

প্রদীপ্তা এবং নীলাঞ্জনা নামের দুই বোনের বিবাহিত জীবন যেন শান্ত স্রোতে বয়ে যাওয়া কোনো পাহাড়ি নদীর মতো। একদিকে অয়ন নামের নিরেট ভদ্রলোক একজন পুরুষ, অন্যদিকে আফনানের মতো উন্মাদ, বেপরোয়া, অস্থির এক প্রেমিক। অয়নকে নিয়ে নীলার সংসার ছিল মনোরম এক ফুলের বাগান। তাকে বিয়ে করে ভয়ংকর এক অসুখ থেকে পরিত্রাণ পেয়েছিল নীলা। অথচ দীপার সংসার ছিল গভীর, উত্তাল সমুদ্র। সেই সমুদ্র তাকে ভাসিয়ে নিয়ে গিয়েছিল বহুদূর। বাবার সঙ্গে সম্পর্কের ইতি ঘটিয়ে, শ্বাশুড়ির চক্ষুশূল হয়ে—শেষ পর্যন্ত কী পরিণতি হয়েছিল দীপার জীবনের? ঘুটঘুটে অন্ধকারাচ্ছন্ন, গা শিউরে ওঠা যামিনীর শেষে—প্রদীপ্তা আর নীলাঞ্জনার জীবনে সত্যিই কি সূর্যোদয় এসেছিল কখনো?
"মেহরিমা আফরিন আপুকে বলবো আর কখনো 'যামিনী'-র মতো কোনো উপাখ্যান লিখবেন না! এটা আমাকে কাঁদিয়েছে। এখনো চোখ ভরে উঠছে অশ্রুতে! একইসাথে জীবনে এতো সুখ আর এতো দুঃখ কেন থাকবে! কেন ভালো লাগবে আর বুক ভেঙে কান্না আসবে! নীলাঞ্জনা আর প্রদীপ্তার জীবনের দিকে তাকালে কখনো কেন এতো বিষণ্ণতা ঘিরে ধরবে আমায় আবার কখনো কেন এতো আনন্দ লাগবে! আফনান আর অয়ন ই বা এতো ভালো হবে কেন! নওরোজ সাহেবের প্রতি এতো দরদ উঠবে কেন আমার! আবার শাহবাজ সাহেবের প্রতি একইসাথে এতো বিরক্তি আর মায়া আসবে কেন! কেন এটা আমি পড়লাম! আমার তো আরো পড়তে ইচ্ছে করতেছে আবার মনে হচ্ছে না পড়লে এতো দুঃখও পেতাম না! তিতলির শাস্তি হলো না কেন? সালেহা বেগম এতো সহজে চলে গেলেন কেন! এই উপাখ্যান টা একইসাথে মন ভালো করে দেয় আবার ভীষণ দুঃখবোধে আচ্ছন্ন করে দেয়! আমি কতকিছু বলতে চেয়েছিলাম কিন্তু পড়া শেষে কিছুই বলতে পারছি না! আপনি আর কখনো এমন কিছু লিখবেন না আপু😭 ~সিদ্দিকা ০৪.০৯.২০২৬ দুপুর ১.৩০"
মেহরিমা আফরিন আপুকে বলবো আর কখনো 'যামিনী'-র মতো কোনো উপাখ্যান লিখবেন না! এটা আমাকে কাঁদিয়েছে। এখনো চোখ ভরে উঠছে অশ্রুতে! একইসাথে জীবনে এতো সুখ আর এতো দুঃখ কেন থাকবে! কেন ভালো লাগবে আর বুক ভেঙে কান্না আসবে! নীলাঞ্জনা আর প্রদীপ্তার জীবনের দিকে তাকালে কখনো কেন এতো বিষণ্ণতা ঘিরে ধরবে আমায় আবার কখনো কেন এতো আনন্দ লাগবে! আফনান আর অয়ন ই বা এতো ভালো হবে কেন! নওরোজ সাহেবের প্রতি এতো দরদ উঠবে কেন আমার! আবার শাহবাজ সাহেবের প্রতি একইসাথে এতো বিরক্তি আর মায়া আসবে কেন! কেন এটা আমি পড়লাম! আমার তো আরো পড়তে ইচ্ছে করতেছে আবার মনে হচ্ছে না পড়লে এতো দুঃখও পেতাম না! তিতলির শাস্তি হলো না কেন? সালেহা বেগম এতো সহজে চলে গেলেন কেন! এই উপাখ্যান টা একইসাথে মন ভালো করে দেয় আবার ভীষণ দুঃখবোধে আচ্ছন্ন করে দেয়! আমি কতকিছু বলতে চেয়েছিলাম কিন্তু পড়া শেষে কিছুই বলতে পারছি না! আপনি আর কখনো এমন কিছু লিখবেন না আপু😭 ~সিদ্দিকা ০৪.০৯.২০২৬ দুপুর ১.৩০
Read all reviews on the Boitoi app
প্রথম খন্ড আর ২য় খন্ড একসাথে পড়েছি,আফনানের দীপার প্রতি ভালোবাসা ভীষণ মুগ্ধ করেছে আর নীলাকে ওর জীবনসাথীর সঙ্গে এতো সুন্দরভাবে মানিয়ে যাওয়া দেখে আরও বেশি ভালো লেগেছে 🥰🫶🏻
মেহরিমা আপুর এই গল্পটির লেখনি এতো সুন্দর, এত পরিণত,আমার কাছে মনে হয় এটা আপুর লেখা সব থেকে ভালো একটি গল্প।
অসম্ভব সুন্দর। ভাষায় প্রকাশ করার মত না। সমকালীন লেখাগুলোর মধ্যে সেরা একটি উপন্যাস। একে কাগজের পাতায় পাওয়ার আবদার থাকলো লেখিকার কাছে।
কিছু কিছু গল্প থাকে পড়ার পর অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করা যায়না, আমি ঠিক সেই অবস্থায় আছি। অনেক অপেক্ষায় ছিলাম দ্বিতীয় খন্ডের। আফনান আর দীপার জন্য অনেক অনেক ভালোবাসা।
অসম্ভব সুন্দর একটা বই।শক্তিশালী লেখনী। যামিনী ১ও ২ একসাথে পড়ায় পুরো গল্পটার ধারাবাহিকতা বজায় থাকায় দারুন উপভোগ করেছি।
অসাধারণ হয়েছে আপু
আপু প্রথম খন্ড পড়ার পর থেকে অপেক্ষায় থাকতাম এই গল্পের দ্বিতীয় খন্ড কখন আসবে। কিনেছে অনেক আগেই কিন্তু পড়া হয়ে ওঠেনি। পরে শেষ করলাম গতকাল। এত চমৎকার কিভাবে লেখে না আপু আমি তো নীলার জন্য বেশি কষ্ট পাচ্ছিলাম যে কি হবে ওর কিন্তু দীপার এমন হবে আমি বুঝিনি। আর আফনান এত সুন্দর এত চমৎকার একটা মানুষ যা বলে বোঝানো যাবে না। সে যে দীপাকে অসম্ভব ভালোবাসে তার কোন সন্দেহ নাই। ভাবিনি শেষ দিকে এমন হবে আমি দম আটকিয়ে পড়ছিলাম শুধু ভাবছিলাম দীপার বুঝি কিছু হলো 😥😥😥আফনানের জন্য খারাপ লাগতো,। কিন্তু শেষটার জন্য অসংখ্য অসংখ্য ধন্যবাদ আপু ❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️❤️
ভীষণ সুন্দর, আলাদারকম একটা উপাখ্যান এর সাক্ষী হলাম। প্রথম পরিচ্ছেদ এর শেষে সবকিছু নিয়েই একটা ধোঁয়াশা ছিল মনের মধ্যে যেটা এই পরিচ্ছেদ পড়ার পর মিটেছে। নীলা আর দীপা এই দুই বোন নিজের জীবনের যামিনি কাটিয়ে আলোর সন্ধান পেয়েছে শেষ পর্যন্ত সেটা খুব শান্তি দিয়েছে। কিন্তু তিতলি আর সালেহা বেগম এর মত মানুষরা কোনো শাস্তি পায়নি এটা ভীষণ খারাপ লাগার একটা জায়গা হয় দাঁড়িয়েছে আমার কাছে। আফনান কে প্রথম পরিচ্ছেদে ঠিক বিশ্বাস করে উঠতে পারিনি কিন্তু এই চরিত্রটা যে এই গল্পের সবচেয়ে বেস্ট চরিত্র সেটা শেষে এসে স্বীকার করতে বাধ্য হচ্ছি। সব মিলিয়ে বলতে হচ্ছে যে অপূর্ব একটা গল্প পড়ে শেষ করলাম।
যামিনী মানেই তো রাত বা অন্ধকার... আর মায়ের অস্বাভাবিক মৃত্যু এবং বাবার উদাসীনতার আড়ালে একে অপরকে আঁকড়ে ধরে বড়ো হওয়া রাতের আধারের মতো নিস্তব্ধ দীপা আর নীলা নামের মেয়ে দুটোর জীবন... সেই জীবনে প্রবেশ করলো শাহবাজ নামক এক মধ্যবয়স্ক লোক যার অনাকাঙ্ক্ষিত পরিনতিতে দীপা নামক মেয়েটি ডুবে গেলে তীব্র অপরাধবোধে আর নীলা নামক কিশোরী মেয়েটিকে পরিনত করলো অনুভূতিহীন অপ্রকৃতস্থ মানবীতে.... নীলার বয়সী মেয়েরা এই রকম আবেগে পড়ে বেশীরভাগ সময় ভুল সিদ্ধান্ত নেয় তবে নীলা মেয়েটি নিজের জীবনকে আরেকটি সুযোগ দিয়েছে ভয়ংকর সেই অতীতকে পেছনে ফেলে নিজের একটি সুখী জীবন গড়ে নিয়েছে আর তা সম্ভব হয়েছে অয়ন নামক শান্ত ভদ্র পুরুষটি তার জীবনে আশির্বাদ হয়ে এসে ক'জনের ই বা এমন ভাগ্য হয়.... প্রথম খন্ডে আফনান চরিত্রটি নিয়ে কিঞ্চিত সন্দেহ ছিলো সত্যিই কি সে দীপার অনুভূতির দাম দিতে পারবে তবে দ্বিতীয় খন্ড পড়ে সেই ধারণা হাওয়ায় মিশে গিয়ে গল্পের সবচেয়ে প্রিয় চরিত্র হয়ে উঠেছে আফনান নামক পুরুষটি.....ভাগ্যিস দীপার জীবনে আফনানের মতো বাউন্ডুলে একরোখা এক প্রেমিক পুরুষ ছিল যার জেদ দৃঢ়তা তাদের একসাথে পথচলাকে দীর্ঘ করলো... আমিও মনে করি সবসময় প্রকৃতির প্রতিশোধ কথাটির প্রতিফলন ঘটে না আর সালেহা আর তিতলির ক্ষেত্রে তাই ঘটেছে যার জন্য তাদের কোনো শাস্তি হলো না...যদি সব অপরাধেরই শাস্তিই দৃশ্যমান হতো তাহলে তো কোনো অপরাধের পুনরাবৃত্তি ঘটতো না... আবার সন্তানের জন্য পিতা মাতার মুখ থেকে নিঃসৃত যে কোন শব্দই অনেক ভারী...তাইতো নওরোজ সাহেবকে দেওয়া কষ্টের দায় স্বরূপ দীপাকে এতো কঠিন পরীক্ষার সম্মুখীন হতে হলো। তবে পরিশেষে এইটুকুই প্রশান্তি দীপা এবং নীলার জীবনের যামিনী দূর হয়ে আফনান ও অয়নের মতো কেউ এসে নতুন রবির সূচনা করেছে। ❤️❤️❤️ অসাধারণ একটি গল্প... গল্পের শব্দচয়ন এবং সুনিপুণ উপস্থাপন গল্পটিকে আরও সমাদৃত করেছে.... লেখিকাকে অনেক অনেক শুভকামনা ❤️❤️❤️