

গোয়েন্দা চিনুদা এসেই বললেন- এটা প্লানড মার্ডার! অথচ এলাকার সবাই জানে যে, টোপন ভূতের ভয়ে মারা গেছে। চিনুদার কথা শুনে সবাই হতবাক! তাহলে? চারদিকে চাপা গুঞ্জন- এই স্কুল পড়ুয়া নিষ্পাপ কিশোর ছেলেটাকে কে খুন করলো? কেন খুন করলো? গোয়েন্দা চিনুদা সুতীক্ষ্ণ দৃষ্টি নিয়ে মাঠে নামলেন। রহস্যের বেড়াজাল ডিঙোতে ডিঙোতে বিপর্যস্ত চিনুদা শেষে ভীষণ অবাক হলেন- শেষ পর্যন্ত আপনজন! একেবারে ঘরের লোক দ্বারা খুন হলো টোপন! কে সেই খুনী? চলুন, গোয়েন্দা চিনুদার গোয়েন্দা অভিযানের সাথে আমরাও রোমাঞ্চকর মুহূর্তে ডুব দিই। আর জেনে আসি কীভাবে টোপন হত্যার গভীর ষড়যন্ত্রের রহস্যের বেড়াজাল ভাঙলেন গোয়েন্দা চিনুদা। বারবার মৃত্যুর মুখে দাঁড়িয়েও ঘুরে দাঁড়িয়েছেন এবং অবশেষে উন্মোচন করেছেন টোপন হত্যা রহস্য; এক চমকপ্রদ, রোমাঞ্চকর, ভয় জাগানিয়া গোয়েন্দা কাহিনী এই টোপন হত্যা রহস্য' গোয়েন্দা উপন্যাস।