

খিলাফতে রাশেদার যুগ হচ্ছে ইসলামী ইতিহাসের ললাটদীপ্তি। উম্মতের যে সমস্ত নওজোয়ান জীবনের রাজপথে পা রাখছে, তারা যদি এই যুগের ঘটনাবলীকে পথের আলোকবর্তীকারূপে গ্রহণ করে, তাহলে তারা নিঃসন্দেহে দুনিয়া ও আখেরাতের সব ধরনের সফলতা ও কামিয়াবির মানযিলে মাকসুদে পৌঁছতে পারবে। এ কারণেই এ অংশটি কিছুটা বিস্তারিতভাবে বিন্যাস করা হয়েছে। সমস্ত ঘটনা নতুন-পুরাতন নির্ভরযোগ্য ও গ্রহণযোগ্য ইতিহাস গ্রন্থসমূহ থেকে চয়ন করা হয়েছে এবং সেগুলো হুবহু ঐতিহাসিকসূলভ দায়িত্বজ্ঞানের সঙ্গে বাণীবদ্ধ করা হয়েছে। ঘটনাবলী বর্ণনার সঙ্গে সঙ্গে সেগুলোর কারণ এবং পরবর্তীতে তার প্রতিক্রিয়া ও ফলাফল সম্পর্কে কোথাও কোথাও আলোকপাত করা হয়েছে, যাতে ছাত্রদের মাঝে তাহকীকের যাওক, অথার্ৎ তাহকীকের রুচি ও মেজাজ ও দৃষ্টির প্রশস্ততা সৃষ্টি হয়। সহজ-সবলীল ভাষা এবং আকর্ষণীয় ও হৃদয়গ্রাহী বর্ণনাভঙ্গী অবলম্বন করা হয়েছে। এসব হচ্ছে নিজের প্রচেষ্টা মাত্র, যা মানবীয় প্রচেষ্টা বর্ণনা এবং আমার মতো দূর্বর মানুষের প্রয়াস। তদুপরি বক্ষমাণ কিতাবের একটি উল্লেখযোগ্য অংশ এভাবে আলোকপাত করেছি যে, পাণ্ডুলিপি প্রস্তুত ও লেখার প্রক্রিয়া একই সাথে চলতে থাকে। এতএব, এ প্রচেষ্টা যদি চিন্তাশীল ও সূক্ষ্ণষ্টিসম্পন্নদের তীক্ষ্ণদৃষ্টিতে অগ্রহণযোগ্য সাব্যস্ত হয়, তাহলে ক্ষমার আবেদন রইল। رَبَّنَا لَا تُؤَاخِذْنَا اِنْ نَّسِيْنَا اَوْ اَخْطَأْنَا رَبَّنَا تَقَبَّلْ مِنَّا اِنَّكَ اَنْتَ السَّمِيْعُ الْعَلِيْمُ. হে প্রভু! আমরা বিস্মৃত হলে বা ভুল করলে তুমি আমাদের পাকড়াও করো না। হে প্রভু! আমাদের পক্ষ থেকে কবুল করো, নিশ্চয় তুমি সর্বশ্রোতা সর্বজ্ঞ।