

বিন্তি আজ গাঢ় নীল রঙের শাড়ি পরেছে। হাত ভর্তি নীল চুড়ি। চুলগুলো ছেড়ে দিয়েছে। কপালে ছোট্ট একটা টিপ আর চোখে মোটা করে কাজল। নিজেকে আয়নায় দেখে মুচকি হাসল বিন্তি। কী অপরূপ সৌন্দর্য নিয়ে জন্মেছে সে! কিন্তু এই রূপ কার জন্য? ভেবেই তাচ্ছিল্যের হাসি হাসল সে। তার রূপ থাকলেও ভাগ্য যে নিরেট মন্দ! আজ সাজ্জাদ ভাইয়ের বিয়ে। অবশেষে তার শখের পুরুষটা বিয়ে করছে। সেই নারীকে নিয়ে আজ রাতে সাজ্জাদ ভাই সুখের ভেলায় পাড়ি দেবে। একসাথে চাঁদ দেখবে, একসাথে পাহাড়ে যাবে, একসাথে সমুদ্রের পানিতে পা ভেজাবে, আরও কত কী! তাই তো বিন্তি শেষবারের মতো তার সাজ্জাদ ভাইয়ের প্রিয় রঙে নিজেকে সাজিয়েছে। আজকে সারাদিনই সে এই রঙ গায়ে নিয়ে ঘুরবে, পুরো ঢাকা শহর ঘুরবে। রিকশায় বসেই হুহু করে কেঁদে ফেলল বিন্তি। সে কোথায় কী করছে সে বিষয়ে কোনো খেয়াল নেই। শুধু জানে সে আজ ভালো নেই। সাজ্জাদ ভাই কেন তার হলো না? ভাগ্য তার প্রতি এই অন্যায় না করলেও পারত।
বানান ভুলের দিকে একটু খেয়াল রাখবেন। লেখা যতই ভালো হোক না, দুই একটা বানান ভুলের লেখার মান নষ্ট হয়ে যায়। আরোও একটু সময় দিন লেখার পেছনে। ধন্যবাদ।
Read all reviews on the Boitoi app
অত্যন্ত সুন্দর একটি বই। লেখিকাকে অসংখ্য ধন্যবাদ
গল্পটা সুন্দর ছিল বিন্তিরও একটা সংসার হলে ভালো হতো না পাওয়ার আক্ষেপ নিয়ে চলে গেল
১ম দিকে বিন্তি কষ্ট দেখে অনেক খারাপ লাগছিল। শেষের দিকে ভাবছিলাম ও সুখী হবে।কিন্তু Ending টা মানতে পারলাম না।চাইলেই happy ending দিতে পারতেন সাজ্জাদের সাথে কিন্তু দেন নি।সত্যিই Ending টা মানতে পারলাম না।তাড়াহুড়ো করে গল্পটা শেষ করে দিলেন। Anyway আপনার লেখা,আপনার ইচ্ছেমতই হবে.......
লেখনী সুন্দর, ঝরঝরে। তবে লেখিকা চাইলে কাহিনী আরেকটু বিস্তারিত করতে পারতেন। মনে হল যেন হুট করেই শেঢ টেনে দিলেন। ফেসবুকে তার লেখা ফলো করছি বেশ কিছুদিন থেকেই। শুভকামনা রইলো।
আসলেই খুব ভালো ছিলো, বাট আমাদের ফ্রি তে দেয়ার চেষ্টা করিয়েন 🥲 বুঝেন-ই তো স্টুডেন্ট মানুষ 🤣
অনেক ভালো লেগেছে। নিলুফার ননদের কথা জানার ইচ্ছে ছিল জানা হয়ে গেল। কিন্তু নিলুফার সেই কষ্ট রয়ে গেল।
বইটি অসাধারন লিখেছেন আপু। আমার কাছে অনেক ভালো লেগেছে। আমি একবারেই সব গল্প পড়ে ফেলেছি। তবে আপু সাজ্জাদ বিন্তির মিলন টা হলে খুবই ভালো লাগতো। শেষের দিকে মন খারাপ হয়ে গেছে। যাই হোক তবুও অনেক ভালো লেগেছে।