

ঢাকার বাতাসে দুইটা গন্ধ সব সময় থাকে। এক, ভাজা সিঙ্গারার গন্ধ। দুই, টাকার গন্ধ। এই দুইটার মাঝখানে আরেকটা গন্ধ ঢুকে পড়ল, আইন বইয়ের গন্ধ। নামটা শুনলেই গম্ভীর লাগে, ব্যাংক রেজল্যুশন অধ্যাদেশ, ২০২৫। কিন্তু গম্ভীর জিনিসই তো সবচেয়ে বেশি হাসায়, যদি সেটা ভুল হাতে পড়ে। এই অধ্যাদেশ আসার পর থেকে ব্যাংকের লোকজন একটা নতুন ভয় শিখেছে, “রেজল্যুশন”। আগে ভয় ছিল “অডিট”, “এনবিআর”, “ডিডি চেক”, এখন ভয় হচ্ছে “বাংলাদেশ ব্যাংক রেজল্যুশন কর্তৃপক্ষ”। কারণ এখন বাংলাদেশ ব্যাংক শুধু নজরদারি করবে না, দরকার হলে ব্যাংককে “রেজলভ”ও করবে। মানে, রোগী যদি বাঁচে না, ডাক্তার অপারেশন টেবিলেই কেসের মালিকানা বদলাইয়া দেবে, ব্রিজ ব্যাংক বানাবে, কারও শেয়ার কেটে দেবে, কারও দেনা রূপান্তর করবে, আবার খবরটা পত্রিকায়ও ছাপাবে। আর সেই গল্পের মাঝখানে ঢুকে পড়ল আমাদের চরিত্ররা, যারা কেউ আইন বই পড়ে না, কিন্তু আইন বই তাদের পড়ে।
Read all reviews on the Boitoi app