

তন্ময়ের ঘুম ভাঙলো মোবাইল ফোনের অস্থির রিংটোনে। দেশ থেকে বারবার ফোন করছেন দাদাজান। এতবার কল করছেন কেন? সব ঠিক আছে তো? তন্ময় ফোন ধরতেই দাদাজান ধমকালেন। —কতবার ফোন করছি তোকে। ধরছিস না কেন? —ঘুমোচ্ছিলাম। —এখন কিসের ঘুম? ক'টা বাজে দেখেছিস। বিদেশে গিয়ে তো দেখছি নিয়ম-কানুন সব শেষ তোর। একেবারে সব বিনাশ! তন্ময় দীর্ঘশ্বাস ফেললো। বাংলাদেশের সাথে এদেশের সময়ের ব্যবধানটা দাদাজান বারবার ভুলে যান। —তুমি ভালো আছো, দাদাজান? —তোর মত বাঁদর নাতি থাকলে ভালো থাকা যায়? তোকে একটা ছবি পাঠিয়েছি। ওর সাথে তোর বিয়ে। —আমি তো বলেছি, আমি বিয়ে করব না, দাদাজান। —বিয়ে করবি না, এই গান অনেক শুনেছি। এই গান বন্ধ। আমি ডেট পাকা করে ফেলেছি। আগামী মাসের বারো তারিখে বিয়ে। তুই এক সপ্তাহ আগে দেশে চলে আসবি। —দাদাজান, আপনি কেন বুঝতে পারছেন না, বিয়ে ব্যাপারটা আমার জন্য নয়। আমি সংসারত্যাগী মানুষ হব। —আমি কথা দিয়ে ফেলেছি। বিয়ে করতেই হবে। না করলে তুই আমাকে আর দাদাজান বলে ডাকতে পারবি না। দাদাজান ফোন রেখে দিলেন। তন্ময় হতাশ হয়ে ল্যাপটপ খুলে বসলো। এখন আবার আরেকটা মেয়েকে খুঁজে বের করে বিয়েতে মানা করতে হবে। উফ! এই নিয়ে ষোলোতমবারের মত বিয়ে ভাঙতে যাচ্ছে সে। প্রতিবার বিয়েতে মানা করতে কী যে ভয়ংকর অস্বস্তি হয় তন্ময়ের। তন্ময় মেয়েটির ছবিটা ওপেন করেই চমকে গেল। গায়ে সাদা এপ্রোন পরনে একটা মেয়ে বিষন্ন হয়ে বসে প্রেসক্রিপশন লিখছে। গলায় ঝুলছে স্টেথোস্কোপ। কানের পাশে একগাছি চুল গাল ঘেঁষে পড়ছে। বাহাতে কালো বেল্টের ছোট্ট ডায়ালের ঘড়িটাও বিষন্নভাবে সময় বলছে। তন্ময়ের মুখ ফসকে মনের অজান্তেই বেরিয়ে গেল। “বাহ! একদম অপরূপা!”
"তৃধা আনিকা রচিত ' তোমায় ফিরিয়ে দিতে এসে ' ইবুকটা আস্ত একটা রসমালাই। এক টানে পড়ে ফেলার মতো সাবলীল খোশমেজাজের কুট্টুস গল্প।ইবুকের প্রধান পুরুষ চরিত্র আদর, আদর। তাকে পড়ার সময় কত? কি? মনে বেজে ছিলো সেসব না কজ বলি লজ্জা লাগে। 🤦♀️আর ইবুকের প্রধান নারী চরিত্র তার জীবনের প্রথম ভাগে কাঁচ কে হীরে মনে করে নিজেকে ক্ষতবিক্ষত করে ছিলো কিন্তু তকদির বলতে একটা কথা আছে। সেখানে লেখা ছিলো অন্য কিছু । ইশ্ ডক্টর সাহেবা বেশ লাকি সে শেষ পর্যন্ত তার জীবনে প্রকৃত হীরে খুঁজে পেয়েছে। উহু! সে পাইনি বরং ; হীরেটাই তাকে খুঁজে বের করেছে। কিন্তু কীভাবে তা জানতে হলে তৃধা আনিকা রচিত পারিবারিক একটু রম্য ধাঁচের খোশমেজাজের ই-বুক ' তোমায় ফিরিয়ে দিতে এসে ' পড়তে হবে। তৃধা আনিকা আপু ভালোবাসা জানবেন। এমন সাবলীল চমৎকার, চমৎকার লেখা লিখে আমাদের পাঠকদের মন দিল খোশ করার জন্য। আল্লাহ আপনাকে নেক হায়াত দান করুন। ভালোবাসি, অনেক ভালোবাসি আপনাকে আল্লাহর জন্য। 🥰 ভুল হয়ে থাকললে ক্ষমা করবেন। শুকরিয়া ই-বুক : তোমায় ফিরিয়ে দিতে এসে লেখিকা: তৃধা আনিকা রিভিউ :তনিমা ইসলাম তারিখ : ২৭.০৭.২০২৬"
তৃধা আনিকা রচিত ' তোমায় ফিরিয়ে দিতে এসে ' ইবুকটা আস্ত একটা রসমালাই। এক টানে পড়ে ফেলার মতো সাবলীল খোশমেজাজের কুট্টুস গল্প।ইবুকের প্রধান পুরুষ চরিত্র আদর, আদর। তাকে পড়ার সময় কত? কি? মনে বেজে ছিলো সেসব না কজ বলি লজ্জা লাগে। 🤦♀️আর ইবুকের প্রধান নারী চরিত্র তার জীবনের প্রথম ভাগে কাঁচ কে হীরে মনে করে নিজেকে ক্ষতবিক্ষত করে ছিলো কিন্তু তকদির বলতে একটা কথা আছে। সেখানে লেখা ছিলো অন্য কিছু । ইশ্ ডক্টর সাহেবা বেশ লাকি সে শেষ পর্যন্ত তার জীবনে প্রকৃত হীরে খুঁজে পেয়েছে। উহু! সে পাইনি বরং ; হীরেটাই তাকে খুঁজে বের করেছে। কিন্তু কীভাবে তা জানতে হলে তৃধা আনিকা রচিত পারিবারিক একটু রম্য ধাঁচের খোশমেজাজের ই-বুক ' তোমায় ফিরিয়ে দিতে এসে ' পড়তে হবে। তৃধা আনিকা আপু ভালোবাসা জানবেন। এমন সাবলীল চমৎকার, চমৎকার লেখা লিখে আমাদের পাঠকদের মন দিল খোশ করার জন্য। আল্লাহ আপনাকে নেক হায়াত দান করুন। ভালোবাসি, অনেক ভালোবাসি আপনাকে আল্লাহর জন্য। 🥰 ভুল হয়ে থাকললে ক্ষমা করবেন। শুকরিয়া ই-বুক : তোমায় ফিরিয়ে দিতে এসে লেখিকা: তৃধা আনিকা রিভিউ :তনিমা ইসলাম তারিখ : ২৭.০৭.২০২৬
Read all reviews on the Boitoi app
এতো মিষ্টি একটা গল্প পড়েই মন ভালো হয়ে গেছে
মন ভালো করার মতোই দারুন একটি গল্প
ছোট্ট সুন্দর ছিমছাম একটা গল্প ❤️❤️❤️
খুব সুন্দর একটা গল্প। আগের পর্ব আছে কোন??
ভীষণ মিষ্টি একটা গল্প!❤️❤️
এই যে ম্যাজিক অফ তৃধা, তোমার গল্পের মধ্যে দিয়ে ২০২৫ শেষ করলাম। এইটা থার্টি-ফাস্টের পড়া গল্প এখন। কী যে ভালো লাগলো। কী সুন্দর! কী মিষ্টি! তোমার মতন মিষ্টি। মাইন্ড রিফ্রেশমেন্ট গল্প। আপুউউউউ চুউউম্মমুউউ নাওওও😘😘😘
তৃধা আপুর বই বরাবর ই খুব পছন্দ। এ অবদি পুঁপুঁ বাদে সব বই ই আমার পড়া হয়েছে। কোনোটা একবার কোনোটা একাধিক বার। আপুর লেখা আমার কাছে অন্যরকম ভালোলাগা। খারাপ মন ভালো হওয়ার মতো ভালোলাগা।আর এই বইটার গল্প কী যে মিষ্টি!!!!!!! অনেক তাড়াতাড়ি শেষ হয়ে গেল মনে হচ্ছে।।।।। তবে কাহিনী ছোট হলেও কী যে মিষ্টি।।।।কী ভীষণ মিষ্টি অভিমানে, ভালোবাসায় আর যত্নে মোড়ানো গল্পটা। শুধু মনে হচ্ছে যদি আরও পড়তে পারতাম!!!!🥹 এক কথায় মনে লেগে থাকার মতো একটা গল্প।।।।❤️
ইশ, এত সুন্দর একটা গল্প!😭 তোমার সব গল্পের নায়ক গুলো এত জোস হয় আপুউউউউ..পড়া শুরু করলে মনে হয় শুধু পড়েই যাই। কী সুন্দর ছিলো! তন্ময় তন্ময় তন্ময়। হি ওয়াজ অসাম 🫶 তোমার লিখা শুধু পড়ে যেতেই মন চায়।আপু নেক্সট ইবুক টা অনেক বড় চাই কিন্তু।সব ছোট ইবুক লিখো এখন😒
এক নিমিষে পড়ে ফেলার মতো একটা গল্প। গল্পটা মিষ্টি ছিল অনেক। তবে এত ছোট কেন হলো? আরও তো পড়তে মন চাইছে! মনে হলো শুরু হবার আগেই শেষ হয়ে গেল! আমরা মাঝেমধ্যে ভাবি একরকম হয় সম্পূর্ণ ভিন্ন রকম। আসলে ভালোবাসার ব্যাপারটাই তো অন্যরকম। একসময় যাকে দেখলে মনে হয় এই মানুষটাকে ছাড়া থাকা সম্ভব নয় অথচ তাকে ছাড়াই অনায়াসে আমরা দিন কাটাই। ভালোবাসায় স্বচ্ছতা থাকা জরুরি। অহংকার, দম্ভ ভালোবাসাকে মেরে ফেলে আসলে। মরীচিকার পেছনে ছুটতে গিয়ে আমরা সব ছেড়েছুড়ে দিতে চাই অথচ তারা আমাদের শেষমেষ তাচ্ছিল্যই করে। অপরুপা জীবনের অনেকটা সময় পেরিয়ে নিজের জীবনের প্রকৃত ভালোবাসাকে পেয়েছে। ওরা ভালো থাকুক🤍 আর তৃধাপু তুমি বড় বড় ইবুক লিখবা হুহ!