

একটা নিস্তরঙ্গ সুখী মধ্যবিত্ত পরিবার। হঠাৎ এক ঝড়ো হাওয়া এসে বদলে দেয় সবকিছু, থমকে যায় গোটা পরিবার। অলক্ষণে নেমে আসা সেই ঝড়ো হাওয়ায় তুলি হারিয়ে ফেলেছিল তার জীবন, তার পৃথিবী, এমনকি নিজেকেও। ঘুমের মধ্যে বাবার আকস্মিক মৃত্যু যেন পরিবারের মাথার উপর থেকে ছায়া সরিয়ে নেয়। শোকের পাহাড় ডিঙিয়ে বড়ো মেয়ে তুলি তখন দৃঢ় মনোবল নিয়ে দাঁড়ায়। দৃঢ়তা আর বুদ্ধিমত্তায় সে পরিবারের হাল ধরতে প্রস্তুত। কিন্তু পথ এত সহজ নয়। তুলি যখন সামনে এগিয়ে চলার চেষ্টা করছে, তখনই এক অদৃশ্য শক্তি তার স্বাধীনতায় বারবার আঘাত হানে। সেই আঘাতের ভয়াবহতা তুলিকে ঠেলে দেয় চরম বিপদের মুখে, যেখান থেকে সে ফিরে আসে আরও কঠিন হয়ে, এক নতুন লড়াকু রূপে। এই কঠিন সময়ে তুলির জীবনে আসে প্রাণবন্ত, সহজ-সরল যুবক দীপ্ত। যে এসেছিল বাবার বন্ধুর প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাতে, সে-ই অজান্তে তুলির মনে ভালোবাসার নতুন বীজ বুনে দেয়। কিন্তু কী সেই সংযোগ, যা শোকের মাঝেও দীপ্তকে টেনে আনে তুলির কাছে? কীভাবে সংঘাত আর ভালোবাসার এই যুগলবন্দী তুলির জীবনকে নতুন সংজ্ঞা দেবে? শোক, সংগ্রাম, প্রেম, আর প্রতিঘাতের এক অন্যরকম গল্প "অলক্ষণে ঝড়ো হাওয়া"।
"মানুষের জীবনে হুট করে ঝড় আসে, কোনো আগাম পূর্বাভাস ছাড়াই সবকিছু তছনছ করে দিয়ে যায়। সেই আকস্মিক ঝড়ের নামই হলো অলক্ষণে ঝড়ো হাওয়া। গল্পের নায়িকা তুলির জীবনেও এমনই এক ঝড় নেমে আসে তার বাবা আশরাফ হোসেনের মৃত্যুর মাধ্যমে। যে মানুষটাকে ঘিরে পুরো পরিবারের নিরাপত্তা, স্বস্তি আর ভালো থাকার গল্পটা তৈরি হয়েছিল, তার হঠাৎ চলে যাওয়া যেন মুহূর্তেই সবকিছু চূর্ণ-বিচূর্ণ করে দেয়। এরপর থেকেই গল্পটা শুধু একটা ভালোবাসার গল্প থাকে না, বরং হয়ে ওঠে দায়িত্ব, বাস্তবতা, আর টিকে থাকার গল্প। সব প্রতিকূলতা পেরিয়ে নতুন করে ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প। দীপ্ত : গল্পের নায়ক। দীপ্ত প্রচন্ড বাস্তববাদী, ব্যক্তিত্ববান।সব পরিস্থিতিতে তুলির পাশে থাকে। তুলির সবরকম সমস্যায় তার সঙ্গ দেয়। তার সমস্যার সমাধান করে। তুলিকে খুব সুন্দর ভাবে প্রপোজ ও করে। প্রচন্ড স্টং একটা ক্যারেক্টার। দীপ্ত কে দারুন লেগেছে। প্রত্যেকটা তুলি এমন একটা দীপ্ত ডিজার্ভ করে। সুন্দর কন্সেপ্ট , ঝামেলা বিহীন গল্প। দারুন লেগেছে"
সত্যিই বাবা ছাড়া মেয়েদের জীবন শূন্য।
Read all reviews on the Boitoi app
মানুষের জীবনে হুট করে ঝড় আসে, কোনো আগাম পূর্বাভাস ছাড়াই সবকিছু তছনছ করে দিয়ে যায়। সেই আকস্মিক ঝড়ের নামই হলো অলক্ষণে ঝড়ো হাওয়া। গল্পের নায়িকা তুলির জীবনেও এমনই এক ঝড় নেমে আসে তার বাবা আশরাফ হোসেনের মৃত্যুর মাধ্যমে। যে মানুষটাকে ঘিরে পুরো পরিবারের নিরাপত্তা, স্বস্তি আর ভালো থাকার গল্পটা তৈরি হয়েছিল, তার হঠাৎ চলে যাওয়া যেন মুহূর্তেই সবকিছু চূর্ণ-বিচূর্ণ করে দেয়। এরপর থেকেই গল্পটা শুধু একটা ভালোবাসার গল্প থাকে না, বরং হয়ে ওঠে দায়িত্ব, বাস্তবতা, আর টিকে থাকার গল্প। সব প্রতিকূলতা পেরিয়ে নতুন করে ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প। দীপ্ত : গল্পের নায়ক। দীপ্ত প্রচন্ড বাস্তববাদী, ব্যক্তিত্ববান।সব পরিস্থিতিতে তুলির পাশে থাকে। তুলির সবরকম সমস্যায় তার সঙ্গ দেয়। তার সমস্যার সমাধান করে। তুলিকে খুব সুন্দর ভাবে প্রপোজ ও করে। প্রচন্ড স্টং একটা ক্যারেক্টার। দীপ্ত কে দারুন লেগেছে। প্রত্যেকটা তুলি এমন একটা দীপ্ত ডিজার্ভ করে। সুন্দর কন্সেপ্ট , ঝামেলা বিহীন গল্প। দারুন লেগেছে
গল্পের শুরুটা অপ্রিয় সত্যি দিয়ে শুরু।তাতে খারাপ লাগলেও জীবন নিজ গতিতেই বহমান।তুলির চরিত্রটা ভালো লেগেছে। দীপ্তর মতো এতো পার্ফেক্ট একটা গ্রিন ফ্ল্যাগ বাস্তবে সব মেয়েরাই খুজে বেড়ায়।একটু সুখের খুজের জন্য। ভালো খারাপ দুটোর সংমিশ্রণে গল্পটা আমার ভালো লেগেছে বেশি।কিছু কিছু একটু বাড়তি লেগেছে মনো হয়েছিলো এভাবে না হলেও হতো।তবুও আলহামদুলিল্লাহ। আমার ভালো লেগেছে। তাই আমার মনে হয় যাদের ইচ্ছে আছে তারা এটা পড়ে দেখতে পারে।লেখনীার হাত আরো অনেক ভালো হোক।দোয়া রইলো।আমাদের নতুন সুন্দর সুন্দর লেখা দাও তার অপেক্ষায়।
অলক্ষণে ঝড়ো হাওয়া ই-বুকটি একটা সামাজিক ও বাস্তব ধর্মী গল্প। একটা সাধারণ উপন্যাসকে কীভাবে অসাধারণ করা যায় সেটা এই উপন্যাস না পড়লে বুঝতাম না। এই গল্পে সমাজের বাস্তবতা দেখানো হয়েছে৷ রোমান্সের নামে অশ্লীল কথা বার্তা বা অপ্রয়োজনীয় দৃশ্যের আশ্রয় না নিয়ে লেখক সম্পর্কের অনুভূতি, টান আর মানসিক গভীরতাকেই গুরুত্ব দিয়েছেন। আশরাফ হোসেনের আকস্মিক মৃত্যু দিয়ে উপন্যাসের শুরুটা যেন এক অমাবস্যার অন্ধকারের মতো। মধ্যবিত্ত পরিবারের নিশ্চিন্ত আশ্রয়ের ছাদ যখন হঠাৎ খসে পড়ে, তখন সেই শূন্যতায় হাহাকার নেমে আসাটাই স্বাভাবিক। লেখিকা এই উপন্যাসে দেখিয়েছেন কীভাবে একটি সাজানো সংসার অলক্ষণে ঝড়ো হাওয়া'র তোড়ে লণ্ডভণ্ড হয়ে যেতে পারে, আবার কীভাবে প্রবল আত্মবিশ্বাস আর ভালোবাসার হাত ধরে সেই ধ্বংসস্তূপ থেকেই নতুন প্রাণের সঞ্চার হয়। এই গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র হচ্ছে তুলি। বাবার আদুরে মেয়ে থেকে এক লহমায় সংসারের কান্ডারি হয়ে ওঠার জার্নিটা ছিল অসাধারণ। লেখিকা এত সুন্দরভাবে তুলি চরিত্রটি সৃষ্টি করেছেন, যা প্রশংসার দাবিদার রাখে। সমাজে এমন দৃঢ়, সাহসী নারী থাকা আবশ্যক। দীপ্ত তুলির জীবনে এক অতন্দ্র প্রহরী হয়ে আবির্ভূত হয়েছে। তার শান্ত মেজাজ, বুদ্ধিমত্তা এবং তুলির প্রতি নিঃস্বার্থ ভালোবাসা পাঠককে স্বস্তি অনুভব করায়। দীপ্ত প্রমাণ করেছে যে, প্রকৃত ভালোবাসা মানে কেবল কাছে পাওয়া নয়, বরং আগলে রাখা। এক প্রাণবন্ত মানুষ এই দীপ্ত! এত ভদ্র, এত যত্নবান! দীপ্তর ব্যক্তিত্ব আমাকে মুগ্ধ করেছে। এছাড়াও মুকিত, তুহিন, আব্দুল্লাহ চাচা, ফাহমিদা বেগম এদের চরিত্রও ছিল প্রশংসা করার মতো। এমন বুঝদার পরিবার এখন খুব একটা দেখা যায়না। দীপ্ত তুলির সংসার নিয়ে আরো একটু লেখা যেত। কিন্তু পুরোটা গল্পই বেশ ভালো লিখেছেন। একটুও বিরক্ত অনুভব হয়নি।
সামাজিক গল্প পড়তে আমার বরাবরই খুব ভালো লাগে। গল্পটা পড়ে খুব ভালো লেগেছে। সবচেয়ে বেশি মুগ্ধ হয়েছি দীপ্তর ব্যক্তিত্ব,তার দায়িত্ববোধ,তার বিচক্ষণতা আর সে যেভাবে প্রতিটা পদে নীরবে তুলির ঢাল হয়ে দাঁড়িয়ে ছিল সেটা। পারিবারিক বন্ধনটাও খুব সুন্দর করে উপস্থাপন করা হয়েছে। বর্তমানে এতটা বুঝদার পরিবার খুবই বিরল বলা চলে। তাই গল্পের মাধ্যমে হলেও এমন পারিবারিক দৃশ্য আমাকে তৃপ্তি দেয়। সুন্দর, সাবলীল আর খুবই মার্জিত লেখনী। উর্মি আপু আপনার জন্য অনেক অনেক ভালোবাসা রইলো।❤️🥀
অলক্ষণে ঝড়ো হাওয়া বিবি জোহরা ঊর্মি শুরুতেই বলি গল্পটা খুবই সাধারণ আর সাদামাটা। এছাড়াও শালীন শব্দ চয়ন। গ্রামীণ মধ্যবিত্ত পরিবারের উত্তাল পাতাল সংমিশ্রণ অনুভূতির ছোঁয়া দিয়ে যায়। গল্পের মূল চরিত্র তুলি, দীপ্ত, ফাহমিদা বেগম (তুলির মা), তুহিন (তুলির ভাই) তুলি: তুলি চরিত্রটা একটা দায়িত্ববান, কর্তব্যপরায়ণ, নারিকেলের মতো তার অভিব্যক্তি। উপরে উপরে সে ভীষণ কঠিন হলেও, ভেতরে সে তুল তুলে নরম মনে মেয়ে। বাবার মৃত্যুর পর বাড়ির বড় মেয়ে হিসেবে পরিবারের সব দায়িত্ব নিজ কাঁধে তুলে নেয়। নিখুঁত সেই দায়িত্ব অনায়াসে বাস্তবতার ছোঁয়া দিয়ে যায়। মধ্যবিত্ত পরিবারের বর্ণনা আর তুলি চরিত্র লেখিকা খুবই সুন্দর ভাবে তুলে ধরেছে। একেবারে সাধারণের মাঝে অসাধারণ বলা যায়। দীপ্ত: তুলি চরিত্রের বিপরীত চরিত্র। শান্ত আর মিষ্টি ভাষিক ছেলেটার প্রেমে পড়া যায় কোনো কারণ ছাড়ায়। আহামরি কোনো কাল্পনিকতা নেই তার মাঝে। যা আছে তা শুধু বাস্তবতার আদলে মন্ত্রমুগ্ধ প্রেয়সীর প্রতি অঘাত ভালোবাসা। যত্ন, নীরব অধিকার বোধ সব কিছু ভালো লাগার মতো। ফাহমিদা বেগম: তুলির মা। স্বামীর মৃত্যুতে দুই সন্তানকে আগলে রেখে তাদের ছাঁয়ার মতো দাঁড়িয়ে আছেন তিনি। তার সরলতা, দায়িত্ব শীলতা মুগ্ধ করে। এছাড়াও আবদুল্লাহ, মুহিব, মুকিত, তুহিন, মুনিয়া, শোভা, পুষ্পি, নিলয় ইত্যাদি চরিত্র রয়েছে। প্রতিটি চরিত্র তাদের একেকটি স্বতন্ত্র সত্তা। সব মিলিয়ে শীলন এবং খুবই সাধারণ গল্প। সেই সাথে বাস্তবতা মিশ্রিত গল্প পড়া পাঠকদের জন্য খুবই সুন্দর একটি বই। গল্পের শব্দ চয়নও বেশ মার্জিত। অনায়াসে পড়া যায়।
অবশেষে সুন্দর একটা লেখা পড়ে শেষ করলাম। এতো এতো অশ্লীল লেখার ভীড়ে দারুণ কিছু পড়লাম। ঝরঝরে সাবলীল লেখা ছিলো। এক কথায় দারুণ দারুণ দারুণ লেগেছে আমার। প্লট সাধারণ কিন্তু লেখনী সুন্দর হওয়ার জন্য পড়তে আগ্রহ পেয়েছি। নায়িকাকে ন্যাকা না দেখিয়ে প্রতিবাদী আর দায়িত্বশীল দেখিয়েছেন এটা বেশি নজর কেড়েছে। দৃঢ়, প্রতিজ্ঞাবদ্ধ এমন ধরনের চরিত্র সহজেই ভালো লেগে যায় তুলি চরিত্রটা ঠিক তেমনি। দীপ্ত-তুলি দুজনের কেমিস্ট্রি ও ছিলো অনেক সুন্দর। অনেক সুন্দর ছিলো ওদের ভালোবাসাময় অনুভূতিগুলো। সবমিলিয়ে অনেক ভালো লিখেছেন।
ডার্ক রোমান্স, অশ্লীলতা ছাড়া সহজ সুন্দর সাদামাটা সামাজিক একটা গল্প। শুরুর দিক টা কষ্টের হলেও তুলি দীপ্ত,, জোরা শালিক দুটো মন কেড়েছে। দুজনের ব্যাক্তিত্ব আকর্ষনীয়। শব্দচয়ন এবং লেখা গোছানো। তুলি দীপ্তর ফোনের কথোপকথন এবং কিছু কিছু অংশ, ডায়লগ বাস্তবের সাথে মিল খায়। শেষের দিকে বাসর রাতের কাহিনী টা সেই ছিলো 😂। সবমিলিয়ে ১০ এ ৯ দেওয়াই যায় ❤
অলক্ষণে ঝড়ো হাওয়া উপন্যাসটি হালকা, সহজ ভাষার আবেগঘন। দৈনন্দিন জীবন, সম্পর্ক আর অনুভূতির টানাপোড়ন খুব স্বাভাবিকভাবে তুলে ধরেছো। চরিত্রগুলো বিশেষ করে প্রধান তুলি ও দীপ্তের চরিত্র বাস্তবসম্মত এবং তাদের আবেগ-দ্বন্দ্ব গল্পকে আরো সুন্দর ভাবে ফুটিয়ে তুলেছে। আর জোহা, তোমার লেখনী চমৎকার। শব্দচয়ণ খুব সুন্দর। প্রথম তোমার লেখনী পড়লাম। প্লট খুব জটিল না হলেও পড়তে খুবই ভালো লেগেছে। মনোযোগ ধরে রাখার জন্য যথেষ্ট। ❤️❤️
সুন্দর গল্প।সবাই পড়তে পারেন।