

এ এক বহুকাল আগের রক্ষণশীল যৌথ পরিবারের গল্প। পুত্রসন্তান জন্ম দিতে না পারায় পুত্রবধূ সামিয়ার ওপর প্রতিনিয়ত মানসিক নির্যাতন চালান শাশুড়ি জাবেদা বেগম। এই দম্পতির একমাত্র কন্যাসন্তান আদুরী জন্মগতভাবে শ্রবণ ও বাকপ্রতিবন্ধী হওয়ায় অবহেলার মাত্রা চরমে পৌঁছায়। একদিন বিকেলে খেলার মাঠ থেকে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয় পাঁচ বছরের ছোট্ট আদুরী। তাকে উদ্ধারের পর বেরিয়ে আসে এক বীভৎস সত্য—সমাজের এক পশুর লালসার শিকার হয়েছে শিশুটি। গল্পটি কেবল এক শিশুর ওপর হওয়া পৈশাচিক নির্যাতনের চিত্র নয়, বরং এটি একজন পিতার লড়াই, আধুনিক বিজ্ঞানের (কক্লিয়ার ইমপ্লান্ট) জয়গান এবং এক বৃদ্ধার মনের গভীরে লুকিয়ে থাকা পুরনো ক্ষতের বিবর্তনের আখ্যান। যেখানে অপরাধীর কপালে জোটে চরম কাব্যিক ন্যায়বিচার এবং প্রতিবন্ধকতা জয় করে একটি শিশু ফিরে পায় তার হারানো কণ্ঠস্বর।