

গল্পটি আহিয়ান ও দিয়া-র অসম এবং অদ্ভুত এক প্রেমের সমীকরণ নিয়ে। আহিয়ান একজন অত্যন্ত নীতিবান, গম্ভীর এবং দ্বীনদার তরুণ শিক্ষক, যে একটি স্বনামধন্য কলেজে লেকচারার হিসেবে কর্মরত। অন্যদিকে, দিয়া একজন অত্যন্ত সাধারণ এবং শ্যামলা বর্ণের মেয়ে, যে শৈশব থেকেই মাদরাসায় পড়াশোনা করে 'দাওরা ফারেগ' (আলিম) হয়েছে। পারিবারিকভাবে তাদের বিয়ে হয়, কিন্তু দিয়ার প্রবল ইচ্ছা ছিল জেনারেল লাইনে পড়াশোনা করার। স্ত্রীর স্বপ্ন পূরণে আহিয়ান তাকে নিজের কলেজেই দ্বাদশ শ্রেণীতে ভর্তি করিয়ে দেয়। তবে শর্ত থাকে একটাই—কলেজের ভেতরে তাদের স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্কের কথা কেউ জানবে না। সেখানে তারা কেবলই 'শিক্ষক ও ছাত্রী'। ঘর আর কলেজের এই দ্বৈত জীবনে শুরু হয় এক কঠিন লড়াই। কলেজে দিয়াকে লড়তে হয় তার গায়ের রঙ, মাদরাসা ব্যাকগ্রাউন্ড আর তার কড়া পর্দার বিরুদ্ধে ওঠা নানা কটূক্তির সাথে। আর এই সবকিছুর আড়ালে আহিয়ান তাকে ছায়া হয়ে আগলে রাখে। আহিয়ানের ভালোবাসা সাধারণ নয়; তার প্রেমে যেমন গভীর মমতা আছে, তেমনি আছে তীব্র অধিকারবোধ আর ডার্ক রোমান্টিক শাসন। শিক্ষক হিসেবে আহিয়ান দিয়ার কাছে যতটা কঠোর, স্বামী হিসেবে সে ততটাই পাগল। কিন্তু সমাজের চোখরাঙানি, সহপাঠীদের সন্দেহ এবং পরিবারের ভেতরে থাকা কিছু মানুষের ষড়যন্ত্র যখন তাদের এই গোপন সম্পর্ককে ফাঁস করার উপক্রম করে, তখন তারা কীভাবে সেই 'অলিখিত সিলেবাস' সমাধান করবে? পর্দা, মেধা আর পবিত্র প্রেমের এক অনন্য গল্প—'অলিখিত সিলেবাস'।