

পরম্পরা আমার লেখা প্রথম বই। লেখালেখির প্রতি আমার কোনো ধারণা ছিল না। একদিন ঘুমের মধ্যে একটি আইডিয়া এল, এবং আমি গল্পটি লিখে ফেললাম। যদিও আমি অকাল্ট রিচুয়ালিস্টিক জনরায় লিখছি, তবে টার্কিশ হরর সিনেমা "ডাব্বে" এবং "সিজ্জিন" থেকে আমি অনুপ্রাণিত হয়েছি। যেহেতু এটি আমার প্রথম বই, আমি অবশ্যই কাঁচা কাজ করেছি, এবং আশা করছি পাঠকরা আমাকে ক্ষমা করবেন। প্রথম বই, প্রথম আবেগ। যাদের উৎসাহ এবং সমর্থন না পেলে লেখালেখির চিন্তাটাই অবাস্তব হতো। প্রথমেই মহান রাব্বুল আলামিন আল্লাহ তায়ালার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি, যার ইচ্ছায় আমি লেখক হয়েছি। এরপর আমার মা এবং বাবাকে ধন্যবাদ, যারা ন্যূনতম প্যারা লিখতে সাহায্য করেছেন। নিটোলের কথাও উল্লেখ করতে হবে, যিনি প্রতিনিয়ত পরামর্শ দিয়ে বইটি লিখতে সাহায্য করেছেন। বিশেষ ধন্যবাদ জাবেদ রাসিন ভাইকে; তিনি যদি উৎসাহ না দিতেন, তাহলে হয়তো আমার প্রথম বই অন্ধকারে পড়ে থাকত। আরও কয়েকজনের কথা উল্লেখ না করলেই নয়। ধন্যবাদ জানাচ্ছি ড. তাহমিদ সাবিত (এএফএমসি-১৭) এবং ড. জুলিয়ান পারভেজ মুগ্ধ (এএফএমসি-১৭) ভাইকে, যাদের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে বইটির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশের জন্ম হয়েছে। এছাড়া ড. বর্ষা দফো (এএফএমসি-১৮) কে বিশেষ ধন্যবাদ, যিনি গারো পাহাড়, তাদের রীতিনীতি এবং ময়মনসিংহ অঞ্চল সম্পর্কে তথ্য দিয়েছেন, যা বইটি লিখতে সাহায্য করেছে। স্পেশাল থ্যাংকস টু অল মাই ব্যাচমেট, যারা এখন ডাক্তার। আমি হয়তো গল্পে অজান্তেই তোমাদের নাম লিখে ফেলেছি, কিন্তু কাউকে আঘাত করার উদ্দেশ্যে নাম ব্যবহার করিনি। এত বড় বই লেখার সময় কখন কার নাম এসে গেছে, নিজেও জানি না। যাই হোক, বন্ধুর নাম দিয়ে সমর্থন দেওয়ার জন্য খুশি থাকো। ভয় পাওয়াও এক প্রকার আনন্দ। আশা করি, পরম্পরা সবাইকে সেই আনন্দের জগতে নিয়ে যাবে।