

বাসর ঘরে চেয়ারম্যান সাহেব তাকে বলেছিলেন, “কুসুমকলি, তুমি আমার জীবনের নতুন আলো।” কিন্তু কুসুম জানে, আলো যত উজ্জ্বল হয়— তার ছায়াও তত দীর্ঘ হয়। ষোল বছরের এক বুনো মেয়েকে যখন দুই স্ত্রীর রহস্যময় মৃত্যুর পর তৃতীয় বউ হিসেবে প্রাসাদে আনা হয়, তখন তার বুকের ভিতর ভয় আর অদ্ভুত আকর্ষণের দ্বন্দ্ব শুরু হয়। ক্ষমতার দীপ্তি তাকে টানে, আবার সেই দীপ্তির আড়ালেই সে অনুভব করে এক অজানা অন্ধকারের স্রোত। প্রাসাদজুড়ে ভেসে বেড়ায় দুই মৃত স্ত্রীর অসমাপ্ত জীবনের প্রতিধ্বনি। কুসুমের হাসিতেও মাঝে মাঝে যেন মিশে থাকে তাদের নিঃশ্বাস, তাদের অব্যক্ত সতর্কবার্তা। চেয়ারম্যান সাহেবের অতিরিক্ত স্নেহ কি সত্যিই প্রেম, না কি কোনো দাবানলের শুরু? এই গল্পে মুখোমুখি দাঁড়ায় ভালোবাসা ও বন্দিত্ব, মোহ ও রহস্য। একটি প্রশ্ন ধীরে ধীরে পুরো প্রাসাদকে গ্রাস করে— কুসুমকলির ভাগ্যে লেখা আছে মুক্তি, না কি আরেকটি নিঃশব্দ অন্ত্যেষ্টির ইতিহাস?
সুন্দর হয়েছে.... কিন্তু আপু অনেক কিছুই তো খোলাসা করলে না....কুসুম তার শ্বশুরবাড়ির অত্যাচার থেকে মুক্ত হলো কিনা সেটাও তো জানালে না.... চেয়ারম্যান সাহেবের বউরা কি করেছিল আর তাদের মৃত্যু কিভাবে হল সেটাওতো খোলাসা করলে না... আর কুসুম কেন তার বউদেরকে স্বপ্ন দেখে আর শ্যামল আর সায়লাকে কে ধাক্কা দিয়ে ফালিয়ে দিয়েছিল সেইটাওতো বললে না....
Read all reviews on the Boitoi app