
বরের সামনে বউকে প্রেম নিবেদন! পৃথিবীর অন্যতম আশ্চর্যমণ্ডিত এক অ-ঘটনা। হ্যাঁ, এমন কিছুই ঘটেছে আজ ইউনিভার্সিটি অফ ক্যালিফোর্নিয়া, লস অ্যাঞ্জেলেসের শিক্ষা-প্রাঙ্গণে। আসফিয়ান বর্ণ ব্যাকরেস্টের দিকে মুখ করে, অর্থাৎ চেয়ারে উল্টো ঘুরে বসে হেলানিতে দুহাত ভাঁজ করে শীতল মনোভাবে সামনে তাকিয়ে আছে। এই শান্ত মানসিকতাকে ঝড়ের আগের পূর্বাভাস বলা যাবে কী না, কে জানে! খানিক দূরত্বে তার একটি মাত্র বউফুল, ফারিস্তা সুবহান সুখ, ভীতসন্ত্রস্ত মুখাবয়বে দাঁড়িয়ে। ভীতু দেখতে মেয়েটা শুধু তার বউফুল নয়; প্রেয়সীনি, প্রেমিকা, আশিকি, দিওয়ানি—আরও কত কী যে নাম দিয়েছে, সময়ে সময়ে সুখ নিজেও স্তব্ধ হয়ে সেসব শুনে যায় ব্যাকুল মনে। আজ থেকে প্রায় বছর দুয়েক আগে কোনো এক উদ্দেশ্য হাসিলের লক্ষ্যে তার হাত আঁকড়ে ইউএসএ নামক এই দেশে পা রেখেছিল বর্ণ। ওদিকে… সুখের সামনে হাঁটু গেড়ে ফ্লাওয়ার বুকেট বাড়িয়ে আছে অনন্য ব্যক্তিত্বের অধিকারী একজন সুদর্শন পুরুষ, মেহরাব শাহরিয়ার। হৃদয়কে শাসন, বারণ করেও কোনো গতি না পেয়ে আজ ভরা ক্যাম্পাসে ভালোবাসার কথাটি কাঙ্ক্ষিত জনকে জানিয়েই দিল— “ভালোবাসা কাকে বলে জানি না। কাউকে একপলক দেখে হৃদয়ে তুলপাড় উঠলে, অথবা অদূর থেকে কারও এক চিলতে হাসিতে বুকে চিনচিনে ব্যথা অনুভব করলে, কিংবা না চাইতেও সর্বক্ষণ মনকিনারে কারও আনাগোনার নাম যদি ভালোবাসা হয়, তবে আমি আপনাকে ভালোবাসি, সুখ। উইল ইউ অ্যাকসেপ্ট মাই লাভ?”
সুন্দর লেখনী। লেখিকার আরো বইয়ের অপেক্ষায় রইলাম।
Read all reviews on the Boitoi app
আপি বোবাফুল(দ্বিতীয় অধ্যায়) ইবুক টি অনেক সুন্দর হয়েছে।
বরাবরের মতোই অসাধারণ হয়েছে......ধন্যবাদ আপু বর্ণ আর সুখ কে নিয়ে আবারও লেখার জন্য। আমার অন্যতম প্রিয় জুটি এটা।