

পুরুষের চাহিদা আগে নাকি ভালোবাসা? এই সত্যটা কখনো উদ্ঘাটন করতে চেয়েছেন? কখনো কখনো পুরুষের আদিম চাহিদা তাদের পবিত্র ভালোবাসার কাছে খুব বাজেভাবে মুখ থুবড়ে পড়ে। তেমনটাই হয়েছিল গল্পে অরুণি নামক এক হতভাগী প্রেমিকার সাথে। অরুণির পাগলাটে প্রেমিক স্বামী তুষার তারই অগোচরে তনয়া নামক এক সুশ্রী কমবয়সী মেয়েকে বিয়ে করে কেবল যৌনলিপ্সা নিবারণের তৃষ্ণায়। বলা বাহুল্য, তনয়া নামক এতিম মেয়েটিও তুষারের অতীত এবং অরুণি সম্পর্কে সম্পূর্ণ অজ্ঞাত ছিল। কী হয়েছিল পরবর্তীতে তুষার, তনয়া আর অরুণির জীবনে? জানতে হলে সম্পূর্ণ পড়ুন "অরুণির আত্মজীবনী।"
"এই গল্পটা একটা বাস্তব অভিজ্ঞতা র রুপ ।একজন নারীর জীবনের সবচেয়ে কাছের মানুষ স্বামী আর তার কাছ থেকে পাওয়া ধোঁকা একটা মেয়েকে যে কোথায় নিয়ে যায় তা আমি জানি এইজন্যই এই ইবুক টা পড়ার অপেক্ষায় ছিলাম।অরুনীর পরবর্তী পদক্ষেপ জানতে কারন অনেক সময় নিজের সন্তানের জন্য মা যা এইসব মেনে নিয়ে সংসার করে যায় যা আমার ব্যক্তিগত ভাবে ভিষনখারাপ লাগে ।একটা মেয়েও নিজে চাইলে একা নিজের সন্তানের লালন পালন করতে পারে তার জন্য এরকম স্বামীর ঘর করার প্রয়োজন নেই যে তাকে ভুলে একবার হলেও বেঈমানি করার পর বেছে নিয়েছে এখানে তুষার মোটেও অসহায় ছিল না। আর এটা মেনে না নিয়ে অরনী আমার কাছে এই গল্পের হীরো হয়ে গেছে।"
Osadharon laglo ❤️❤️❤️❤️
Read all reviews on the Boitoi app
ভালো লেগেছে, তনয়ার পার্টটা আরেকটু জানতে ইচ্ছে করেছিলো।অরুণির সংগ্রাম,আত্নসন্মানবোধ ভালো ছিলো। তনয়ার জন্য কেন জানি আফসোসটা বেশি লাগলো। কারণ দিনশেষে অরুণি একটা পরিবার আর সংসার পেলেও তনয়া শূন্যই রয়ে গেলো। বেশকিছু ভুল ছিলো ফিজিক্যালকে অনেক জায়গায় পিজিক্যাল লেখা হয়েছে। এমন আরও কিছু টাইপো আছে। সবমিলিয়ে এন্ডিং টা ভালো ছিলো।
আরেকটু সুন্দর করে লিখলে আরো ভালো লাগতো।
অরুনী আর তনয়া খুব ঠকে গেছে তুষারের কাছে নয় ওর কাপুরুষ মনের চাহিদার কাছে। ভালো লেগেছে যে তুষার নিজের ভুল বুঝতে পেরেছে কিন্তু ও ভুল ছিলো ও অরুনী কে ভালোইবাসেনি আলোবাসলে কখনো ঠকাতে পারতো না। তুষার আর তনয়া মরে গিয়ে বেচে গেছে কিন্তু অরুনী অনেক দীর্ঘ সময় একা কষ্ট পেয়েছে আবরার ওর জীবিনে আরো আগে আসলে ভীষণ ভালো হতো।
এই গল্পটা একটা বাস্তব অভিজ্ঞতা র রুপ ।একজন নারীর জীবনের সবচেয়ে কাছের মানুষ স্বামী আর তার কাছ থেকে পাওয়া ধোঁকা একটা মেয়েকে যে কোথায় নিয়ে যায় তা আমি জানি এইজন্যই এই ইবুক টা পড়ার অপেক্ষায় ছিলাম।অরুনীর পরবর্তী পদক্ষেপ জানতে কারন অনেক সময় নিজের সন্তানের জন্য মা যা এইসব মেনে নিয়ে সংসার করে যায় যা আমার ব্যক্তিগত ভাবে ভিষনখারাপ লাগে ।একটা মেয়েও নিজে চাইলে একা নিজের সন্তানের লালন পালন করতে পারে তার জন্য এরকম স্বামীর ঘর করার প্রয়োজন নেই যে তাকে ভুলে একবার হলেও বেঈমানি করার পর বেছে নিয়েছে এখানে তুষার মোটেও অসহায় ছিল না। আর এটা মেনে না নিয়ে অরনী আমার কাছে এই গল্পের হীরো হয়ে গেছে।
অরুণি, আবরার, তুষার, তনয়া—-গল্পটা ভালো লেগেছে তবে দুটো শব্দ ভুল বা টাইপো হয়েছে, ফিজিক্যাল না হয়ে পিজিকেল আর অপত্নীক!
অসাধারণ একটি বই খুবি ভালো লেগেছে আপু
অরুণীর জীবন থেকে শিক্ষা নেওয়া উচিত আমাদের
মাশাআল্লাহ,, অসাধারণ সুন্দর একটি ভালবাসার ভিন্নধর্মী গল্প,,, যেখানে নিঃস্বার্থ ভালোবাসা ও আছে,, আবার ভালবাসার আড়ালে প্রতারণা ও আছে,,,তবে লেখিকা তার লেখনির জাদুতে কাহিনী তে এক ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছেন,,আর এটাই এই গল্পের চূড়ান্ত সার্থকতা,,, একেবারে পয়সা উসুল করা কাহিনী,,, অনেক শুভকামনা ও দোয়া রইলো
গল্পটা চমৎকার ।অরুণি,তনয়া দুইজন নারী বাজেভাবে ঠকে গেছে তুষার নামক কাপুরুষের প্রতারণায় ।সবচেয়ে ভাল লেগেছে তুষার বুঝতে পেরেছে,স্বীকার করেছ শারীরিক চাহিদার কাছে পরাজিত হয়ে তনয়াকে বিয়ে করেছে ।তবে তুষারের আত্নহত্যা সবচেয়ে সহজ শাস্তি হয়ে গেছে ।এই লোকটার বেঁচে থেকে আরো কষ্ট পেলে ভাল লাগত ।তনয়া ও মরে গিয়ে বেঁচে গিয়েছে ।অরুণি সারাজীবণ কষ্ট পেয়েছে ।