

বিলাসবহুল হোটেলের বদ্ধ ঘরে এক রুদ্ধশ্বাস রহস্য! বনানীর অভিজাত হোটেল ‘দ্য গ্র্যান্ড ভিউ’-এর ৪০২ নম্বর ডিলাক্স স্যুট।বাইরে ঢাকার যান্ত্রিক কোলাহল থাকলেও রুমের ভেতরটা অদ্ভুত এক জমাটবদ্ধ নিস্তব্ধতায় ঢাকা।সেই নিস্তব্ধতা ছাপিয়ে মেঝেতে পড়ে আছে শহরের প্রভাবশালী রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ী হামিদ খানের নিথর দেহ।গলার বাম পাশে নিখুঁত এক ক্ষত—যেন কোনো দক্ষ সার্জন অত্যন্ত ঠান্ডা মাথায় তার কাজ শেষ করে গেছে। তদন্তে নামেন তীক্ষ্ণ বুদ্ধিসম্পন্ন ডিবি অফিসার আরিয়ান আহমেদ।আপাতদৃষ্টিতে একে সাধারণ কোনো খুনের ঘটনা মনে হলেও সিসিটিভি ফুটেজ আর ফরেনসিক রিপোর্ট বারবার মোড় ঘুরিয়ে দিচ্ছে রহস্যের।বোরকা পরা এক রহস্যময়ী নারী,সস্তা আতরের কড়া ঘ্রাণ,আর কার্পেটে পড়ে থাকা এক টুকরো রুপোর ঝুমকা—সবই কি খুনিকে ধরার সূত্র,নাকি তদন্তকারীকে বিভ্রান্ত করার নিখুঁত কোনো ফাঁদ? হামিদ খানের অভিজাত পরিবারের পর্দার আড়ালে লুকিয়ে থাকা দীর্ঘদিনের ঘৃণা,পরকীয়া আর মাদকের অন্ধকার জগত কি এই খুনের মূল কারণ?ডিবি অফিসার আরিয়ান কি পারবেন সাইলেন্ট রুমের দেয়ালের আড়ালে চাপা পড়া আসল খুনি কে? খুজে বের করতো… খুনি কে?—সিরিজের এই প্রথম গল্পটি আপনাকে নিয়ে যাবে ইনভেস্টিগেশনের এক নতুন দিগন্তে,যেখানে প্রতি মুহূর্তে পাল্টে যাবে সন্দেহের তীর। “জীবন ক্ষণস্থায়ী,সময় অনন্ত।মানুষ থামে,শ্বাস থামে, হৃদস্পন্দন থামে।কিন্তু সময়?সে নির্মমভাবে চলতেই থাকে।”
খুনি কে? সিরিজের এই প্রথম গল্পটি বেশ ভালোই।খুব বেশি ভালো বলবো না।তবে বেশ ভালোই।ইনভেস্টিগেশন-থ্রিলার হিসাবে উপভোগ্য বলাই যায়।তবে লেখকের উদ্দেশ্যে বলবো —পরবর্তী গল্প আরো ভালো করার জন্য।এখানে যা যা কমতি ছিলো লেখক যেনো পরবর্তী গল্পে তা পুষিয়ে দেন।💗
Read all reviews on the Boitoi app