

ইরফান মাইরার দিকে এগিয়ে আসতে আসতে হঠাৎ একটি গানের লিরিক্সের শিস বাজায়। “আমি শুধু চেয়েছি তোমায়, আমি শুধু চেয়েছি তোমায়। আমি শুধু চেয়েছি তোমায়, আমি শুধু চেয়েছি তোমায়।” সকলে আগের চেয়েও বিস্মিত নয়নে চায় ইরফানের পানে। রুমা নেওয়াজ ছেলের কর্মকাণ্ড কিছুই বুঝতে পারছেন না। ইরফান গানটির কয়েক লাইনের লিরিক্সের শিস বাজিয়ে থেমে যায়, সাথে থেমে যায় তার পা। একদম স্টেজের সামনে এসে দাঁড়িয়েছে সে। দৃষ্টি নিবদ্ধ মাইরার পানে। হঠাৎই ইরফানের চোখমুখ শক্ত হয়ে যায়। কণ্ঠে তীব্র ঝাঁঝ ঢেলে কঠোর স্বরে বলে, “আমার বউয়ের বিয়ে হচ্ছে, আমি-ই জানি না। ইন্টারেস্টিং!” ইরফানের কথাটি এই গ্রাম্য বিয়ে বাড়ির গমগমে পরিবেশটি মুহূর্তেই নিস্তব্ধ করে দিল। বিনামেঘে বজ্রপাত হলে, সবার রিয়েকশন যেমন হয়, এখানে উপস্থিত সকলের অবস্থা ঠিক তেমনটাই হয়েছে। নাছিম এতক্ষণ ইরফানের কান্ড চুপচাপ শুধু দেখছিল, অথচ মাত্র ইরফানের বলা কথাটি শুনে নাছিম কেমন করে যেন ইরফানের দিকে তাকায়। ঘরে মাইরার বলা ‘বিবাহিত’ শব্দটি বারংবার তার কানে বাজতে লাগলো। তার জানা মতে, ইরফান মাইরাকে ঠিক করে চেনেই না। যেটুকু চিনে, তাতে ইরফানের তালিকায় মাইরা অপছন্দের এক মেয়ে। তবে এসব কি? সে হিসাব মিলাতে পারছে না। গলা শুকিয়ে আসছে তার। ইরফান একটি চেয়ারে জোরে সোরে লাথি মেরে, স্টেজের উপর উঠে ঝড়ের বেগে মাইরার সামনে গিয়ে ঝুঁকে পড়ে। ইরফানের দু'চোখে যেন আগুন জ্বলছে। মাইরা ভীত চোখে তাকায় ইরফানের দিকে। ইরফান শক্ত থাবার ন্যায় ডান হাতে মাইরার গাল চেপে হুংকার ছেড়ে বলে, “ইরফান নেওয়াজের বউ হয়ে কোন সাহসে অন্যের বিয়ের আসনে বসলি, স্টুপিড গার্ল? স্পিক আপ।” ইরফানের দেমাগি স্বরে বলা কথার টোনে মাইরাসহ প্রত্যেকে কেঁপে ওঠে, সাথে বিস্ময়ের মাত্রা ক্রমাগত বাড়তে থাকে। মাইরা গালে ব্যথা পায়, তবে সে ব্যথা তার উপর আহামরি প্রভাব ফেলল না। সে অবাক হয়ে ইরফানকে দেখছে। চোখজোড়া নোনাজলে ভরা। ইরফান এভাবে কেন বলছে? নাছিম যে বলল, ইরফান, শুদ্ধ তাদের বিয়ের কথা জানে। ইরফান মাইরাকে চুপ দেখে আরও শক্তি খাঁটিয়ে মাইরার গাল চেপে রাগান্বিত স্বরে বলে, “কথা বল, স্টুপিড গার্ল। নেওয়াজ বাড়ির বউ হয়ে, আবারও কোন সাহসে বিয়ে করতে বসেছিস বল?”
"ফেসবুকে সিজন-১ অর্ধেক পড়েই অনেক ভালো লেগেছে তাই আগেই ই-বুক থেকে সিজন ২-৩ কিনে নিয়েছিলাম। প্রণয়ের অমল কাব্য পড়ার জার্নি আজকে শেষ হলো।কিন্তু মনে হচ্ছে শেষ হয়েও শেষ হলো না খুব শূন্য লাগছে। ওদের আবার পড়বো আমি। এখানে গল্পের একটু ভুল মনে হয়েছে যেখানে মাইরা অসুস্থ অবস্থায় মিলার বাসায় মাগরিবের নামাজ পরেছে। কারণ মেয়েদের এই অবস্থায় নামাজ,রোজা এগুলো নিষেধ। এবং দ্বিতীয় হচ্ছে এখানে বলা হয়েছে ইফরান মাইরা এত চেষ্টা করার পরও যখন বাচ্চা হচ্ছিল না (তখন উল্লেখ করা হয়েছে মাইরাকে অনেক ডাক্তার দেখিয়েছে) বাচ্চা না হওয়ার ক্ষেত্রে শুধু মেয়েদের সমস্যাটা প্রাধান্য দিয়ে দেখা হয় কিন্তু পুরুষের শারীরিক সমস্যা কারণেও কিন্তু বাচ্চা হওয়ার ধারণ ক্ষমতা হারায়। আশা করি আমাকে ভুল বুঝবেন না। আমার খটকা লেগেছে তাই জানালাম। এছাড়া গল্পটা অসাধরণ লেগেছে।ইফরানের জিদ অনেক বেশি। উপন্যাসেই ভালো লাগে এমন নায়ক। কিন্তু এর ১% থাপ্পড় যদি রিয়েল লাইফে আমি খেতাম থানায় মামলা করতাম যেয়ে, হিহিহি।"
ফেসবুকে সিজন-১ অর্ধেক পড়েই অনেক ভালো লেগেছে তাই আগেই ই-বুক থেকে সিজন ২-৩ কিনে নিয়েছিলাম। প্রণয়ের অমল কাব্য পড়ার জার্নি আজকে শেষ হলো।কিন্তু মনে হচ্ছে শেষ হয়েও শেষ হলো না খুব শূন্য লাগছে। ওদের আবার পড়বো আমি। এখানে গল্পের একটু ভুল মনে হয়েছে যেখানে মাইরা অসুস্থ অবস্থায় মিলার বাসায় মাগরিবের নামাজ পরেছে। কারণ মেয়েদের এই অবস্থায় নামাজ,রোজা এগুলো নিষেধ। এবং দ্বিতীয় হচ্ছে এখানে বলা হয়েছে ইফরান মাইরা এত চেষ্টা করার পরও যখন বাচ্চা হচ্ছিল না (তখন উল্লেখ করা হয়েছে মাইরাকে অনেক ডাক্তার দেখিয়েছে) বাচ্চা না হওয়ার ক্ষেত্রে শুধু মেয়েদের সমস্যাটা প্রাধান্য দিয়ে দেখা হয় কিন্তু পুরুষের শারীরিক সমস্যা কারণেও কিন্তু বাচ্চা হওয়ার ধারণ ক্ষমতা হারায়। আশা করি আমাকে ভুল বুঝবেন না। আমার খটকা লেগেছে তাই জানালাম। এছাড়া গল্পটা অসাধরণ লেগেছে।ইফরানের জিদ অনেক বেশি। উপন্যাসেই ভালো লাগে এমন নায়ক। কিন্তু এর ১% থাপ্পড় যদি রিয়েল লাইফে আমি খেতাম থানায় মামলা করতাম যেয়ে, হিহিহি।
Read all reviews on the Boitoi app
অসাধারণ একটি বই যাকে বলে ভালো লাগার মত একটি বই 🥰। ইরফান, মাইরা& মাহিরা এ তিনজন মিলে একটি সুখের প্রণয়ের অমল কাব্য রচিত একটি অসাধারণ বই 💞
besttt❤️😍
খুব সুন্দর লেগেছে। তবে ফাইজের জন্য খারাপ লাগলো।
ভালো ছিল তবে সিজন ১ বেস্ট 💗
দারুণ একটা গল্প 😘
অসাধারণ হয়েছে
ভালো লাগলো পড়ে।গল্প তো গল্পই।বাস্তবতা নাই।তবে ইরফানের এই মারা স্বভাব টা ভালো লাগলো না।সে যতোই ভালোবাসা থাকুক না কেন।সেই সাথে অন্যদেরও।ভালোবাসলেই মারার অধিকার পেয়ে যায় না কেও।এটা খুবই অসম্মান বলতে গেলে। গল্পের প্রতিটা ছেলেই তার ভালোবাসার মানুষ টাকে থাপ্পড় মেরেছে।যা সত্যিই খুবই খারাপ লেগেছে আমার কাছে।আমাদের সমাজেও এমন টক্সিক লোক আছে।কেবল ভালোবাসলেই টক্সিসিটি পজিটিভ কিছু হয়ে যায় না।ভালোবাসার সাথে যত্ন টা যেমন জরুরি সম্মান টাও জরুরি। স্বামী কে স্বামী হিসেবে সম্মান করলে স্ত্রী কে মানুষ হিসেবে সম্মান করাটা খুবই জরুরি। আশা করবো লেখকের পরবর্তী লেখা পজিটিভ পুরুষ চরিত্র দিয়ে হবে।পড়ে যেন যে কোন মেয়ে ভাবে আহা এমন একটা মানুষ যদি আমার একান্ত নিজের হতো।
অনেক আগে ফেইসবুকে এই গল্পের প্রেমে পড়েছিলাম।পরে শুনি ইবূকে আরো দিয়েছেন সিজন ২।কিন্তু ইবুক না জানা আমি।পরে শুনি ডাউনলোড করতে হয়।করলাম ওমা পরে শুনি টাকা দিয়ে কিনতে হয়।কি করবো টাকা নেই হাতে আওলাদ আনলাম বিকাশেপরে শিখলাম কিভাবে কিনথে হয়।পড়লাম অনেক আগেই।রিভিউ দিতে হয় জানতাম না। আজ মনে হলো তাই দিলাম।আপনার সব গল্প পড়া শেষ।অসাধারন আপনার লেখনি।
দারুন লেগেছে।খুব সুন্দর জুটিগুলো। প্রথম প্রথম নাসিমের জন্য অনেক খারাপ লাগতো কিন্তু এখন ঠিক আছে। তবে শেষে ফাইজের সাথে এটা কি হয়েছে বুঝলাম না কিছু। ওর জন্য খারাপ লেগেছে তবে আবার ইনায়ার জন্য ও খারাপ লেগেছে। এমনিতে সব মিলিয়ে দারুন। 💗💗💗💗💗🖤🖤🖤🖤🖤🖤🤍🤍🤍🤍🤍