

“আমাকে অযথা কেন পেরেশান করছেন? সোজাসাপ্টা বলুন তো‚ কী চাইছেন আপনি?” “আপনাকে।” কোনোরকম ভণিতা না করেই মাহমুদ যখন এই কথা বললো‚ রাত্রির মনে রাগও আর জমতে পারলো না। হৃদয়ের স্পন্দনে তালগোল পাকিয়ে ওকে অন্যরকম করে দিলো। মিনিটখানেকের ব্যবধানে ও টের পেল‚ মুখকান গরম হয়ে উঠছে। পৃথিবীর সমস্ত কোলাহল যখন ওর বুকের কাঁপনের কাছে ফিকে হয়ে গেল‚ ঠিক তখনই নিজেকে কড়া শাসন করে আটকালো। মেকি একটা অবুঝ ভাব টেনে মাহমুদের কাছে জানতে চাইলো‚ “আমাকে মানে?” “হুঁ‚ আপনাকে চাই… শুধুই আপনাকে কারণ আপনার সাথে আমার অনেক বোঝাপড়া বাকি আছে৷ তাই রোজ আপনাকে কল করবো। রিসিভ না করলে অথবা ব্লক লিস্টে ফেলে দিলে সোজা আমি আপনার বাড়ি চলে যাবো।” বেশ নরম সুরে শাসিয়ে যাচ্ছে মাহমুদ। আশ্চর্যের বিষয়… এসব শাসানিতে রাত্রি এক ফোঁটাও রাগ করছে না‚ বিরক্ত হচ্ছে না। জীবনে প্রথমবার… হ্যাঁ‚ হয়তো প্রথমবার ও চাইছে‚ “এই বিশ্রী অনুভূতি বুকের ভেতর রয়ে যাক‚ অসহ্য এই ফোনালাপের আয়ুকাল হোক দীর্ঘ।” “কেন?” অচেনা অনুভূতির ঘোরে তলিয়ে থেকেই রাত্রি শুধালো। “আপনার ঘরেই আপনাকে বন্দী করতে আর সেদিনের মতো খুব কাছ থেকে আপনাকে দেখতে। দৃষ্টি বিনিময় হলে না-হয় ছোট্ট করে জিজ্ঞেস করবো‚ কল রিসিভ করছিলেন না কেন? নাকি... নাকি অসময়ে চাইছেন হাসনাহেনার রাত?”
নামটা রোমান্টিক হলেও, গল্পটা রহস্যে ঘেরা। মানুষের উপকার করলে মাঝে মাঝে বিপদেই পরা লাগে। এখানে আলী এবং মাহমুদ দুটি চরিত্রই খুব টানছে। কিভাবে কি হলো বুঝা যাচ্ছে না। পরের পার্টের জন্য অপেক্ষা ছাড়া উপায় নেই। তবে নায়িকা এত কনফিউজড কেন থাকে!
Read all reviews on the Boitoi app
এক কথায় দাড়ুন। হালাল ভালোবাসা যে অসম্ভব সুন্দর হয় এটা প্রকাশ পেয়েছে খুব সুন্দর ভাবে