

অতৃপ্ত আত্মাকে স্রষ্টা যত ধন-সম্পদই দান করুন না কেন, সে সুখের সন্ধানে হামাগুড়ি খায়। ভোগবিলাস তার জন্য সহজলভ্য হলেও, সুখ তার জন্য দুর্লভ। বারবার স্রষ্টার পরীক্ষায় পর্যবসিত যে ব্যক্তি জীবনের সবচেয়ে কঠিন বিপর্যয়ের মুখেও আল্লাহর প্রতি আত্মসমর্পণ করে এবং সন্তুষ্টি প্রকাশ করে, সেই প্রকৃত সুখী। ধর্মীয় অনুশাসনে বেড়ে ওঠা ব্যক্তিকে বাহ্যিকভাবে মানবেতর জীবনের অধিকারী মনে হলেও, তাদের অন্তরে থাকে এক অপার্থিব প্রশান্তি। আধুনিকতার মোড়কে আবদ্ধ মানুষগুলো জীবনের শেষ প্রান্তে এসে এই প্রশান্তির সন্ধান করে। তারা বুঝতে পারে, বাহ্যিক সুখের মোহে বিভোর হয়ে প্রকৃত আত্মসুখ অধরাই থেকে গেছে। হায়রে, তোমার তো মৃত্যুর সময় ঘনিয়ে এলো! ভোগবিলাসেই তো জীবন অতিবাহিত করলে, সুখী হওয়ার সময় কোথায়? সুখ তো ছিল সেই আত্মসমর্পণ আর আত্মার শান্তিতে, যা তুমি কখনোই খুঁজে পাওনি।