

আসলিহা, একটি সাধারণ মেয়ে। স্বভাবে শান্ত, আচরণে সহনশীল, দেখতে কমনীয় আর ভারী সুশ্রী। কর্মজীবী মা পেশা আর পকেটের উন্নতির ধান্ধায় কিশোরী আসলিহাকে প্রতিবেশিনীর বাড়িতে বর্গা রেখে কাজে যান। দুর্ঘটনাও সুযোগ পেয়ে যায় আসলিহাকে ছোঁয়ার। শুরু হয় আসলিহার জীবনের কঠিনতম অধ্যায়। সৌভাগ্যবশত স্বামী হিসেবে একজন নিখাদ প্রেমিককে পেয়ে যায় আসলিহা। কিন্তু কেবল প্রেম দিয়েই প্রেমিকাকে বাঁচানো যায় না। প্রয়োজন মানসিক শক্তি আর সামাজিক সামর্থ্য। এই দুটোর অভাব আসলিহাকে নিরাপদ পরিবেশেও অনিরাপদ করে তোলে। আসলিহার জীবনের কঠিনতম বাঁকগুলো জানতে চাইলে পড়ুন আসলিহা।
"আপুর এই উপন্যাস টা পড়ে আমি ১৯-২০/২১/২২ এ আপুর উপন্যাস থেকে যেমন ভাইব টা পেতাম তেমন ভাইব টা পেয়েছি। রিসেন্ট উপন্যাস গুলো পড়লে যেনো মনে হতো কিজানি মিসিং। কাহিনীর শুরুতে সাহেদ এর উপর রাগ উঠলেও পরে দিয়ে আপু পুষিয়ে দিয়েছে, গল্পের সবচেয়ে ভালো লাগার চরিত্র রাশেদ। খুবই ম্যাচিউর একটা চরিত্র, কিছু কিছু জায়গায় আসলিহার উপর খুবই বিরক্ত লাগছিল, কারণ মেয়েদের হাংলামো আমার ভালো লাগেনা বিশেষ করে আসলিহা যেভাবে মিলন কে ট্রাস্ট করেছে এভাবে মেয়ে হয়ে ছেলেদেরকে ট্রাস্ট করা একদমই উচিৎ না। সাহেদের পরিবার টা পড়লেই মনে হবে যে এটাই সমাজের বাস্তব চরিত্র। লোভে মানুষ কতটা নিচে নামতে পারে যে একটা মেয়ে কে বিক্রি করে দিতেও দুইবার চিন্তা করে না, মেয়েদের সম্ভ্রমহানি করে লোভের বর্ষবর্তি হয়ে। ওভারঅল রেটিং 4/5"
অসাধারন লাগছে।
Read all reviews on the Boitoi app
এক কথায় অসাধারণ
আগের গুলোর মতই গল্পটা বেশ ভালো তবে সময়ের তথ্য গুলোতে বেশ গরমিল আছে। আমি ঠিক বুঝলাম না... মোটামুটি আপনার প্রতিটি গল্পে সময় সংক্রান্ত গরমিল দেখা যায়... যা গল্প কে বুঝতে সমস্যা সৃষ্টি করে। আমার মনে হয় আরও ডিটেইলস এ প্রুফ দেখা উচিত।
আপুর এই উপন্যাস টা পড়ে আমি ১৯-২০/২১/২২ এ আপুর উপন্যাস থেকে যেমন ভাইব টা পেতাম তেমন ভাইব টা পেয়েছি। রিসেন্ট উপন্যাস গুলো পড়লে যেনো মনে হতো কিজানি মিসিং। কাহিনীর শুরুতে সাহেদ এর উপর রাগ উঠলেও পরে দিয়ে আপু পুষিয়ে দিয়েছে, গল্পের সবচেয়ে ভালো লাগার চরিত্র রাশেদ। খুবই ম্যাচিউর একটা চরিত্র, কিছু কিছু জায়গায় আসলিহার উপর খুবই বিরক্ত লাগছিল, কারণ মেয়েদের হাংলামো আমার ভালো লাগেনা বিশেষ করে আসলিহা যেভাবে মিলন কে ট্রাস্ট করেছে এভাবে মেয়ে হয়ে ছেলেদেরকে ট্রাস্ট করা একদমই উচিৎ না। সাহেদের পরিবার টা পড়লেই মনে হবে যে এটাই সমাজের বাস্তব চরিত্র। লোভে মানুষ কতটা নিচে নামতে পারে যে একটা মেয়ে কে বিক্রি করে দিতেও দুইবার চিন্তা করে না, মেয়েদের সম্ভ্রমহানি করে লোভের বর্ষবর্তি হয়ে। ওভারঅল রেটিং 4/5