

খেঁয়ার প্রেমের সম্পর্কের দুই বছর পূর্ণ হল, তারপর এক রাতে ইফতি এসেছিল— উন্মাদের মতো, এক অদম্য লালসায় চোখ দুটো জ্বলে উঠেছিল তার। ভালোবাসার নামে খেঁয়াকে নিজের ইচ্ছেমতো গড়ে নিতে চাইছিল। শরীরের প্রতিটি বাঁকে তার ছোঁয়ার আগ্রহ বেড়ে উঠছিল অবোধ আগুনের মতো। খেঁয়ার শরীর তখন পাথর— সাড়া দিইনি। তবুও বুভুক্ষুর মতো ঝাঁপিয়ে পড়েছিল তার ঠোঁটে। যেন খেঁয়ার নীরবতাই তাকে আরও বেপরোয়া করে তুলেছিল। নিজেকে কোনোমতে তার অপবিত্র হাত থেকে সরিয়ে আনতে পেরেছিল… কিন্তু তার মন? সেটাকে বাঁচাতে পেরেছিল কি? খেঁয়া চেয়েছিল ভালোবাসা পেয়েছে অভিনয়, এই এক জীবনে, ইফতির ধোঁকা ভুলে খেঁয়া হবে কি অন্য কারো মনের রানী? “শোনো, মায়াবতী… কিছু সম্পর্ক রং–রূপ দেখে হয় না। আমি তোমার মনটাকে ভালোবেসেছি, কথাটা শুনবে কি কারো মুখে? জানতে পড়ুন, মায়াবতীর জোছনাস্নান।