

পাত্রের সাথে একান্তে কথা বলার সুযোগ হতেই রূপশা বলে উঠল, “শুনেন মশাই, আমার প্রথম শর্ত— রোজ মশারি কিন্তু আপনাকেই টানাতে হবে।” এ কথায় পাত্রের মুখটা হা হয়ে গেল। তার চোয়াল যেন এখনই ঝুলে পড়বে। বোঝা যাচ্ছে, এ কথা সে আশা করেনি। করার কথাও না। কোনো মেয়ে প্রথম সুযোগেই এ কথা বলতে পারে— তা কারওই মাথায় আসবে না। আসেনি দিব্যর বন্ধুদেরও। এমনিতেই বিয়ের বিষয়ে ও ভীষণ নার্ভাস। আসার পূর্বে বন্ধুদের বেশ কবার কল করেছে। বন্ধুরা বলেছে, “আরে, এসব কোনো ব্যাপার হলো নাকি? শোন দিব্য, বিয়ের পাত্রীরা একটু চুপচাপই হয়। শুরুতেই কথার জাদুতে তাদের কাবু করতে হয়। আর যদি দস্যি হয়েও যায়, তবে এমন ভাব ধরবি যেন ওর দস্যিপানা তোর কাছে দুধভাত।” দিব্য হুঁ-হাঁ করে এসেছিল। ভেবেছিল আজ একটা যুদ্ধ জয় হবেই। কিন্তু পাত্রী যে এতটা দস্যি হবে, তা ওর ধারণাতেও ছিল না।
"মিস্টার পাওনাদার আর দস্যি মেয়ের কাহিনীটা এত্ত সুন্দর 🥹 অনেক ভালো লেগেছে গল্পটা আপু, ভালোবাসা আর শুভকামনা রইলো আগামীর জন্য, এভাবেই দারুণ দারুণ সব লেখনী আমাদের উপহার দিও 💖"
মিস্টার পাওনাদার আর দস্যি মেয়ের কাহিনীটা এত্ত সুন্দর 🥹 অনেক ভালো লেগেছে গল্পটা আপু, ভালোবাসা আর শুভকামনা রইলো আগামীর জন্য, এভাবেই দারুণ দারুণ সব লেখনী আমাদের উপহার দিও 💖
Read all reviews on the Boitoi app
বলার ভাষা নাই গল্পটা এত্ত সুন্দর😫। তোমার লেখা বেস্ট গল্প এইটা আপু🖤। এত ছোটো গল্প হওয়া সত্তেও পড়ে সম্পূর্ণ মনে হয়েছে। আমার মনটাই ভালো হয়ে গেল 'পাওনাদার' আর তার 'রূপ' এর পূর্ণতার গল্প পড়ে😫🖤✨