

মারিয়া কোনো খলনায়িকা নয়,আবার দেবীও নয়।এই উপন্যাস নারীদের স্টেরিওটাইপ ভাঙে।সমাজ যেখানে নিজের মতো বাঁচা নারীদের শাস্তি দেয়,সেখানে মারিয়ার সিদ্ধান্ত একসঙ্গে নিষ্ঠুর ও বোধগম্য।যারা জটিল,বাস্তব নারী চরিত্র ভালোবাসেন,তাদের কাছে মারিয়া হবে অস্বস্তিকর,হৃদয়বিদারক এবং অসম্ভব বাস্তব। রাফি ভালোবাসার জন্য একটা বিপ্লব ঘটাতে চায়।যে নারীর বয়স ৪০,যে নারীর আগে দুইটা বিয়ে হয়েছে,যে নারীর ১৮ ও ১৯ বছরের দুইটা কন্যা আছে,যে নারী আর কখনো সন্তান জন্ম দিতে পারবে না,যে নারীর বাবা-মা জীবিত নেই,সেই নারীকে রাফি বিয়ে করতে চায় সমাজ ও পারিবারিক বাস্তবতার বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে! মারিয়া—সুন্দর ও সাহসী এক নারী।রাফি—পঁচিশ বছরের এক যুবক।তাদের ভালোবাসা নিষিদ্ধ,বিপজ্জনক, প্রশ্নবিদ্ধ। এই উপন্যাস কোনো সাধারণ প্রেমকাহিনি নয়।এটা সাহসের গল্প,যেখানে বয়স,নৈতিকতা আর সমাজের মুখোশ খুলে যায়।যে নারী ক্ষমা চায় না,বরং নিজের জীবন নিজেই বেছে নেয়। এই উপন্যাসটি দেখানোর সাহস করে,কীভাবে একটি নিষিদ্ধ প্রেম,চাপা পাপ এবং দীর্ঘস্থায়ী আকাঙ্ক্ষাকে জাগিয়ে তোলে।এই উপন্যাস দেখায়,একটি নিষিদ্ধ সিদ্ধান্ত কীভাবে ঘুমন্ত পাপগুলোকে জাগিয়ে তোলে। এই গল্প আগুনের মতো নিঃশব্দ,কিন্তু সর্বগ্রাসী!প্রতিটি প্রেমের গল্প আলোতে শেষ হয় না,কিছু গল্প শেষ হয় ছাইতে!