

নবাব সিরাজুদ্দৌলা গম্ভীরভাবে বাংলার প্রাচীন ভূখন্ডে তার কঠিন শাসনের কথা স্মরণ করেন, যেখানে তিনি তার জনগণের স্বাধীনতা ও সুরক্ষার প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ছিলেন। তিনি ইংরেজদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের সময় বিশ্বাসঘাতকতার কারণে হতাশা প্রকাশ করেন, বিশেষ করে মীর জাফরের মতো লোকেদের কারণে। তাহমিদ তার প্রতিরোধের অনুপ্রেরণা জানতে চায় এবং রাবিয়া তার সাহসিকতার প্রশংসা করে, উল্লেখ করে যে তার সংগ্রাম যুদ্ধের বাইরেও স্বাধীনতার আলো জ্বালানোর চেষ্টা ছিল। সিরাজুদ্দৌলা তার প্রচেষ্টার অর্থ নিয়ে চিন্তা করেন, ভবিষ্যৎ তাকে কীভাবে মনে রাখবে তা নিয়ে অনিশ্চিত।