

আজ গ্রহণের ফিরতে একটু দেরি হলো। সে যখন বাড়ির দোরগোড়ায় পৌঁছাল, তখন চারদিকের নিস্তব্ধতা ভেঙে এশার আজানের পবিত্র ধ্বনি প্রতিধ্বনিত হচ্ছে। রান্নাঘরে বাজারের ব্যাগ রেখে সে হাত-মুখ ধুয়ে ঘরের অভিমুখে গিয়ে কিংকর্তব্যবিমূঢ় হয়ে গেল। দৃষ্টি গিয়ে থামল মুনের ওপর—যে কিনা আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজেকে নিবিষ্ট মনে বিচার করছিল। যার জন্য অন্ধকারে দাঁড়িয়ে থাকা গ্রহণকে তার চোখে পড়ল না। অন্যদিকে গ্রহণ নিষ্প্রাণ চোখে তার উন্মত্ত আচরণ দেখছিল। মুন শাড়ির আঁচল সরিয়ে পেটের হাড় জিরজিরে চামড়া টেনে টেনে বিশ্লেষণ করছে। আর ঘৃণাভরে বলছে, “না, এখনো অনেক চর্বি বাকি আছে। প্রতি রাতে দুমুঠোর চেয়েও আমাকে বেশি খেতে হয়। তাই আমি সারাদিন না খেয়ে থাকি তবুও কেন মোটা দেখাচ্ছে আমাকে?” গ্রহণের পায়ের নিচ থেকে যেন মাটি সরে গেল। মেয়েটা এ কোন ভয়াবহ ঘোরের মধ্যে বাস করছে? মুন তখনও পুরোদমে নিজেকে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে অবলোকন করে চলেছে। গ্রহণ আর সহ্য করতে পারল না। দ্রুত পায়ে এগিয়ে গিয়ে মুনের কাঁধ ধরে নিজের দিকে ফেরাল। মুন আঁতকে উঠে শাড়ি ঠিক করে নিল। কাঁপা স্বরে বলল, “আপনি এসে গেছেন? চলুন, পড়তে বসব।” গ্রহণ মুনের জীর্ণ মুখটা হাতের আঁজলায় নিয়ে অত্যন্ত মায়াভরা কণ্ঠে বলল, “তুমি এমন ভয়ংকর আচরণ করছ কেন? কী হয়েছে তোমার? আমার জানামতে সোশ্যাল এনজাইটি এতটাও প্রাণঘাতী হতে পারে না। তোমাকে আমি সবার নজর থেকে লুকিয়ে রাখি। তারপরও কেন নিজেকে এভাবে শেষ করে দিতে উঠেপড়ে লেগেছ?” মুন তীব্র আতঙ্কে হাত সরিয়ে দিল। তার শরীর কাঁপতে শুরু করল। অকস্মাৎ হাঁটু গেড়ে গগনবিদারী চিৎকারে ফেটে পড়ল। “আমি খুব মোটা, বিশ্রী দেখতে। তাই সবাই আমার দিকে অদ্ভুত চোখে তাকিয়ে থাকে। মনে মনে আমাকে নিয়ে খারাপ মন্তব্য করে। আপনিও তো দুদিন আগে বললেন আমাকে দেখলে আপনার কষ্ট হয়। আপনি আমাকে শাস্তি দিন। আমি পারছি না আপনার পরিশ্রমের যথাযথ মূল্য দিতে।”
"অনেক সুন্দর এই গল্পটা । লেখিকা আপুর অবাধ্য হৃদস্পন্দন গল্পটি সবার আগে আমার চোখে পরে কিন্তু পর্ব বেশি হবে সময় করতে পারি নি সেটা শুরু করার কারণ শুরু করলেই কাজ সব বাদ। তবে এই গল্পের স্পয়লার দেখার পর ইবুক না কিনে থাকতে পারিনি। গল্পটি সত্যি অসাধারণ। মাঝে মাঝে এ গল্পের চন্দ্র ও গ্রহণের মতো একজন অপরিচিত ব্যক্তি কীভাবে অতিপরিচিত হয়ে উঠে আমাদের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠে।"
অনেক সুন্দর এই গল্পটা । লেখিকা আপুর অবাধ্য হৃদস্পন্দন গল্পটি সবার আগে আমার চোখে পরে কিন্তু পর্ব বেশি হবে সময় করতে পারি নি সেটা শুরু করার কারণ শুরু করলেই কাজ সব বাদ। তবে এই গল্পের স্পয়লার দেখার পর ইবুক না কিনে থাকতে পারিনি। গল্পটি সত্যি অসাধারণ। মাঝে মাঝে এ গল্পের চন্দ্র ও গ্রহণের মতো একজন অপরিচিত ব্যক্তি কীভাবে অতিপরিচিত হয়ে উঠে আমাদের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠে।
Read all reviews on the Boitoi app
আমার কাছে দারুণ লেগেছে গল্পটি🥰🥰 ভীষণ সুন্দর এই গল্পটি🌺🌷💐
অনেক অনেক সুন্দর হয়েছে সত্যি বলতে কি বলবো বুঝতে পারছি না এতোটাই ভালো লেগেছে ❤️বলার ভাষা পাচ্ছি না ❤️❤️❤️
এক কথাই অনেক অনেক ভালো লাগছে আমার কাছে
মানে just speechless😵...এত এত গল্প পড়েছি এমন দারুণ আর নতুনত্ব অন্য কোথাও পাই নি...মানে কিনে পড়লে, যে এমন অসাধারণ কাহিনি আপুর থেকে পাবো ভাবতে পারি নি। just সার্থক মনে হল, এদের romance টাও অসম্ভব সুন্দর আর শালীন ছিল। তবে hero টা কিন্ত ভালোই desperate, I like this..🙈 আর টুইস্ট এর কথা কি বলব, মামা হেব্বি জিনিস আপু ফুটিয়ে তুলছে,কাল্পনিক হলেও বাস্তবতা আছে মানতে হবে, feelings আছে, দুটা হৃদয়ের অস্থিরতা, রহস্য আছে, একটা মেয়ের সহ্য করার ক্ষমতা তাকে কতটা কঠোর বানাতে পারে তাও আছে, আর আছে সবচেয়ে বিশ্বস্ত এক পুরুষ ছায়া, আমি explain করতে পারছি না, কতটা details এ সব বলা ছিল। যার জন্য অনেক ভালো লাগল popular writers দের তুলনায় এটা।
“চন্দ্রগ্রহণের অন্তিমক্ষণ” গল্পটি এক অনন্য আবহে নির্মিত, যেখানে পূর্ণতা ও অপূর্ণতার সূক্ষ্ম দ্বন্দ্ব পাঠকের মনে গভীর ছাপ ফেলে। গল্পের চরিত্রগুলোর অনুভূতি যেন চন্দ্রগ্রহণের মতোই—একদিকে আলো, অন্যদিকে অন্ধকারে আচ্ছন্ন। ভালোবাসার আকাঙ্ক্ষা এখানে যেমন পূর্ণতার স্বপ্ন দেখায়, তেমনি বাস্তবতার নির্মমতা সেই স্বপ্নকে অপূর্ণতায় ভেঙে দেয়। বিচ্ছেদের বেদনা গল্পটির একটি শক্তিশালী দিক। লেখক অত্যন্ত সংবেদনশীলভাবে দেখিয়েছেন, কিভাবে দুটি হৃদয়ের দূরত্ব শুধুমাত্র শারীরিক নয়, মানসিকও হয়ে ওঠে। সেই সঙ্গে রোমান্টিক আবহ গল্পটিকে কোমলতা দিয়েছে, যা পাঠককে আবেগে জড়িয়ে রাখে। ভালোবাসার মুহূর্তগুলো ক্ষণস্থায়ী হলেও তার গভীরতা দীর্ঘস্থায়ী। গল্পের সাসপেন্স ধীরে ধীরে তৈরি হয়, যা পাঠককে শেষ পর্যন্ত আগ্রহ ধরে রাখতে সাহায্য করে। প্রতিটি মোড়ে এক ধরনের অজানা আশঙ্কা কাজ করে, যা শেষ পর্যন্ত এক মর্মান্তিক ট্রাজেডির দিকে নিয়ে যায়। এই ট্রাজেডি হঠাৎ নয়, বরং ধীরে ধীরে নির্মিত—যা গল্পটিকে আরও বাস্তব ও হৃদয়স্পর্শী করে তোলে। পরিশেষে, গল্পটি “পাওয়া” এবং “না-পাওয়া”-র এক মিশ্র অনুভূতি উপস্থাপন করে। কিছু অনুভূতি পূর্ণতা পায়, আবার কিছু চিরঅপূর্ণ থেকে যায়—যেমন একটি চন্দ্রগ্রহণ শেষে চাঁদ আবার আলো ফিরে পায়, কিন্তু সেই অন্ধকারের স্মৃতি থেকে যায়। সব মিলিয়ে, “চন্দ্রগ্রহণের অন্তিমক্ষণ” একটি আবেগঘন, সাসপেন্সপূর্ণ এবং ট্র্যাজিক রোমান্টিক গল্প, যা পাঠকের মনে দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলে।আমার খুবই পছন্দ হয়েছে।
গল্পটা এতো দারুণ ছিল বলার বাহিরে🥰. একদম আদুরে আদুরে তবে আমি চঞ্চল আয়ান আর তার বউ ফাবিহার কিছু মুহূর্ত আশা করেছিলাম 🥺.. গ্রহণ এর মুন এর জন্য নিস্বার্থ ভাবে এতো কিছু করা সত্যিই এটা অভাবনীয় ছিলো পরিশেষে এটাই বলবো গ্রহণ যদি এতো সুমিষ্ঠ হয় তবে প্রতিটা মেয়ের জীবনে এমন গ্রহণ লাগুক 🥰🥰
আমার প্রথম ই- বুক এটা। সোফিয়া সাফা আপুর গল্প মানেই অসাধারণ তাই না পড়ে থাকতে পারলাম না। সত্যি বলতে গল্পটা অনেক ভালো লেগেছে।
Alada type ar akta golpo, and ate onno rrokom akta valo laga kaj korshe