

জীবনের সব ভুলের কাফফারা হয় না। কিছু কিছু ভুল গলায় কাটার মতো বিধে ত্যক্ত করে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত। আমার জীবনের সবচেয়ে প্রিয় মানুষটাকে নিয়ে আমি ঠিক এমনই একটা ভুল করেছি। বুভুক্ষের মতো চেয়ে আছি একটা কাফফারার আশায়। জীবন কি সেই সুযোগ দেবে আমাকে?
"আপু আপনি মন ভাল করার মত গল্প লেখেন জানতাম। কিন্তু মন খারাপ করে দেওয়ার মত এত চমৎকার গল্পও লিখতে পারেন এটা মৃগতৃষ্ণিকা পড়ে জানতে পারলাম।যাই হোক মুনিয়ার মতো ভুল যেন আর কেউ না করে এই দোয়াই রইল।"
আপু আপনি মন ভাল করার মত গল্প লেখেন জানতাম। কিন্তু মন খারাপ করে দেওয়ার মত এত চমৎকার গল্পও লিখতে পারেন এটা মৃগতৃষ্ণিকা পড়ে জানতে পারলাম।যাই হোক মুনিয়ার মতো ভুল যেন আর কেউ না করে এই দোয়াই রইল।
Read all reviews on the Boitoi app
কাঁদতে কাঁদতে পড়া শেষ করলাম। হারাম সম্পর্ক যে কখনো ভালো পরিণতি বয়ে আনে না, এই চিরন্তন সত্যই এখানে। প্রস্ফুটিত হয়েছে।
ما شاء الله ، لا قوة الا بالله بارك الله فيك দুই বোনের সম্পর্ক, গ্রামীণ পরিবেশের বর্ণণা আর বিনতে ফিরোজ আপুর লেখার প্রতি আস্থা আছে বলেই মূলত ই-বুকটা কেনা হয়েছিলো। বরাবরের মতোই সন্তোষজনক, আলহামদুলিল্লাহ। প্রতিবারের মতো এবারও গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্রের সাথে কিছু সুক্ষ্ম মিল খুঁজে পেয়েছি নিজের জীবনের। স্বল্প পরিসরের এই গল্পের মাধ্যমে লেখিকা আপু আমাদের যে বার্তা দেয়ার চেষ্টা করেছেন, তা অতিশয় গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমান সময়ে তো আরো এক ধাপ বেশিই গুরুত্বপূর্ণ! মাঝে মাঝে মনে হয়েছিলো, কী হতো যদি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনাটা না ঘটতো? তবে যদি সেই ঘটনা না ঘটতো, রূঢ় বাস্তবতা হয়তো জানা হতো না। আবারো কেউ পা বাড়াতো ভুলপথে। জীবনের বড়সড় ভুলগুলো চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়ার জন্যই মাঝে মাঝে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি আসে। গল্পের একদম শেষ অংশটা পড়ে বিভূতিভূষণ বন্দোপাধ্যায় এর 'অপরাজিত' উপন্যাসের শেষ অংশের কথা মনে পড়ে গেলো কেন যেন। কারণ শেষ হয়েও হলো না শেষ...
মা শা আল্লাহ।পড়ার আগে বোরিং মনে হলেও চমৎকার ভাবে সাজিয়েছেন।
মাশা-আল্লাহ আলহামদুলিল্লাহ। ভাষার বহিঃপ্রকাশ করতে পারছিনা যে কোন ভাষায় লিখবো। অনেক অনেক বেশি চমৎকার ও হৃদয়গ্রাহী হয়েছে মাশা-আল্লাহ। এতটা আবেগঘন ভাষায় এত হৃদয় ছোঁয়া করে যে হালাল হারামের তফাৎটা বুঝিয়ে দেয়া যায় তা মনে হয় আপনার দ্বারাই সম্ভব। আমি মনে করি প্রত্যেকের উচিৎ বইটা ছড়িয়ে দেয়া। আর কোন মুনিয়া যেন হারিয়ে না যায় আমাদের কাছ থেকে। শেষ মুহুর্তের অনুভব টা...! আমার পিচ্চুটাকে বুকে জড়িয়ে অনেকক্ষণ কেঁদে রিভিউ দিতে আসলাম। আপনি সদা চালিয়ে যান এই কলমের দাওয়াহ। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়াতাআ'লা আপনাকে কবুল করুন।
গল্পটা খুব সুন্দর হৃদয়স্পর্শী আর অবশ্যই বাস্তব। আপার জন্য হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হয়েছে৷ বলতে ইচ্ছে করেছে, "বোকা মেয়ে জীবন অনেক সুন্দর!" তানিয়ার মুখে গল্প, ওর অনুভূতি আর শেষে সুন্দর একটা শিক্ষা ভালো লেগেছে...আমার চোখে জল চলে এসেছে শেষ দিকে। আল্লাহ লেখিকার কলমে আরও বারাকা দান করুক। আমীন
প্রকাশ হওয়ার সাথে সাথেই বইটা কিনেছিলাম কিন্তু পড়া হচ্ছিল না। আমার আবার বাতিক আছে যেদিন ইবুক পা শুরু সেদিন দু-তিন টা পড়ে ফেলি। আজও তার ব্যতিক্রম ঘটেনি। মুনিয়া ডুমুর গাছ সবকিছু আমাকে ভীষণ যন্ত্রণা দিচ্ছে। তানিয়ার জীবন পরিপূর্ণ হয়েছে দেখে ভালো লেগেছে ভীষণ। তারপরও মুনিয়াকে হারানোর ব্যাথা সে সুখকে ছাপিয়ে গেছে। বুকের বাঁ পাশটায় কেমন যেন চিনচিনে ব্যথা অনুভব করছি আমি। লেখিকার গল্প বলার ধরণ, ভাষা, পরিবেশের বর্ণণা আমাকে মুগ্ধ করেছে। আপনার প্রতিটা গল্পেই ভিন্ন কিছু থাকে। এই গল্পেও তার ব্যতিক্রম হয়নি। কি সুন্দর একটা বার্তা দিয়ে গেলেন অবলীলায়। বান্দার যে ভালোবাসায় তার রব থাকে না, সে ভালোবাসা তো দিনশেষে দুঃখই উপহার দেয়। রব আপনার লেখায় বারাকাহ দান করুন। ভিন্ন ভিন্ন বই লিখে আমাদের উপহার দিন আপনার মলাটবন্দি বই পড়ার অপেক্ষায় আপু। আর এই গল্পের রেশ মনে যাবে বহুদিন।
অসাধারণ একটি বই।
বাংলা ভাষায় জড়তা থাকার কারণে কঠিন কঠিন কিছু শব্দ বুঝতে অসুবিধে হলেও এটা অন্তত বুঝেছি আপনার প্রতিভা অন্যরকম, মা শা আল্লাহ! গল্প,,গল্প নয়,, মনে হয় যে আপু বাস্তবতা! ডুমুর গাছে সেই ঝলমল করা ফুল টাকে যখন তানি আর শেষবারের মত দেখতে পারলো না তখন অনেক কষ্ট জমা হয়। তবে আপনি অসাধারণ লিখেন আপু,,, আপনার ভালো গুণ গুলো আমার হয়ে যাক🙂।
আসলে আমি কথা বলার ভাষা হারিয়ে ফেলেছি..!! মুনিয়ার পরিণতি টা আমাকে একটা ঘোরের মধ্যে ফেলে দিয়েছে ॥ লেখা যদি হয় বিনতে ফিরোজ আপুর লেখা তার মানেই ইউনিক কিছু ॥ হারাম সম্পর্কের যে বাস্তবতা তা এখানে অত্যন্ত পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বর্ণনা করা হয়েছে ॥ গল্প টা পড়ে আমি এতো কান্না করেছি আল্লাহ আল্লাহ ॥ শুধু বলবো মুনিয়াদের যদি এই ব ই টা পড়াতে পারতাম..!! আল্লাহ তুমি সব মুনিয়াদের হেফাজত কর আমীন ॥ দোয়া রইলো আপু আপনার জন্য…আল্লাহ তায়ালা যেন আপনার লেখায় আরো বারাকাহ দান করেন আমীন ॥