

রাফিনের মা একটু পরপর মূর্ছা যাচ্ছেন। রাফিনের দাদী সুর করে কাঁদছেন। কেউ খেয়াল করছে না। খেয়াল করলে দেখতে পেত যে ভদ্রমহিলার চোখ দিয়ে পানি পড়ছে না। কে যেন এক গ্লাস পানি রাফিনের দাদীকে খেতে দিল। এক চুমুক খেয়েই চিৎকার করে বলল, 'ওরে হারামির দল, খালি পানি দিছস ক্যান? এক কাপ চা অন্তত দিতে পারিস। বাড়িতে কী মানুষ মরছে যে খাওন বন্ধ! বেশি করে চিনি দিয়ে এক কাপ চা দে।' রাফিন এখনো এসে পৌঁছায়নি। রাফিন পৌঁছালেই সব সমস্যার সমাধান হবে। মেয়েটার একটা গতি হবে। রাফিনের মা একটু সুস্থ হয়ে একজনকে ডাকল। ডেকে বলল, 'তোমরা ভাত রান্ধো, মুরগির তরকারি করো। ঝাল কম দাও। রাফু আইসা খাবে কী!' একজন চাচী গোছের মহিলা মুখ ঝামটা দিয়ে বলে উঠল, 'ঢঙ্গে বাঁচে না! পোলায় কম্পিউটার দিয়া বিদেশি মাইয়া পটায়ে বাড়িতে আনছে, তাগো ঢং দ্যাখো! হুহ! মুরগির শালুন! আমার পোলা অমন করলে মরিচ ভর্তাও দিতাম না।' সানফ্রান্সিসকো থেকে ফ্লোরিনা কেন এসেছে, এই রহস্যের সমাধান করতে মরিয়া বনফুল গলির ভূঁইয়া পরিবার। ফ্লোরিনা রাফিনকে ভালোবেসেই বাংলাদেশে এসেছে নাকি অন্য কোনো রহস্য! মিথ্যের আড়ালে লুকিয়ে আছে গভীর রহস্য। পরিবার, প্রেম, জেদ আর ভালোবাসার এক আখ্যান নিয়ে রচিত—'ডিসেম্বর ইন মেমোরিজ'।
"বাবা মায়েদের ভুলের হিসাব চুকাতে হয় সন্তানদের। সেই প্রায়শ্চিত্ত করলো ফ্লোরিনা, রিপেল, আপেল। মাঝখান থেকে পূর্বাশা বলির পাঠা হলো। অসাধারণ ভাবে এসব বিষয়গুলো ফুটিয়ে তুলেছেন লেখক। শুভেচ্ছা আপনাকে।"
বাবা মায়েদের ভুলের হিসাব চুকাতে হয় সন্তানদের। সেই প্রায়শ্চিত্ত করলো ফ্লোরিনা, রিপেল, আপেল। মাঝখান থেকে পূর্বাশা বলির পাঠা হলো। অসাধারণ ভাবে এসব বিষয়গুলো ফুটিয়ে তুলেছেন লেখক। শুভেচ্ছা আপনাকে।
Read all reviews on the Boitoi app
প্রিয় লেখক, আপনার লেখার আমি প্রথম সারির একজন ভক্ত। আপনার প্রকাশিত ২৬টাই-বুকের ২২টা বই আমার সংগ্রহে আছে এবং পড়া। এর প্রায় সবগুলো বই আমার একাধিক বার পড়া । আপনার লেখা আমার কতটা প্রিয় বলে বা লিখে বোঝাতে পারবো না। আপনার লেখনী আরো সমৃদ্ধশালী হোক, আপনার লেখনীর মাধ্যমে আপনি বিশ্বব্যাপী জনপ্রিয় হোন এই দোয়া রইল। আপনার উত্তর উত্তর সাফল্য কামনা করি।ধন্যবাদ লেখক। অসংখ্য অসংখ্য ধন্যবাদ। আরো একটি কথা, মেমোরিজ ইন ডিসেম্বর গল্পটির দ্বিতীয় খন্ড কবে পাবো? এই আশায় রইলাম।
দারুন লাগছে।আপু দ্বিতীয় খন্ডটা তাড়াতাড়ি নিয়ে আসুন।রাফিন ফ্লোরিনা,পূর্বাশা,রিপেল,নীলিশাদের পড়তে চাই।
আপুর গল্প মানেই অসাধারন আপনার হাতের যাদু দিয়ে দ্রুত ২য় খন্ড লিখে ফেলুন আমার যে তর সইছে নাহ রাফিনের ভুইয়া বাড়ি থেকে শেষ যাওয়া এটা পড়ে একটা ধাক্কা খেলাম অনেক অনেক শুভকামনা রইলো আপু
ভালো লেগেছে অনেক।১ম খন্ডের রেশ মাথায় থাকতেই ২য় খন্ড আসলে ভালো হয়। শুভ কামনা লেখিকার জন্য।
একান্নবর্তী পরিবারের সদস্যদের নিয়ে এত সুন্দর একটি উপন্যাস। গল্পটি পড়ে ফ্লোরিনার জন্য মায়া না হওয়াটা অসম্ভব ব্যাপার। পূর্বা, রাফিন আর তাশরিফাকে খুব ভালো লেগেছে। আর এই গল্পের সবচেয়ে বড় পাওয়া গল্পের মানুষগুলোর অনুভূতিগুলো যা পাঠকের কাছে খুব সহজেই পৌঁছে যায়। পরবর্তী খণ্ডটা খুব তাড়াতাড়ি আসবে এই প্রিয় চরিত্রগুলোকে নিয়ে - এই আশাতেই রইলাম। অনেক শুভকামনা প্রিয় লেখিকার জন্য। ❤️
অসম্ভব ভালো লাগলো গল্পটা পড়তে।।তাশরিকা খুবই ডিসেন্ট এবং ব্যক্তিত্বসম্পন্ন মহিলা।রিপেল এর চারিত্রক প্রকাশটাও যথাযথ মনে হয়েছে।লিটন ও বুঝতে পেরেছে পূর্বা ও রিপেল কে। এ সুযোগ কাজে লাগিয়েছে।ওদের পরবর্তী সুখি জীবন দেখার অপেক্ষায়। ধন্যবাদ লেখিকা সুন্দর একটা গল্প উপহার দেওয়ার জন্য। তবে রিপেল এর বাবার উপর চরম রাগ ও বিরক্ত লেগেছে।
পরের পার্ট পড়ার জন্য তর সইছে না আমার! আপনার জাদু দিয়ে তাড়াতাড়ি লিখে ফেলুন আপু।
দ্বিতীয় খন্ড পড়ার অপেক্ষায়!
পরীক্ষা এক দিন পর। তারপরও এইটা না পড়ে থাকতে পারলাম না। পূর্বা, রাফিন ওদের জায়গা থেকে ঠিক আছে। মেজ চাচীও ঠিক আছে। রিপেল, আপেল ও ঠিক আছে কিন্তু এইযে রিপেলের মনে একটা শয়তানি ভাব, সুস্থভাবে চিন্তা করতে না পারা এইটা খুব খারাপ। এইটা ওর বুঝতে হবে। ওর খারাপ লাগা আছে ঠিক আছে কিন্তু তারজন্য অন্য কাউরে কালপ্রিট বানানোটা খারাপ। নিজের মনে প্যাঁচ, ভাইটার মনেও ঢুকিয়ে দিসে! ভবিষ্যতে রিপেলের অসুস্থ চিন্তাভাবনার জন্য হয়তো পূর্বা আর ওর দুইজনেরই সাফার করা লাগবে! পরের খন্ডে রাফিন, ফ্লোরিনার কথা রাখতে পারে কি না তা দেখতে চাই, রাফিন, ফ্লোরিনার মিষ্টি অংশ দেখতে চাই। রিপেলের সাথে পূর্বার সুস্থ একটা সংসার দেখতে চাই। পরের খন্ডের অপেক্ষায় রইলাম 🤍