

"নিষিদ্ধ জিনিসের প্রতি আমাদের অবাধ্য টান, তাই তোমার আমাকে ভালো লাগে, মিস ঐশ্বরী।" রৌদ্দুরের শীতল কণ্ঠে অবাক হলো শুভ্রতা। চোখ বন্ধ রেখেই আবার সুধাল সে; "আজকাল আপনার কণ্ঠস্বরও আমি হ্যালুশিনেট করি? কবে এত পাগল হলাম?" "প্রেমে পড়তে বুঝি দিন-তারিখ দেখতে হয়?" "কিন্তু আপনি তো আমার প্রেম দেখেও দেখেন না, মিলিটারি সাহেব। ভালোবাসি বললে থাপ্পড় দেন।" রৌদ্দুর এবার শুভ্রতার সামনের চেয়ারটা টেনে বসল। হাত বাড়িয়ে আলতো করে টোকা দিল শুভ্রতার কপালে। ব্যথায় জায়গাটা চেপে ধরল শুভ্রতা।
"রৌদ্দুর এর প্রতি শুভ্রতার এতো বিশ্বাস, ভালোবাসা দেখে আমি পুরোই মুগ্ধ 😍 মেয়েটা যে শুধুমাত্র ভালোবাসি শোনার অপেক্ষা করেও নিজের প্রতি বিশ্বাস রেখেছে, উপর ওয়ালার প্রতি বিশ্বাস রেখেছে যে তাঁর মেজর সাহেব একদিন না একদিন ঠিক তাকে ভালোবাসবেই, শুভ্রতাকে আপন করে কাছে টেনে নিবেই....এই দিক টা বেস্ট ছিলো😊 সত্যি বলতে ফেসবুকে রৌদ্দুর শুভ্রতার এতো সুন্দর ভালোবাসার সম্পর্কটা মিল না হওয়াতে মন টা খুব খারাপ ছিলো, গল্পের শেষটা কেন জানি মেনে নিতেই পারছিলাম না 🥺 তবে trust me নবনিতা আপু.... ই-বুকটা পড়ে এখন খুব ভালো লাগছে... মনে হচ্ছে অবশেষে সব ঝড় ঝাপটা পেড়িয়ে রৌদ্দুর শুভ্রতার মিল হলো ওদের ভালোবাসার পূর্ণতা পেয়েছে ❤️🥹 Thank you so much Navnita Apu😊 ই-বুকটা খুব অসাধারণ লেগেছে 😊"
অনেক চমৎকার একটি ভালোবাসার গল্প। লেখিকার লেখা ভালো লেগেছে। আরো লেখনীর অপেক্ষায় থাকলাম।
Read all reviews on the Boitoi app
(যে জন প্রেমের ভাব জানে না) ই বুকটা পড়ে, প্রথমেই আমি সত্যি ভাবছিলাম রুদ্রর থাপ্পর খাওয়ার পর শুভ্রতা একদম সিনেমাটিক অভিমান করে কয়েক বছর উধাও হয়ে যাবে 😭 তারপর হঠাৎ একদিন বৃষ্টির রাতে দেখা হবে, ব্যাকগ্রাউন্ডে দুঃখের গান বাজবে এই টাইপ কিছু একটা! কিন্তু নাaaa… আপনি যে এত সুন্দর, এত কিউট আর এত মায়াভরা ভাবে গল্পটা এগিয়ে নিলেন, আমি একদম অবাক হয়ে গেছি। আর শুভ্রতা আর রুদ্রর কথোপকথনগুলো? আল্লাহ! এত ন্যাচারাল, এত মিষ্টি লাগছিল যে মনে হচ্ছিল এরকম যদি একটা মেজর সাহেব আমারও থাকতো😭 একেকটা দৃশ্য পড়তে পড়তে এমন অবস্থা হয়েছিল যে আমি পুরো গল্পের ভিতর ঢুকে গেছিলাম। সত্যি বলছি, আমার আম্মু পাশে বসে বলতেছিল, ঢুকে যা ফোনের ভিতর একেবারে সারাদিন স্কুলের বই পড়ে না, ফোনের মধ্যেই ঢুকে যাইতাছে! ঢুকে যা! আর আমি মনে মনে বলতেছিলাম, আম্মু একটু চুপ করো। এই ই-বুকটার সবচেয়ে সুন্দর জিনিস কি জানেন? এখানে ভালোবাসাটা জোর করে না, খুব আস্তে আস্তে, মায়া দিয়ে, ছোট ছোট মুহূর্ত দিয়ে তৈরি হয়েছে। রুদ্রর রাগ, শুভ্রতার অভিমান, আবার সেই কেয়ার… উফফফ! এই জিনিসগুলো এত সুন্দরভাবে লিখেছেন যে চরিত্রগুলোকে fictional মনে হয় নাই। মনে হচ্ছিল এরা সত্যিই কোথাও আছে। 🥹 আর একটা কথা… অনেক গল্পেই শুধু dramatic scene থাকে, কিন্তু এই গল্পে cute moment গুলো এত সুন্দর ছিল যে বারবার হাসি চলে আসছিল। এমনও হয়েছে আমি একা একা ফোনের দিকে তাকিয়ে হাসতেছি ।তারপর আম্মু সন্দেহের চোখে তাকাইছে যেন আমি প্রেম করতেছি। 🤣 গল্পটা পড়তে গিয়ে কখন যে সময় চলে গেছে বুঝতেই পারিনি।এই ধরনের গল্প খুব কম পাওয়া যায় যেটা শেষ হওয়ার পরও মনে থাকে। এই গল্পটা শেষ করার পর মনে হল আরেকটু থাকলে কি হইত?🥹
অসাধারণ
রৌদ্দুর এর প্রতি শুভ্রতার এতো বিশ্বাস, ভালোবাসা দেখে আমি পুরোই মুগ্ধ 😍 মেয়েটা যে শুধুমাত্র ভালোবাসি শোনার অপেক্ষা করেও নিজের প্রতি বিশ্বাস রেখেছে, উপর ওয়ালার প্রতি বিশ্বাস রেখেছে যে তাঁর মেজর সাহেব একদিন না একদিন ঠিক তাকে ভালোবাসবেই, শুভ্রতাকে আপন করে কাছে টেনে নিবেই....এই দিক টা বেস্ট ছিলো😊 সত্যি বলতে ফেসবুকে রৌদ্দুর শুভ্রতার এতো সুন্দর ভালোবাসার সম্পর্কটা মিল না হওয়াতে মন টা খুব খারাপ ছিলো, গল্পের শেষটা কেন জানি মেনে নিতেই পারছিলাম না 🥺 তবে trust me নবনিতা আপু.... ই-বুকটা পড়ে এখন খুব ভালো লাগছে... মনে হচ্ছে অবশেষে সব ঝড় ঝাপটা পেড়িয়ে রৌদ্দুর শুভ্রতার মিল হলো ওদের ভালোবাসার পূর্ণতা পেয়েছে ❤️🥹 Thank you so much Navnita Apu😊 ই-বুকটা খুব অসাধারণ লেগেছে 😊