ঘটনা প্রবাহ সবকিছু একেবারে মন ছুঁয়ে গেল। বাংলা সাহিত্যে আরেকটি উজ্জ্বল নক্ষত্রের দেখা পেয়ে মনটা ভরে গেল ❤️❤️❤️
Read all reviews on the Boitoi app
ভীষন সুন্দর একটা ইবুক ❤️
এক কথায় বেস্ট একটা ইবুক ছিল
আগের যুগের মানুষের মনোভাব ছিল গল্পের মূল বিষয়।বিধবা মেয়ে হয়েও কিভাবে সমাজে মাথা উচু করে বাচঁতে হয় তা শিখায় তার ভালবাসার মানুষ শহুরে বাবু। এক কথায় অসাধারণ আপুর যেকোন লেখা আমার খুব ভালো লাগে।খুব সাবলীল ও সুন্দরভাবে সব চরিত্র ফুটিয়ে তুলতে সক্ষম হোন।তাই আপুর সব চরিত্র পড়তে ভালো লাগে।চন্দ্রাও সব প্রতিকুলতার বিরুদ্ধে লড়াই করে সে নারী উন্নয়ন এর সংগঠনের সাথে কাজ করে যাতে মেয়েরা সব কুসংস্কার দূর করে আলোর পথে আসতে পারে।আমি আসলে মনের ভাব প্রকাশ করতে পারি না।
আমার পড়া বেস্ট ইবুক। কি বলবো আসলে বুঝতে পারছি না। একটা মানুষের লেখনী এত অসাধারণ কি করে হতে পারে আমি ভেবে পাই না। আপনি আমার একজন প্রিয় লেখিকা। 🥰🥰
কি লিখব?ভেবে পাচ্ছিনা!লেখিকা কোন একটুকুন যায়গাও রাখেনি অতৃপ্তির। অনেক গল্প পড়ার পর মনে হয় আহা!যদি আরেকটু থাকত,আরো একটা পর্ব বেশি লিখতেন লেখিকা!কিংবা একটা বোনাস পর্বের আবদার জুড়ে দিই আমরা পাঠক সমাজ। মনে হাহাকার জাগে আহারে শেষ হইয়াও হইল না শেষ! আর এই গল্পের লেখিকা এমন এক গল্প আমাদের উপহার দিয়েছেন যেই গল্প না পড়লে আমার অভিজ্ঞতাই হতো না যে - এত সহজ,সুন্দর, সাবলীল এবং সুস্থ ভাষায়ও সমাজের বহুল প্রচলিত কুসংস্কারাচ্ছন্ন ঘটনাগুলো তুলে ধরে তার বাস্তবসম্মত সমাধানের পথ দেখানো যায়। যার মধ্যে নেই কোন ধরনের নাটিকিয়তা কিংবা অযৌক্তিক কিছু। সবশেষে বলব আপনার লেখনি পড়ে আমার এক বাক্যে লিখতে ইচ্ছে করছে- "কম খরচে পুষ্টিকর খাদ্য।" ফিআমানিল্লাহ ।
উফ! কি সুন্দর একটা গল্প। মুগ্ধ হয়ে পড়ে গেলাম শুধু। প্রথম - কি অসাধারণ এক চরিত্র। আমি বলব এটা আমার পড়া ওয়ান অফ দ্য বেস্ট ই বুক এর মধ্যে একটা। এক কথায় বলতে গেলে চমৎকার, দুর্দান্ত 🖤
এত্ত সুন্দর গল্পটা পড়ে মন ভালো হয়ে গেলো.... শেষটা খুবই সুন্দর আদুরে হয়েছে...
খুবই সুন্দর এবং আরামদায়ক একটি গল্প।
#স্পয়লার_এলার্ট ইবুক- #শেকলভাঙা_পদ্ম #তোনিমা_খান ধরণঃ সামাজিক ও মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস রিভিউদাতাঃ আবাবিল চৌধুরী আহানা ⚫নামলিপিঃ “শেকলভাঙা পদ্ম” নামের মধ্যে’ই পুরো উপন্যাসের কাহিনি লুকিয়ে আছে। লেখক এখানে দুটি বিপরীতধর্মী শব্দকে একসঙ্গে গেঁথেছেন- “শেকল” – তৎকালীন সমাজের নারীদের উপর চাপিয়ে দেওয়া পুরুষতান্ত্রিক সমাজের বিধিনিষেধের প্রতীক। তৎকালীন সমাজের অন্ধ কুসংস্কার‚বাল্য-বিবাহ‚অকাল বৈধব্যের বোঝা নারীর উপর চাপিয়ে দিয়ে তাকে বন্দী করে রাখা সমাজের গণ্ডির মধ্যে। পদ্ম – পদ্মের বিশেষত্ব হলো কাদার ভেতর জন্ম নিয়েও নিজের পরম পবিত্রতায় বিকাশিত হওয়া।যা এ উপন্যাসে কেন্দ্রীয় চরিত্র তন্দ্রার আত্মপ্রকাশের প্রতীক। গল্পের প্রেক্ষাপট অনুযায়ী‚ তন্দ্রা যখন সমাজের কুসংস্কারের শিকার হয়ে অন্ধকারের গভীরে হারিয়ে যাচ্ছিল‚ তখন সে কাদার বুকের পদ্ম ফুলের মতো'ই বিকাশিত হয়ে সমাজের সামনে মাথা উঁচু করে দাঁড়ায়। সমাজের চাপিয়ে দেওয়া শেকল ভেঙে তার প্রকাশিত হওয়া’ই গল্পের নামটি সার্থক করে তুলছে। ⚫কাহিনি সংক্ষেপেঃ গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র ‘তন্দ্রা’ নামের এক কিশোরী। যে বয়সে একজন মেয়ের বই-পুস্তক হাতে হেসে - খেলে বেড়ানোর কথা ছিলো‚ সে বয়সে ’তন্দ্রা’ নামক কিশোরীর জীবনে নেমে আসে অন্ধকার। তৎকালীন সমাজের নিয়ম অনুযায়ী অল্প বয়সে'ই নিজের থেকে অধিক বড় একজনের সাথে বিয়ের পিঁড়িতে বসতে হয় তাকে। কিন্তু সে বিয়েও তার জীবনে বয়ে আনে কষ্টের স্রোত। নিষ্ঠুর জীবন থেকে মুক্তি পাওয়া'ই জেনে তার একটা লক্ষ্য হয়‚ অবশেষে যদিও মুক্তি মেলে। কিন্তু নিয়তির নিষ্ঠুর পরিহাস তার মাথার উপর নেমে আসে অকাল বৈধব্যের কালো ছায়া। তার'ই ফলস্বরূপ তৎকালীন কুসংস্কারাচ্ছন্ন সমাজ তাকে উপহার দেয় এক অন্ধকার জীবন। সমাজের বুকে সে হয়ে ওঠে ‘অপয়া' আর অবহেলা ও লাঞ্ছনার বস্তু। সমাজের অবহেলা আর লাঞ্ছনার অন্ধকারে যখন তার দমবন্ধ হয়ে আসছিল‚ ঠিক তখন’ই তার জীবনে আসে এক নতুন মোড়। শহুরে বাবুর অনুপ্রেরণা আর ‘প্রথম’ নামক এক সুপুরুষের চেষ্টায় সে সমাজের কুসংস্কারকে পিছনে ফেলে পড়াশোনা ও স্বাবলম্বী হওয়ার এক নতুন লড়াই শুরু করে। ⚫চরিত্র বিশ্লেষণঃ 🔸আমি চরিত্র বিশ্লেষণ করে লিখতে পারিনা তাই শুধু কেন্দ্রীয় চরিত্রগুলো নিয়ে কথা বলবোঃ তন্দ্রাঃ তন্দ্রা চরিত্র উপন্যাসের প্রাণ। গল্পের শুরুতে সে ছিলো এক নিষ্পাপ‚ভীতু কিশোরী ‚ যে পরিস্থিতির শিকার হয়ে বাল্য-বিবাহ ও অকাল বৈধব্যের মতো নির্মমতার মুখোমুখি হয়। সমাজ তাকে অপয়া‚ মুখপুড়ি বলে গৃহবন্দী করে রাখে। এতো নির্মমতার শিকার হয়েও তার মধ্যে ছিলো প্রবল আত্মবিশ্বাস। সে তার ভাঙা মনের গ্লানি কাটিয়ে পড়াশোনা করে স্বাবলম্বী হওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় তা সত্যি’ই প্রশংসার দাবিদার। তন্দ্রা দেখিয়ে দিয়েছে নিয়তির নিষ্ঠুর পরিহাসকে উপেক্ষা করে নিজের ইচ্ছাশক্তিকে মরতে না দিয়ে সামনের জীবনে ভালো থাকা যায়। শহুরে বাবুঃ গল্পে তার চরিত্র’টি প্রগতিশীল ও মানবিক। তিনি তন্দ্রার জীবনের অন্ধকার অধ্যায়ে প্রথম আলোর মশাল নিয়ে আসেন। যখন পুরো সমাজ তন্দ্রাকে অবহেলা সহ্য করে অন্ধকারে তলিয়ে যাচ্ছিলো তখন শহুরে বাবুর অনুপ্রেরণামূলক রেডিও শুনে তন্দ্রা ঘুরে দাঁড়ানোর আত্মবিশ্বাস যুগিয়েছে। প্রথমঃ প্রথম চরিত্র’টি গল্পে এক পজিটিভ ধারা নিয়ে আসে। সে ছিলো তন্দ্রার লড়াইয়ের এক বলিষ্ঠ সহযোদ্ধা। তন্দ্রার স্বপ্ন নিয়ে ডানা মেলে আকাশের উড়ার জন্য আকাশ’টা নিশ্চিত করে দেওয়া ব্যক্তি হলো প্রথম। রক্ষণশীল সমাজে প্রথমের মতো সুপুরুষরা যে কতটা ইতিবাচক পরিবর্তন নিয়ে আসতে পারেন লেখক তার গল্পে সেটা খুব সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন। [আমার’তো মনে হয় লেখক প্রথম নাম'টা নির্বাচন করেছেন খুব'ই সূক্ষ্মভাবে। তার গল্পের তৎকালীন সমাজের বিরুদ্ধে লড়াই করা প্রথম পুরুষ প্রথম। এটা আমার ব্যক্তিগত মতামত‚লেখক জানেন তিনি ঠিক কী কল্পনা করে তার গল্পের নাম সাজিয়েছেন।] ⚪লিখনশৈলী ও চূড়ান্ত মূল্যায়নঃ তোনিমা খানের লিখনশৈলী অত্যন্ত সহজ‚সাবলীল ও একই সঙ্গে আবেগপ্রবণ। তিনি তৎকালীন গ্রামের অন্ধকার দিক ও একটি অকাল বৈধব্য মেয়ের মানসিক বিবর্তন খুব সূক্ষ্মভাবে কলমের মাধ্যমে তুলে ধরেছেন‚যা প্রশংসার হকদার। কিছু কিছু জায়গায় বানানের ভুল ছিলো‚ পড়তে গিয়ে চোখে লেগেছে। কিন্তু আমার মনে গল্পের প্লটের কাছে সেটা তেমন কিছু'ই নয়। লেখক’কে বলবো সামনে যেন তিনি এ ভুলভ্রান্তিগুলো যত্নের সাথে একটু দেখেন। ⚫কেন পড়বেন? এটি কেবল একটি সাধারণ প্রেম বা বিরহের উপন্যাস নয়। এটি তৎকালীন সমাজের অবহেলিত নারীদের গল্প। আপনারা যদি এমন উপন্যাস পড়তে পছন্দ করেন‚তাহলে বইটই ই-বুক প্ল্যাটফর্মের এই ই-বুক আপনাদের পছন্দের তালিকায় রাখতে পারেন। ◾ পরিশেষে লেখক’কে অনেক ধন্যবাদ, আমাদের এতো সুন্দর একটি উপন্যাস উপহার দেওয়ার জন্য 🤍🤍🤍🤍🤍।