

রাত্রি এমন এক নাম, যা পৌষের সাথে মিশে আছে ওতপ্রোতভাবে। তার জীবনের একটা অংশ নয়, বরং পুরোটা জুড়েই। আর রাত্রি? সে তো পৌষের স্ত্রী হওয়ার আগেই ইশির ‘মা’ হয়ে ওঠে। তবুও অজানা এক ঝড়ে তছনছ হয়ে যায় পৌষের সাজানো-গোছানো ছোট্ট সংসারটা। পৌষের মায়ের মনে হয়, জীবনের চলতি পথে কোথাও যেন একটা ভুল তিনি করে ফেলেছেন। পৌষ মাকে বলে, “ভালোবাসার আরেক নাম রাত্রি। সে ইশির মাম্মা।” পৌষ কি পারবে খুনসুটিতে পরিপূর্ণ তার ছোট্ট ভুবনটাকে আবার আগের মতো করতে? নাকি ভুল বোঝাবুঝিতে সব হারিয়ে যাবে অতল গহ্বরে? পুত্র হারানোর শোকে কি পৌষ ভুলে যাবে ভালোবাসা কাকে বলে? মনের কাছে কি মস্তিষ্কের সমস্ত যুক্তি-তর্ক হার মানবে, নাকি হেরে যাবে ভালোবাসার দোটানায়? ইশির মাম্মা কি ফিরবে, নাকি হারাবে দূর অজানায়? প্রশ্ন অনেক, কিন্তু উত্তর কোথায়? জানতে হলে পড়তে হবে— ‘ইশির মাম্মা’।