

“কি হলো?” বেলা আলতো হেসে বলল, “চোখের পলকে সময়ের পরিবর্তন হলো।” “তাতে কি? তোর বেয়াদবি তো আর কমেনি। আস্ত বেয়াদবটাই রয়ে গেলি।” নাকের পাটা ফুলিয়ে বলল বেলা, “কি করলাম?” “শালটা ফাঁকা করে রেখেছিস কেন? ভালো করে জড়িয়ে দে। ঠাণ্ডা বাতাস ঢুকছে।” এক শালের নিচে তারা। ঘাড়ের দিকে লম্বাভাবে নেওয়া। সামনের দিকে ইচ্ছাকৃত অনেকটা খোলা রেখেছে বেলা। এত মানুষের সামনে কি আর একেবারে ঢেকে নেওয়া যায়? শরমের ব্যাপার না! বেলা গরম চোখে তাকাল দিগন্তের দিকে। চাপা গলায় আওড়াল, “আপনি একটা পাগল লোক।” ক্ষণকাল পর বেলার কানের অতি নিকটে নড়ে উঠল দিগন্তের ওষ্ঠজোড়া— “বসন্তের পর বসন্ত আসুক, এক ফাগুন ঘুরে আরেক ফাগুনের আগমন ঘটুক, তারা স্ব-চক্ষে দেখে যাক—ভালোবাসার প্রতিটা বসন্তবরণে তোর আমার মতো, নিত্য-নতুনভাবে জন্মাচ্ছে অজস্র দিগন্ত–বেলার প্রেমান্দোলন।”
"ভাই এই ই-বুকটা এত্ত কিউট ছিলো কি বলবো। আমার ভীষণ ভালো লাগে এই চরিত্রদের নিয়ে গল্প, ই-বুক পড়তে। তোমার লেখার হাত দারুণ আপু। বরাবরের মতো এটাও সুন্দর ছিলো🖤🫶"
অনেক সুন্দর হয়েছে
Read all reviews on the Boitoi app
ভাই এই ই-বুকটা এত্ত কিউট ছিলো কি বলবো। আমার ভীষণ ভালো লাগে এই চরিত্রদের নিয়ে গল্প, ই-বুক পড়তে। তোমার লেখার হাত দারুণ আপু। বরাবরের মতো এটাও সুন্দর ছিলো🖤🫶
অনেক সুন্দর লেগেছে ‘দিগন্তবেলার প্রেমান্দোলন’। আমি ২ দিনে এই গল্প পড়ে শেষ করেছি।🤧 ফেসবুকে পড়ার পর যখন জানতে পারলাম এটার ৩য় খন্ড আছে তখন আর দেরি সইছিল না। তাই তাড়াতাড়ি কিনে নিলাম। অনেক অনেক ভালো লেগেছে দিগন্ত আর বেলার এই প্রেমকথন। যদিও ফাহাদকে আমি সবচেয়ে বেশি মিস করেছি। অন্য কোন গল্পে কি ফাহাদ আর দিশা কে একসাথে করা যায় না আপু?!!🥺 ওদের নিয়ে একটা জুটি হলে মন্দ হয় না কিন্তু! আর হ্যাঁ, মন খুলে, গুছিয়ে হয়তো সব কথা প্রকাশ করতে পারিনি। তারপরও আমার মনে হয়েছে একদমই কিছু না বললেই নয়। তোমার জন্য অনেক ভালোবাসা আপু।❤️❤️