

এতো রাগারাগি করে লাভ নেই, সোনা বউ। তুমি এই বিয়ে মানলেও আমার, আর না মানলেও আমার। এই বাসরঘর থেকে পালানোর উপায় নেই। বরং কিছু মধুর মুহূর্ত একসাথে কাটাই। আর রাগলে কিন্তু তোমাকে আরও বেশি সুন্দর দেখায়, জানো? গোধূলি তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে প্রনয়ের দিকে। ও নিজেকে প্রনয়ের কাছ থেকে ছাড়ানোর জন্য জোরাজুরি করছে। কিন্তু কিছুতেই নিজেকে প্রনয়ের কাছ থেকে ছাড়াতে পারছে না। কারণ প্রনয় ওকে অনেক শক্ত করে ধরে রেখেছে। গোধূলি অনেক চেষ্টা করার পরও বিফল হলো। অতঃপর তির্যক কণ্ঠে বলল, “ছাড়ুন, বলছি ছাড়ুন আমাকে।” প্রনয় গোধূলির কপালের সামনে আসা এলোমেলো চুলগুলোকে সুন্দর করে সরিয়ে কানের কাছে গুঁজে দেয়। ঘোর লাগা কণ্ঠে বলে, “এত রাগ করছ কেন, বউ আমার? আজ তো আমাদের বাসর রাত, চলো একটু রোমান্স করি।” “রোমান্স মাই ফুট।” “মাই ফুট না, জানু। বলো, মাই জান।” “আপনি আসলেই একটা নির্লজ্জ।” প্রনয় গোধূলির কথা টা আমলেই নিলো না। উল্টো ওকে একটা চোখ টিপ মারলো, “আজ থেকে তোমার সবকিছু তো আমারই। লজ্জা করে কি লাভ বল? একটু পরে তো তোমার সব লজ্জা আমাকেই ভাঙতে হবে।” প্রনয় গোধূলির সামনে হাঁটু গেড়ে বসলো, “আমি জানি তোমার খুব কষ্ট হচ্ছে। কিন্তু আমি তো তোমাকে কষ্ট দিতে চাই না। আমার ভালোবাসাটা কেন তুমি বুঝতে চাও না? তুমি যেভাবে চাও, আমি ঠিক সেইভাবে নিজেকে শুধরে নেবো। কিন্তু তুমি যদি এই বাড়ি থেকে যাওয়ার কথা বলো না, সেটা আমার জন্য মৃত্যুর মতো। আমার ভালোবাসার গভীরতা তোমার কাছে পৌঁছাতে যত দিন সময় লাগবে, ততদিন আমি অপেক্ষা করব। তোমার প্রতিটি রাগ, অভিমান আমি মেনে নেবো। শুধু আমার থেকে দূরে যাওয়ার কথা কখনো ভেবো না। যদি এর অন্যথা হয়, তাহলে আমার থেকে খারাপ আর কেউ হবে না। কথাটা ভালোভাবে মাথায় ঢুকিয়ে নাও।