

তাহজিব শাখাওয়াত—শুধু একটি নাম নয়, বরং চলতি-ফিরতি এক ব্র্যান্ড। দেশের প্রথম সারির দশজন ব্যবসায়ীর নাম যখন উচ্চারিত হয়, তখন সেই তালিকায় ‘শাখাওয়াত গ্রুপ’-এর নাম অবশ্যই উল্লেখ থাকে। আর এই বিশাল সাম্রাজ্যের একমাত্র উত্তরাধিকারী এই তরুণ উদ্যোক্তা তাহজিব শাখাওয়াত। ক্ষমতা, অর্থ, আধিপত্য—এসবই শিখেছে সে। ভালোবাসা নয়, কেবল ‘হাসিল’ করাই তার অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। হয়তো টাকায়, নয়তো দেহের জোরে। সে নারীদের কিনে নিয়েছে বারবার—একের পর এক রূপবতী মেয়ে… কেবল এক রাতের জন্য। তারপর? একটি মুখের দিকেও সে আর ফিরে তাকায়নি। তবে… আজকের দিনটা তার সবকিছু কেমন ওলটপালট করে দিয়েছে। একটা মিষ্টি মেয়ে—যার চোখে ভয় ছিল, কিন্তু সাহসও। যার ঠোঁট ছিল সুন্দর, গোলাপের পাপড়ির মতো কোমল। কিন্তু ভাষা ছিল একদম আদুরে। তার মুখে ছিল বাচ্চাদের মতো সরলতা, অথচ আচরণে পরিণত ভারসাম্য।
"Obsessed with you. বলতে গেলে অসমবয়সী এক ভালোবাসার গল্প। অসমবয়সী ভালোবাসার গল্প গুলো পড়তে ভালো লাগে, যদি সেটা হয় ম্যাচিউর, সাবলীল, মার্জিত লেখার। এটা তেমন ই। তাহজিব-সাহিফা! এদের বয়সের তফাত বেশ অনেক। তবুও দু'জন এর মধ্যের বোঝাপড়া টা সুন্দর ছিলো। সাহিফা বয়সের তুলনায় বেশ নরম তবে ম্যাচিউর। যেকোনো পরিস্থিতিতে নিজেকে দারুণ ভাবে মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা টা মুগ্ধ করেছে। তাহজিব! মাঝে মাঝে এর ওপর রাগ হয়েছে তার অতীতে করা কর্মের জন্য। তবে জন্ম থেকেই কেউ খারাপ হয় না, সময় আর পরিস্থিতি তাকে ভালো-খারাপ দু'টো ই বানায়। আর তাহজিডের ক্ষেত্রেও তাই হয়েছে। তবে! অতীতকে পেছনে ফেলে যে তাহজিব নিজেকে কোনো একজনের মায়ায় আঁটকে রাখছে, একজনের মাঝে ই নিজের সুখ-দুঃখ খুঁজে নেওয়ার আপ্রাণ চেষ্টা করেছে এটা ভালো লেগেছে। সাহিফার প্রতি তাহজিবের ভালোবাসা, সম্মান, যত্ন কোনোটাই কম ছিলো না, আর না ছিলো কোনো ছলনা। হামিদ শাখাওয়াত, শিউলি ফুফু! এই দুই চরিত্র অসাধারণ ছিলো। আহান চরিত্র টাও দারুণ লাগছে। বিলাল শাখাওয়াতের জন্য সত্যিই বড় আফসোস হচ্ছে। যদি একটু শক্ত হতো তাহলে হয়তো তাদের গল্প টা অন্যরকম হতো। কিন্তু ভাগ্যের লিখন বড়ই অদ্ভুত। ফারহাদ চৌধুরীর শাস্তি টা আরেকটু কঠিন হলে ভালো লাগতো। অতএব! গল্প টা দারুন লাগছে।"
অনেক সুন্দর ছিলো। ওদের কে আবার চাই আপু।
Read all reviews on the Boitoi app
Obsessed with you. বলতে গেলে অসমবয়সী এক ভালোবাসার গল্প। অসমবয়সী ভালোবাসার গল্প গুলো পড়তে ভালো লাগে, যদি সেটা হয় ম্যাচিউর, সাবলীল, মার্জিত লেখার। এটা তেমন ই। তাহজিব-সাহিফা! এদের বয়সের তফাত বেশ অনেক। তবুও দু'জন এর মধ্যের বোঝাপড়া টা সুন্দর ছিলো। সাহিফা বয়সের তুলনায় বেশ নরম তবে ম্যাচিউর। যেকোনো পরিস্থিতিতে নিজেকে দারুণ ভাবে মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা টা মুগ্ধ করেছে। তাহজিব! মাঝে মাঝে এর ওপর রাগ হয়েছে তার অতীতে করা কর্মের জন্য। তবে জন্ম থেকেই কেউ খারাপ হয় না, সময় আর পরিস্থিতি তাকে ভালো-খারাপ দু'টো ই বানায়। আর তাহজিডের ক্ষেত্রেও তাই হয়েছে। তবে! অতীতকে পেছনে ফেলে যে তাহজিব নিজেকে কোনো একজনের মায়ায় আঁটকে রাখছে, একজনের মাঝে ই নিজের সুখ-দুঃখ খুঁজে নেওয়ার আপ্রাণ চেষ্টা করেছে এটা ভালো লেগেছে। সাহিফার প্রতি তাহজিবের ভালোবাসা, সম্মান, যত্ন কোনোটাই কম ছিলো না, আর না ছিলো কোনো ছলনা। হামিদ শাখাওয়াত, শিউলি ফুফু! এই দুই চরিত্র অসাধারণ ছিলো। আহান চরিত্র টাও দারুণ লাগছে। বিলাল শাখাওয়াতের জন্য সত্যিই বড় আফসোস হচ্ছে। যদি একটু শক্ত হতো তাহলে হয়তো তাদের গল্প টা অন্যরকম হতো। কিন্তু ভাগ্যের লিখন বড়ই অদ্ভুত। ফারহাদ চৌধুরীর শাস্তি টা আরেকটু কঠিন হলে ভালো লাগতো। অতএব! গল্প টা দারুন লাগছে।
গল্পটা খুব সুন্দর হয়েছে আপু। তোমার গল্প সবসময় বেস্ট হয়। তুমি এখন পর্যন্ত যতো ধরনের গল্প লিখো সব গল্প সুন্দর হয়। তোমার গল্পের প্লটগুলো একদম অন্যরকম হয়