

"প্রত্যেক জুটির পূর্নতা ভীষণ ভালো লাগেছে আপু🥹। নিস্তব্ধ আর তাসফির সাথে সাথে প্রত্যেকটা জুটির মিল এতো সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করেছ পড়ে অনেক ভালো লেগেছে 😊। ধন্যবাদ ফ্রি-তে উপন্যাসটি পড়ার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য🥹🥰।"
ওয়াশরুমে ঢুকে তার মনে পড়লো ফ্রেস হতে সে সঙ্গে কিছুই আনেনি। কালকের গায়ের শাড়ি খুলে নি। এত অস্বস্তি লাগছে। এখনই তার গোসল সারা দরকার। শাড়ি খুলে গোসল শেষ করলো। শুধুমাত্র পেটিকোট ব্লাউজ পড়ে ওয়াশরুম থেকে পুনরায় বের হলো জামা নিতে। নিস্তব্ধ হাসপাতাল যাবে। তখন তার মোবাইলটা ফেলে যাওয়ায় রুমে এসেছিল নিতে। তখনই কি তাসফি বের হলো ওয়াশরুম থেকে? হ্যাঁ, হলো তো। তাসফির পদতলে পিষ্ট হলো নিস্তব্ধের চিত্ত। তাসফিকে ওই অবস্থায় দেখে নিস্তব্ধ ইয়াসারের চোখ কপালে। শুধু অদ্ভুত চোখে তাকিয়ে থাকলো সে। কিছু বলতে চেষ্টা করলো কিন্তু মুখ দিয়ে কোনো শব্দ সে উচ্চারণ করতে পারলো না। হতবিহ্বল হয়ে তাকিয়ে রইলো এক অপূরূপ সৌন্দর্যধারী রমণীর পানে। তার ভাষায় নাবালিকা বলা রমণী যেন পরিপূর্ণ যুবতী। রমণীর শরীরের ভাঁজে ভাঁজে যেন রহস্যরা খেলা করছে। সারা অঙ্গে যে তার ঝলসানো জ্যোতি। মাদকতায় আচ্ছন্ন হলো পরিবেশ। শুষ্ক ঢোক গিললো নিস্তব্ধ। তবে এটাই তার পুঁচকে বউ? তাসফি নিজের জামা নিয়ে ভাবলেশহীন ভঙ্গিতে পুনরায় ওয়াশরুমে ঢুকে ঠাস করে নিস্তব্ধের মুখের উপর দরজাটা লাগিয়ে দিল। যেন রুমে নিস্তব্ধ ছিলই না এমন একটা ভাব। কোথায় এই মেয়ে নিস্তব্ধকে দেখে লজ্জা পাবে, দুহাতে বুক ঢাকবে। কাপড়ে দেহ আবৃত করবে। কিন্তু এই মেয়ে তাকে দেখলোই না। কই গল্পে, সিরিয়ালে তো এমনটা হয় না। তারা তো বলে, "নেহি, এ কেয়া বাত হে। আপনি আমার সব ইজ্জত লুট করে নিলেন। মে কিয়া কারু, মে কিয়া কারু।" নিস্তব্ধ নিজের মাথাটা দুবার ঝাঁকি দিলো। তবুও কেমন ভনভন করছে। ছিঃ, সে কি সব ভাবছে। সব লেইম চিন্তাধারা। সব এই নাবালিকা মেয়েটার দোষ। ডিজগাস্টিং। ভাব দেখে তো মনে হয় না নাবালিকা। ভাব দেখো, বোধ হয় পঁচিশ বছরের যুবতি। অথচ বয়স তার আঠারোও হয়নি। নিস্তব্ধ নিজ মোবাইল হাতে নিয়ে হনহন করে বেরিয়ে গেল রুম ছেড়ে। দরজা কাঁছে বাসন্তীকে পেয়ে নিস্তব্ধ কপাল কুঁচকে জিজ্ঞেস করলো, "এই মুহূর্তে আমার রুমে যে পুঁচকে মেয়েটার অবস্থান, তাকেই আমি বিয়ে করেছি, সিওর তুই আপা?" নিস্তব্ধের হঠাৎ এমন উদ্ভট প্রশ্নে ভ্রু তুলে চাইলো বাসন্তী। জবাব দিলো, "হ্যাঁ। কেন, কি সমস্যা?" নিস্তব্ধ বিতৃষ্ণার স্বরে বলল, "ছিঃ আপা। ছিঃ। এইরকম লেইম একটা কাজ তোরা করতে পারলি আমার সাথে?" বাসন্তী ভাইয়ের কথায় আশ্চর্য হয়ে গেল। হতবাক কন্ঠে বলল, "আরে বাবা, করলামটা কি সেটা তো বল।" নিস্তব্ধ আবারো একই সূরে বলে উঠলো, "নাবালিকা মেয়ে সঙ্গে বিয়ে দিয়েছিস, আমি সেটা সহ্য করে নিয়ে ছিলাম আপা। সঙ্গে ওই পুঁচকে মেয়ে যে দেখতে এতটা কুৎসিত, আমায় তো আগে বলিসনি। এমন কুৎসিত চেহারার মেয়ে আমার ঘাড়ে চাপিয়ে দিলি তোরা। একটু মায়া দয়া হলো না তোদের। আমার মতো হ্যান্ডসাম ছেলের সামনে ওই পুঁচকে মেয়ে টিকতে পারবে বলে ভাবছিস তোরা? তবে শুনে রাখ, এই নিস্তব্ধ ইয়াসারকে টেক্কা দেওয়া এত সোজা নয়।" বলেই নিস্তব্ধ হনহন করে বেরিয়ে গেল। বাসন্তী হতবিহ্বল হয়ে ভাইয়ের যাওয়ার দিকে চেয়ে রইলো। বিয়ের শোকে তার ভাইয়ের মাথা তাথা খারাপ হলো না তো আবার। ইয়া খোদা। তাসফি রুম ছেড়ে নিচে নামলো মেরুন রংয়ের থ্রি পিচ পড়ে। নিস্তব্ধের কথাগুলো কর্ণগোচর হতেই চোখ বড় বড় করে নিলো সে। "কত বড় বদমাশ লোক। রুমে ড্যাব ড্যাব করে তার দিকে তাকিয়ে থেকে এখন তাকে কুৎসিত বলা হচ্ছে। সালা পল্টিবাজ।” বইটই থেকে “ধূসর রংধনু” সম্পূর্ণ ই-বুকটি ডাউনলোড করে পড়ুন এখনই।
আপুর লেখনী মারাত্মক 💝 ই-বুক টি ফ্রি তে দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ আপু ভালোবাসা নিও🥰
Read all reviews on the Boitoi app
প্রত্যেক জুটির পূর্নতা ভীষণ ভালো লাগেছে আপু🥹। নিস্তব্ধ আর তাসফির সাথে সাথে প্রত্যেকটা জুটির মিল এতো সুন্দর ভাবে উপস্থাপন করেছ পড়ে অনেক ভালো লেগেছে 😊। ধন্যবাদ ফ্রি-তে উপন্যাসটি পড়ার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য🥹🥰।