

মেয়েটির নাম ধরে ডাকতে ডাকতে সিলভান ঘোরগ্রস্তের ন্যায় স্মরণ করে খানিক আগে এই বাসায় প্রবেশের মুহূর্তটা..... "আমি বারোমাস তোমায় ভালোবাসি তুমি সুযোগ পাইলে বন্ধু বাসিও...." গানের মিউজিক বিটের রিদমে শ্যাওলা সবুজ রঙের পুরানো দ্বিতল বাড়িটার গাঁথুনি সুদ্ধ সমগ্র বাড়িটাই যেন কাঁপছে মনে হলো ছত্রিশ বছর বয়সী সৌম্যদর্শন সুপুরুষ সিলভান শাহরিয়ারের। এ নিয়ে সে ভীষণ চিন্তিত। এ কোন বাড়িতে কনে দেখতে এল সে! বিয়ে করতে সে চায়নি মোটেই। ভাইয়ের ছেলেমেয়েদের নিয়েই বাকি জীবন কাটিয়ে দিতে চেয়েছিল। ছেলেমেয়েদের মাত্রাতিরিক্ত চাপের মাথায় বিয়েতে মত দিয়েছে সিলভান। কেন মত দিয়েছে আর কেনইবা সিলভানের জন্য মেয়ে দেখতে এসে সময় নিজেই পাত্রী পছন্দ করে বসলো। ছত্রিশ বছর বয়সী সিলভান শাহরিয়ার ভাগ্যে কনে জুটবে, নাকি পঁচিশ ছাব্বিশ বছর বয়সী রক্ত চঞ্চল সুদর্শন যুবক সময়ের কাছে হেরে যাবে? কী রয়েছে এলিজিবল ব্যাচেলর নিঃসঙ্গ পুরুষ সিলভানের অদৃষ্টে? কে জিতবে নিয়তির লিখনে, রক্তের সম্পর্কীয় স্নেহ - নাকি অদেখা, সম্পূর্ণ অচেনা হঠাৎ প্রেম? তারুণ্য দীপ্ত নহলী রাত কার জীবনে সুখের পরশ বয়ে আনতে চলেছে যেখানে স্বয়ং ভাতিজা প্রচণ্ড প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়ে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে আজীবন নিঃসঙ্গ পুরুষ চাচুর শোবার ঘরে! চোখের সামনে সীমারের স্বার্থপরতা নিয়ে তিন ভাইবোন তাকিয়ে দেখছে আগুনে পুড়ে যাচ্ছে চাচুকে নিয়ে আলিশান শোবার ঘরটি। কেউ এগিয়ে এলো না। আর সিলভান! সেতো কথা দিয়েছিল কাউকে, তাকে ফেলে কোথাও যাবে না সে। তবে? অসহ্য কান্নায় ভেঙে পড়ে নহলী রাতের স্বপে বিভোর সিলভান শাহরিয়ার।

"মারাত্নক সুন্দর! প্রথম দেখায় প্রেম - বয়সের ব্যবধান, সম্পর্কের জটিলতা সবকিছু ছাড়িয়ে মধুময় সমাপ্তি। মাঝে কিছু সম্পর্কের প্রকৃত রুপ প্রকাশ পেল। আর ডাকাবুকো ও তার হানিমনোর হাফ-ফটবল টীম ☺️☺️☺️ মধু আর মধু ❤️❤️❤️"
মারাত্নক সুন্দর! প্রথম দেখায় প্রেম - বয়সের ব্যবধান, সম্পর্কের জটিলতা সবকিছু ছাড়িয়ে মধুময় সমাপ্তি। মাঝে কিছু সম্পর্কের প্রকৃত রুপ প্রকাশ পেল। আর ডাকাবুকো ও তার হানিমনোর হাফ-ফটবল টীম ☺️☺️☺️ মধু আর মধু ❤️❤️❤️
Read all reviews on the Boitoi app
ছোট একটা মিষ্টি গল্প ।কি যে ভালো লাগলো পড়তে ।নামের মতই গল্প টা পরিপুর্ণ ♥️♥️
এত্ত এত্ত ভালোলাগা বরাবরের মতো। মিস্টি মিস্টি
অসাধারণ লেগেছে বইটা। ভালো লাগায় মন টা ছুয়ে আছে। না পাওয়া,, একাকী কাটিয়ে দেয়া জীবনের বেশির ভাগ সময় সেই সিলভান আর দুস্টু মিস্টি মেয়ে মনোলোভার কাহিনী ভরা এই গল্প। শেষ টা পড়তে গিয়ে নিজের চোখই ভিজে গেছে। ভীষণ ভালো লেগেছে গল্পটা।
মন ভালো করা একটি গল্প দিয়ে বছর শুরু হলো। আসলে জীবনটা এমনই, আমরা ভাবি একরকম আর নিয়তি অন্য কিছু নির্ধারণ করে রাখে। সিলভান হয়তো কখনো ভাবেনি এমন উথাল পাথাল করা ভালোবাসা ওর জীবনে আসবে। মনোলোভা এমন এক চরিত্র, যা পড়তে কখনো আনন্দ হবে, আবার কখনো অসম্ভব মন খারাপ হবে। তবে গল্পের শেষে এসে যা ঘঠবে তা পাঠকের পক্ষে কল্পনা করা অসম্ভব। মাহমুদা সুলতানা একা আবারও এই গল্পে এক রোলার কোস্টার রাইডে নিয়ে গিয়েছেন আমাদের। সম্পর্কের দারুণ এক দ্বন্দ্ব দেখতে পেয়েছি যেখানে স্বার্থপরতাই মুখ্য, নিঃস্বার্থ ভালোবাসার মূল্য পাওয়া যায় না।
কেউ যখন শূন্য থাকে, তাকে পূর্ণ করার জন্যও নিয়তি কাউকে রাখে। ছোট্ট কিন্তু দারুণ একটা গল্প আর সাথে অসাধারণ কিছু বার্তা। জীবনে সবাইকে প্রয়োজন হয়, আবেগ বা মোহ অথবা ক্রোধ কেও পরিস্থিতি বুঝে থামাতে হয় এটাই যেমন সময়,সিন্থি,সুপ্তের আয়ত্তে আসেনি তাই পরিপূর্ণ জীবন অপূর্ণতার খাতায় নাম লেখাতে সময় নেয়নি। তেমনই কাউকে না পাওয়ার আক্ষেপ মনে পুষে না রেখে, পরিণতি কি হবে তা না ভেবে শেষ পর্যন্ত চেষ্টায় কিছু হলেও হতে পারে মাহিন- সিলভান ও অপূর্ব ভাবে নিজেদের রঙিন করে নিলো। একটা উদাস রাত ঝলমলে তারার আলোয় আলোকিত হয়ে উঠল মুনমুন-মায়রা-মনোলোভার জীবন। “নহলী রাত” নামের মতোই সার্থক তার ভেতরটা, মন কিন্তু ভরলো না কিন্তু অদ্ভুত শান্তি লাগলো।
নহলীর রাত ই বুক উপন্যাস আমার একান্ত ভালোলাগার উপন্যাস,এবং প্রতিটি চরিএ যেন জীবন্ত।এই শীতের আমেজে নতুন বছরের মধ্যে আমাদের একুবিবিকে ভালোবাসা অবিরাম 💙🤍💙❤️
উফ্ কী দারুণ হয়েছে উপন্যাস টি! নতুন বছরের জন্য একদম পারফেক্ট! এই শীতের আবেশে যেন এক টুকরো ঝলমলে রোদ! খুব আনন্দ দিয়েছে।মা শা আল্লাহ্!! ভাগ্য নির্ধারিত হয় তো ওপরওয়ালার পক্ষ থেকেই। তা আমরা যতই পরিকল্পনা করি না কেন? আর সুখ -- সেও নিশ্চয়ই কিছু টা হলেও কর্মফলেও লুকিয়ে থাকে! সুখের সঙজ্ঞা তো একেকজনের কাছে একেক রকম। কেউ ভালো থাকা কে, তো কেউ ঐশ্বর্য থাকা কে। দাম্পত্যের যে সুখ লেখিকা আপু দেখিয়েছেন, অভূতপূর্ব দৃশ্য। আসলেই পবিত্র সম্পর্কের জোড় অনেকখানি। এমন লাইফ পার্টনার সবার হোক। নতুন বছরের সূচনা দারুণ ভাবে হলো। উপন্যাস টি না পড়লেই অনেক কিছু থেকে বঞ্চিত হতাম।এক উষ্ণতার আবেশে যেন জড়িয়ে রেখেছিল পুরো সময়। অনেক ভালোবাসা লেখিকা আপু। আরও বইয়ের আশায়....।।
পড়তে পড়তে হুট করে কখন চোখে পানি এসে গেলো বুঝতে পারিনি।নিঃসঙ্গ একজীবন হুট করেই কারো সঙ্গ পেলে বোধহয় এতোই সুখের মনে হয় সব।সব কান্নাই কী দুঃখের হয়, কিছু কান্না হয় সুখের।মাঝে মাঝে অন্যের সুখ দেখেও চোখে পানি আসে। বিশেষ ধন্যবাদ একাপুকে ও বইটইকে।বহু দিনের কাঙ্ক্ষিত একটি উপন্যাস এই নহলী রাত।কতো শত অপেক্ষার পর পেলাম।নতুন বছরের শুরুটা আমার ভালো কাটলো